ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জুলাইয়ের দাঙ্গা থেকে জামায়াততন্ত্র: একটি ক্যুয়ের ময়নাতদন্ত
যেভাবে ইউনুসের সংস্কারের ঠ্যালায় বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর হতে গিয়ে সিসিমপুর হয়ে গেলো!
ইতিহাসের অন্ধকার, ইউনুস সরকারের ধ্বংসযজ্ঞ
দোজখের ভয় দেখিয়ে ভোট আদায়ের খেলা: জামায়াত-বিএনপির নির্বাচনী ধর্মব্যবসা এখন প্রকাশ্যে
গতবছর সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ৫২২টি, দাবি বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের
নারীমুক্তির মুখোশ পরা ইউনুসের আসল চেহারা
১৮-এর নির্বাচনে অনিয়ম আমরা চাইনি, প্রশাসনের অতিউৎসাহীরা করেছে: সজীব ওয়াজেদ জয়
ইউনূসের মেটিকুলাস ডিজাইনে এবার ঝরল জামায়াত নেতার প্রাণ
তফসিল ঘোষণার পর থেকে দেশে নির্বাচনী সহিংসতা যে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে, তার সবশেষ শিকার হলেন শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তবে এই মৃত্যুকে কেবল একটি বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক সংঘাত হিসেবে দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা। এর পেছনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের একটি ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’ বা সূক্ষ্ম পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্রগুলো দাবি করছে।
নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো বলছে, দেশে একটি কৃত্রিম অরাজক পরিবেশ তৈরি করে ইউনূস প্রশাসন বিশ্ববাসীকে দেখাতে পারে যে, বর্তমানে নির্বাচন আয়োজনের কোনো সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। এর ধারাবাহিকতায় আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন স্থগিত করে শুধু একটি গণভোট আয়োজন করার
পরিকল্পনা থাকতে পারে। এর পর ইউনূসই ক্ষমতা ধরে রাখতে চাইবে। স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ‘ইশতেহার পাঠ’ অনুষ্ঠানে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, অনুষ্ঠান চলাকালীন বিএনপি সমর্থকরা দেরিতে এসে চেয়ারে বসা নিয়ে জামায়াত কর্মীদের সাথে বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হয়। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় অনুষ্ঠানস্থল। শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই এই অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় জামায়াতের অর্ধশতাধিক কর্মী আহত হন এবং গুরুতর আহত রেজাউল করিমকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। সহিংসতার এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচন ও গণভোটকে
কেন্দ্র করে সংঘটিত যে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগকে দায়ী করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচন বানচালের সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তবে সমালোচকরা বলছেন, মাঠ পর্যায়ে যখন প্রধান দুই মিত্র দল (বিএনপি-জামায়াত) রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত, তখন নিষিদ্ধ দলের ওপর দায় চাপিয়ে সরকার নিজের ব্যর্থতা আড়াল করতে চাইছে। গত ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণার পর থেকে যে ১৬ জন নিহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ১৩ জনই বিএনপির এবং বাকিরা জামায়াত ও অন্যান্য সংগঠনের। রাজধানীতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদি, বিএনপি নেতা মুসাব্বির, হাসান মোল্লা এবং পশ্চিম রাজাবাজারে জামায়াত নেতা আনোয়ারুল্লাহর হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় শেরপুরের এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক
আরও ঘনীভূত করেছে। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন দাবি করছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট সামনে রেখে ৯ লাখ নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম। ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি কেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, লুণ্ঠিত ১,৩৬০টি আগ্নেয়াস্ত্র এখনও উদ্ধার না হওয়া এবং ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ কোন্দল যেভাবে বাড়ছে, তাতে দাপ্তরিক আশ্বাস মানুষের মনের ভয় দূর করতে ব্যর্থ হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি একটি গভীর সংকটের দিকে ইঙ্গিত করছে। তারা বলছেন, “সরকার যদি দাবি করে পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে, তবে দিনের আলোতে প্রশাসনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে কীভাবে এত বড় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে? একদিকে নির্বাচনের প্রস্তুতি,
অন্যদিকে গণভোটের গুঞ্জন এবং এর মাঝে বিরোধী শিবিরের মিত্রদের রক্তক্ষয়ী সংঘাত— এই ত্রিমুখী পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মাঠ পর্যায়ের অস্থিতিশীলতাকে হয়তো রাজনৈতিক দরকষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের ওপর দায় চাপানোর কৌশলটি ইউনূসের রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হওয়ার প্রমাণ দেয়। এই প্রাণহানি ঠেকাতে না পারাটা বর্তমান প্রশাসনের জন্য একটি বড় ব্যর্থতা হিসেবেই দেখা হবে।”
পরিকল্পনা থাকতে পারে। এর পর ইউনূসই ক্ষমতা ধরে রাখতে চাইবে। স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ‘ইশতেহার পাঠ’ অনুষ্ঠানে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, অনুষ্ঠান চলাকালীন বিএনপি সমর্থকরা দেরিতে এসে চেয়ারে বসা নিয়ে জামায়াত কর্মীদের সাথে বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হয়। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় অনুষ্ঠানস্থল। শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই এই অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় জামায়াতের অর্ধশতাধিক কর্মী আহত হন এবং গুরুতর আহত রেজাউল করিমকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। সহিংসতার এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচন ও গণভোটকে
কেন্দ্র করে সংঘটিত যে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগকে দায়ী করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচন বানচালের সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তবে সমালোচকরা বলছেন, মাঠ পর্যায়ে যখন প্রধান দুই মিত্র দল (বিএনপি-জামায়াত) রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত, তখন নিষিদ্ধ দলের ওপর দায় চাপিয়ে সরকার নিজের ব্যর্থতা আড়াল করতে চাইছে। গত ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণার পর থেকে যে ১৬ জন নিহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ১৩ জনই বিএনপির এবং বাকিরা জামায়াত ও অন্যান্য সংগঠনের। রাজধানীতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদি, বিএনপি নেতা মুসাব্বির, হাসান মোল্লা এবং পশ্চিম রাজাবাজারে জামায়াত নেতা আনোয়ারুল্লাহর হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় শেরপুরের এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক
আরও ঘনীভূত করেছে। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন দাবি করছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট সামনে রেখে ৯ লাখ নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম। ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি কেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, লুণ্ঠিত ১,৩৬০টি আগ্নেয়াস্ত্র এখনও উদ্ধার না হওয়া এবং ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ কোন্দল যেভাবে বাড়ছে, তাতে দাপ্তরিক আশ্বাস মানুষের মনের ভয় দূর করতে ব্যর্থ হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি একটি গভীর সংকটের দিকে ইঙ্গিত করছে। তারা বলছেন, “সরকার যদি দাবি করে পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে, তবে দিনের আলোতে প্রশাসনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে কীভাবে এত বড় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে? একদিকে নির্বাচনের প্রস্তুতি,
অন্যদিকে গণভোটের গুঞ্জন এবং এর মাঝে বিরোধী শিবিরের মিত্রদের রক্তক্ষয়ী সংঘাত— এই ত্রিমুখী পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মাঠ পর্যায়ের অস্থিতিশীলতাকে হয়তো রাজনৈতিক দরকষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের ওপর দায় চাপানোর কৌশলটি ইউনূসের রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হওয়ার প্রমাণ দেয়। এই প্রাণহানি ঠেকাতে না পারাটা বর্তমান প্রশাসনের জন্য একটি বড় ব্যর্থতা হিসেবেই দেখা হবে।”



