ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ
নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ
দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
হাতিরঝিল এক্সপ্রেসওয়ের রড চুরির একচ্ছত্র আধিপত্য ‘মাওরা সায়মন’ সিন্ডিকেটের: নেপথ্যে ভেজাল তাহের ও কাইলা হৃদয়
রাজধানীর মগবাজার ও হাতিরঝিল এলাকায় চলমান ‘ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে’ প্রকল্পের সরকারি রড, ভারি লোহা ও নির্মাণ সামগ্রী চুরির ঘটনায় বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রকল্প এলাকা থেকে এ পর্যন্ত যত রড ও মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি হয়েছে, তার সবকিছুর পেছনে রয়েছে একটিমাত্র সংঘবদ্ধ চক্র। এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা সদ্য বহিষ্কৃত যুবদল নেতা ফেরদৌস আহমেদ ওরফে ‘মাওরা সায়মন’। আর তার চুরির সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে প্রধান সহযোগী হিসেবে কাজ করছে ‘ভেজাল তাহের’ ও ‘কাইলা হৃদয়’।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ডিবি পরিচয়ে অপহরণ ও টর্চার সেলে নির্যাতনের অভিযোগে সায়মন দল থেকে বহিষ্কার হলেও, তার রড চুরির সিন্ডিকেট এখনো দিগুণ দাপটে সক্রিয়।
চুরির অঘোষিত সম্রাট: সায়মন-তাহের-হৃদয় চক্র
সরেজমিনে প্রকল্প এলাকা
ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাতিরঝিল থেকে মগবাজার রেলগেট পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণাধীন সাইটগুলোতে রাতের আঁধারে হানা দেয় এই বাহিনী। প্রকল্পের নিরাপত্তারক্ষী ও সাধারণ শ্রমিকরা ‘মাওরা সায়মন’ বাহিনীর ভয়ে তটস্থ। অভিযোগ রয়েছে, সাইটে নতুন রড ও ভারি লোহার প্রপস (জক) নামানোর পরপরই সেগুলোর ওপর নজর পড়ে সায়মনের। এরপর ‘ভেজাল তাহের’ ও ‘কাইলা হৃদয়’-এর নেতৃত্বে ট্রাক লাগিয়ে সেসব মালামাল সরিয়ে ফেলা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ঠিকাদার বলেন, “সাইট থেকে ছোটখাটো চুরি নয়, বরং টনকে টন রড গায়েব হয়ে যাচ্ছে। এই এলাকায় মাওরা সায়মন, ভেজাল তাহের আর কাইলা হৃদয়ের অনুমতি ছাড়া একটা লোহাও নড়ে না। যত চুরি হয়েছে, সব এই তিনজনই করিয়েছে।” ভিডিও ফুটেজে
লুটের প্রমাণ ও ভাগ-বাটোয়ারা সম্প্রতি সায়মন সিন্ডিকেটের চুরির একটি ভিডিও ফুটেজ ফাঁস হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, রাতের অন্ধকারে একটি গোপন আস্তানায় এক্সপ্রেসওয়ের ভারি নির্মাণ সামগ্রী (কনস্ট্রাকশন জক ও পাইপ) গণনা করা হচ্ছে। সেখানে মালামালের সংখ্যা ‘২৯ নাকি ৪০’—তা নিয়ে তর্কাতর্কি চলছে। ভিডিও এবং অডিও বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, চুরিকৃত এই মালামালগুলো সরানোর দায়িত্বে ছিল সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য। ভিডিওতে যেই জক বা পাইপগুলো দেখা যাচ্ছে, সেগুলো অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সরকারি প্রকল্পের সম্পদ। ‘মাওরা সায়মন’ তার দুই সেনাপতি তাহের ও হৃদয়ের মাধ্যমে এই মালামালগুলো কালোবাজারে বিক্রি করে আসছে। বহিষ্কারেও থামেনি মাওরা সায়মন কাজী রিয়াদ হাসনাতকে অপহরণ ও নির্যাতনের ঘটনায় যুবদল থেকে সায়মনকে বহিষ্কার করা
