ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
টাকায় মেলে বিচারকের স্বাক্ষর
কোটা সংস্কারের পর বিসিএসে নারীদের নিয়োগে বড় পতন, প্রশ্নের মুখে সংস্কার
ছাত্রলীগ কর্মীদের হাতে মার খাননি দাবি করে আম্মার- ‘আমরা মাইর খাইনি, মাইর দিয়েছি’
জঙ্গল সলিমপুরে নাশকতা: যৌথ বাহিনীর পানির পাইপ কেটে ঢালা হয় বিষ, ঝুঁকিতে স্কুলশিশুরাও
ঢাকায় বিদ্যুৎ বিলের ভয়াবহ বৃদ্ধি: একই ব্যবহারে আগের মাসের চেয়ে আসছে দ্বিগুণ-তিনগুণ বিল!
মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি বিরোধিতা করা যুক্তরাষ্ট্র এবার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ডাটাবেজ তৈরিতে আগ্রহী!
আমেরিকা ফার্স্ট নীতি? যুক্তরাষ্ট্রকে খুশি করতেই ২৩৭ কোটি টাকা গচ্চায় গম কিনছে বিএনপি সরকার
যার পদত্যাগ একদিন দাবি করেছিল বিএনপি, আজ তাকেই মন্ত্রিসভায় বসানো হয়েছে।
“রাষ্ট্র নিরাপত্তা নিয়ে পরীক্ষা করার সুযোগ নেই। মানবিক করিডরের নামে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। দেশকে অনিরাপদ করার এই ষড়যন্ত্রের দায় নিয়ে ড. খলিলুর রহমানকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে।”
— ২২ মে ২০২৫, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী
ড. খলিলুর রহমানকে একসময় রাষ্ট্র নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে আখ্যা দিয়ে বিএনপি তার পদত্যাগ দাবি করেছিল, সময়ের ব্যবধানে তাকেই এখন ক্ষমতার কেন্দ্রের কাছাকাছি, এমনকি স্পর্শকাতর মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখার বাস্তবতা সামনে এসেছে।
এটি নিছক অবস্থান বদল নয়। এটি ক্ষমতার বিনিময়ে নীতিগত আত্মসমর্পণের প্রতিফলন। অভিযোগ উঠেছে, তারেক রহমান-এর নেতৃত্বাধীন ক্ষমতার সমীকরণে বিদেশি স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত চাহিদা বাস্তবায়নে বিদেশি নাগরিকদের ব্যবহার করা
হচ্ছে। বিশেষ করে “মানবিক করিডর” নামের প্রস্তাবকে ঘিরে যে নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা একসময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নিজেই বলেছিল, আজ সেই একই ব্যক্তি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে প্রভাব রাখছেন। এতে করে দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্বাধীন নীতিনির্ধারণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। “যে ব্যক্তি একদিন রাষ্ট্রের জন্য ঝুঁকি ছিলেন, তিনি কীভাবে রাতারাতি রাষ্ট্রের রক্ষক হয়ে যান, তার ব্যাখ্যা জনগণ পায়নি।” এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ-এর রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা আদৌ কার হাতে, সেই প্রশ্নটাই এখন মুখ্য।
হচ্ছে। বিশেষ করে “মানবিক করিডর” নামের প্রস্তাবকে ঘিরে যে নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা একসময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নিজেই বলেছিল, আজ সেই একই ব্যক্তি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে প্রভাব রাখছেন। এতে করে দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্বাধীন নীতিনির্ধারণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। “যে ব্যক্তি একদিন রাষ্ট্রের জন্য ঝুঁকি ছিলেন, তিনি কীভাবে রাতারাতি রাষ্ট্রের রক্ষক হয়ে যান, তার ব্যাখ্যা জনগণ পায়নি।” এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ-এর রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা আদৌ কার হাতে, সেই প্রশ্নটাই এখন মুখ্য।



