ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে দেশবাসীকে নির্বাচন বয়কটের ডাক ১৬৭৫ জন বিশিষ্টজনের, সঙ্গে ১২ দাবি
কাকে ভোট দিতে যাবেন?
জাতির সঙ্গে বেঈমানি ও প্রতারণাপূর্ণ নির্বাচন বর্জনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক সর্বোপরি দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহ্বান
সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ব্যতীত জাতীয় নির্বাচন জাতির কাছে কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য হবে না।
কথা বলতে চাওয়া সাবেক এমপি তুহিনের মুখ ‘চেপে’ ধরলো পুলিশ
সিএমপির ওসির বিরুদ্ধে মাদক সরবরাহ ও বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ডাক আওয়ামী লীগের
পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে জাবিতে সাংবাদিককে ‘হেনস্তা’
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) সংবাদ সংগ্রহকালে এক সাংবাদিককে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে এবং তার ক্যামেরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এমন অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।
রোববার অভিযোগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে জমা দেওয়া হয়। অভিযোগ করা আরিফুর রহমান সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের ৫২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং ‘বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম’-এর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার সংলগ্ন এলাকায় সংবাদ সংগ্রহের সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে ঘিরে ধরেন।
অভিযোগে পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরম্যাটিকস বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের মোহাম্মদ ইমন ও দর্শন বিভাগের একই ব্যাচের মো. সাহানুর রহমান সানজুর নাম উল্লেখ করা হয়। তাদের সঙ্গে আরও
পাঁচ থেকে ছয়জন অজ্ঞাত ব্যক্তি ছিলেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরেও অভিযুক্তরা তার মোবাইল ফোন জোরপূর্বক নিয়ে ফুটেজ পরীক্ষা করেন এবং ব্যবহৃত ক্যামেরা (সনি আলফা ৬৪০০) ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে ধস্তাধস্তির মধ্যে ক্যামেরার লেন্স ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। ঘটনার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজসেবা সম্পাদক আহসান লাবিবসহ কয়েকজন এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সহকারী প্রক্টর ও সাংবাদিক সমিতির প্রতিনিধিদের জানানো হয়। তবে, অভিযোগ দাখিলের পর অভিযুক্তদের সঙ্গে আরও কয়েকজন এসে পুনরায় তাকে হেনস্তা ও ভয়ভীতি দেখান বলে আরিফুর রহমান অভিযোগ করেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিক বলেন, ‘একই ঘটনায় আমাকে দুই দফায় লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়েছে। পরবর্তীতে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।’ অভিযোগ অস্বীকার করে মোহাম্মদ ইমন বলেন, ‘ঘটনার বর্ণনা একপেশে। তার দাবি, সেদিন একটি ভিন্ন ঘটনার সূত্র ধরে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং সাংবাদিক নিজেই আক্রমণাত্মক আচরণ করেন।’ ক্যামেরা ভাঙচুরের অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন। এদিকে সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মেহেদী মামুন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, উভয় পক্ষের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক সমঝোতা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ.কে.এম. রাশিদুল আলম বলেন, ‘অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, সংবাদ সংগ্রহের স্বাধীনতায় বাধা দেওয়া হলে তা গণমাধ্যমের জন্য হুমকিস্বরূপ।
দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
পাঁচ থেকে ছয়জন অজ্ঞাত ব্যক্তি ছিলেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরেও অভিযুক্তরা তার মোবাইল ফোন জোরপূর্বক নিয়ে ফুটেজ পরীক্ষা করেন এবং ব্যবহৃত ক্যামেরা (সনি আলফা ৬৪০০) ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে ধস্তাধস্তির মধ্যে ক্যামেরার লেন্স ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। ঘটনার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজসেবা সম্পাদক আহসান লাবিবসহ কয়েকজন এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সহকারী প্রক্টর ও সাংবাদিক সমিতির প্রতিনিধিদের জানানো হয়। তবে, অভিযোগ দাখিলের পর অভিযুক্তদের সঙ্গে আরও কয়েকজন এসে পুনরায় তাকে হেনস্তা ও ভয়ভীতি দেখান বলে আরিফুর রহমান অভিযোগ করেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিক বলেন, ‘একই ঘটনায় আমাকে দুই দফায় লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়েছে। পরবর্তীতে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।’ অভিযোগ অস্বীকার করে মোহাম্মদ ইমন বলেন, ‘ঘটনার বর্ণনা একপেশে। তার দাবি, সেদিন একটি ভিন্ন ঘটনার সূত্র ধরে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং সাংবাদিক নিজেই আক্রমণাত্মক আচরণ করেন।’ ক্যামেরা ভাঙচুরের অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন। এদিকে সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মেহেদী মামুন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, উভয় পক্ষের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক সমঝোতা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ.কে.এম. রাশিদুল আলম বলেন, ‘অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, সংবাদ সংগ্রহের স্বাধীনতায় বাধা দেওয়া হলে তা গণমাধ্যমের জন্য হুমকিস্বরূপ।
দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।



