ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রহসনের নির্বাচন মানি না, মানবো না!
ইউনুসের অংশগ্রহনমূলক নির্বাচনের নমুনা দেখুন ফরিদপুরে হাসপাতালে বিএনপি’র সন্ত্রাসীদের হামলা
বিএনপির মামলায় কারাবরণ; চিকিৎসা বিলম্বে কেটে ফেলতে হলো পেকুয়ার নাজিমুদ্দিনের পা
বিএনপির চাঁদাবাজদের কাছে যেন আপন ভাইয়েরও নিস্তার নেই
১৭ বছরে পেয়েছি মেট্রো ও মডেল মসজিদ, আর এখন দেখছি চোর ও অপদার্থের রাজত্ব’—দুই আমলের তফাত টেনে ভাইরাল ভিডিও বার্তা
হাতিরঝিল এক্সপ্রেসওয়ের রড চুরির একচ্ছত্র আধিপত্য ‘মাওরা সায়মন’ সিন্ডিকেটের: নেপথ্যে ভেজাল তাহের ও কাইলা হৃদয়
জেলখানার মাইকে ভেসে এল বাবা হওয়ার সংবাদ: সাবেক ছাত্রলীগ নেতার কারাজীবনের নির্মম আখ্যান
বাংলাদেশ ভোটের নামে যা হচ্ছে – ক্ষমতা না পেলে বোমা, বন্দুকই বিএনপির ভোটের রাজনীতি চলমান
ক্ষমতা দখলের ভোটের বাস্তব চিত্র আবারও নগ্নভাবে সামনে এলো মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনে। বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ধান ও ফুটবল মার্কার লড়াইয়ে রূপ নিল সশস্ত্র সন্ত্রাসে। মোল্লাকান্দি এলাকায় ফুটবল মার্কার এক স্বতন্ত্র প্রার্থী, যিনি নিজেও বিএনপির ঘরানার, তার প্রচারণা চলাকালে প্রকাশ্যে গুলি ছোড়া ও হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায় ধানের শীষের প্রার্থীর সমর্থকরা। দিনের আলোতে প্রকাশ্যে অস্ত্র ব্যবহার করে পুরো এলাকা আতঙ্কে ফেলে দেওয়া হয়। সাধারণ মানুষ, পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তাহীনতায় ঘরে ঢুকে পড়তে বাধ্য হন। ভোটের মাঠ নয়, পুরো এলাকা মুহূর্তেই পরিণত হয় যুদ্ধক্ষেত্রে।
এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে, বিএনপি একটি জনসমর্থনহীন রাজনৈতিক শক্তি, যারা নির্বাচন এলেই সন্ত্রাসকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। নিজের
দলের লোকের বিরুদ্ধেও বোমা ও গুলির রাজনীতি করতে যাদের দ্বিধা নেই, তারা রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, সেই প্রশ্ন আজ আর অনুমানের নয়, বাস্তবতার। মুন্সিগঞ্জ-৩ এর এই ঘটনা বিএনপির তথাকথিত গণতান্ত্রিক মুখোশের আরেকটি স্পষ্ট উদাহরণ। যে দল নির্বাচনের সময়েই বোমা, গুলি আর সন্ত্রাসে অভ্যস্ত, তারা ক্ষমতায় গেলে দেশের সাধারণ মানুষ আদৌ নিরাপদ থাকবে তো?
দলের লোকের বিরুদ্ধেও বোমা ও গুলির রাজনীতি করতে যাদের দ্বিধা নেই, তারা রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, সেই প্রশ্ন আজ আর অনুমানের নয়, বাস্তবতার। মুন্সিগঞ্জ-৩ এর এই ঘটনা বিএনপির তথাকথিত গণতান্ত্রিক মুখোশের আরেকটি স্পষ্ট উদাহরণ। যে দল নির্বাচনের সময়েই বোমা, গুলি আর সন্ত্রাসে অভ্যস্ত, তারা ক্ষমতায় গেলে দেশের সাধারণ মানুষ আদৌ নিরাপদ থাকবে তো?