হলেও, তার অপরাধ জগত বিন্দুমাত্র সংকুচিত হয়নি। বরং রাজনৈতিক পদ হারানোর পর তিনি এখন আরও বেপরোয়া হয়ে সরকারি সম্পদ লুটের দিকে ঝুঁকেছেন। এলাকাবাসীর মতে, ‘ভেজাল তাহের’ ও ‘কাইলা হৃদয়’ এলাকায় সায়মনের ‘মাসলম্যান’ হিসেবে পরিচিত। প্রশাসন ও পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে মালামাল পরিবহন ও বিক্রির পুরো নেটওয়ার্ক এই দুজনই নিয়ন্ত্রণ করে। হাতিরঝিল ও মগবাজারের সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীরা এই চোর সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি। তাদের প্রশ্ন—ভিডিও প্রমাণ এবং শত শত টন রড চুরির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকার পরেও কেন ‘মাওরা সায়মন’, ‘ভেজাল তাহের’ ও ‘কাইলা হৃদয়’ ধরাছোঁয়ার বাইরে? জাতীয় সম্পদ রক্ষায় এবং এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের কাজ নির্বিঘ্ন করতে এই তিনজনকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন
ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল।
ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাতিরঝিল থেকে মগবাজার রেলগেট পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণাধীন সাইটগুলোতে রাতের আঁধারে হানা দেয় এই বাহিনী। প্রকল্পের নিরাপত্তারক্ষী ও সাধারণ শ্রমিকরা ‘মাওরা সায়মন’ বাহিনীর ভয়ে তটস্থ। অভিযোগ রয়েছে, সাইটে নতুন রড ও ভারি লোহার প্রপস (জক) নামানোর পরপরই সেগুলোর ওপর নজর পড়ে সায়মনের। এরপর ‘ভেজাল তাহের’ ও ‘কাইলা হৃদয়’-এর নেতৃত্বে ট্রাক লাগিয়ে সেসব মালামাল সরিয়ে ফেলা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ঠিকাদার বলেন, “সাইট থেকে ছোটখাটো চুরি নয়, বরং টনকে টন রড গায়েব হয়ে যাচ্ছে। এই এলাকায় মাওরা সায়মন, ভেজাল তাহের আর কাইলা হৃদয়ের অনুমতি ছাড়া একটা লোহাও নড়ে না। যত চুরি হয়েছে, সব এই তিনজনই করিয়েছে।” ভিডিও ফুটেজে
লুটের প্রমাণ ও ভাগ-বাটোয়ারা সম্প্রতি সায়মন সিন্ডিকেটের চুরির একটি ভিডিও ফুটেজ ফাঁস হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, রাতের অন্ধকারে একটি গোপন আস্তানায় এক্সপ্রেসওয়ের ভারি নির্মাণ সামগ্রী (কনস্ট্রাকশন জক ও পাইপ) গণনা করা হচ্ছে। সেখানে মালামালের সংখ্যা ‘২৯ নাকি ৪০’—তা নিয়ে তর্কাতর্কি চলছে। ভিডিও এবং অডিও বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, চুরিকৃত এই মালামালগুলো সরানোর দায়িত্বে ছিল সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য। ভিডিওতে যেই জক বা পাইপগুলো দেখা যাচ্ছে, সেগুলো অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সরকারি প্রকল্পের সম্পদ। ‘মাওরা সায়মন’ তার দুই সেনাপতি তাহের ও হৃদয়ের মাধ্যমে এই মালামালগুলো কালোবাজারে বিক্রি করে আসছে। বহিষ্কারেও থামেনি মাওরা সায়মন কাজী রিয়াদ হাসনাতকে অপহরণ ও নির্যাতনের ঘটনায় যুবদল থেকে সায়মনকে বহিষ্কার করা
হলেও, তার অপরাধ জগত বিন্দুমাত্র সংকুচিত হয়নি। বরং রাজনৈতিক পদ হারানোর পর তিনি এখন আরও বেপরোয়া হয়ে সরকারি সম্পদ লুটের দিকে ঝুঁকেছেন। এলাকাবাসীর মতে, ‘ভেজাল তাহের’ ও ‘কাইলা হৃদয়’ এলাকায় সায়মনের ‘মাসলম্যান’ হিসেবে পরিচিত। প্রশাসন ও পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে মালামাল পরিবহন ও বিক্রির পুরো নেটওয়ার্ক এই দুজনই নিয়ন্ত্রণ করে। হাতিরঝিল ও মগবাজারের সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীরা এই চোর সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি। তাদের প্রশ্ন—ভিডিও প্রমাণ এবং শত শত টন রড চুরির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকার পরেও কেন ‘মাওরা সায়মন’, ‘ভেজাল তাহের’ ও ‘কাইলা হৃদয়’ ধরাছোঁয়ার বাইরে? জাতীয় সম্পদ রক্ষায় এবং এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের কাজ নির্বিঘ্ন করতে এই তিনজনকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন
ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল।



