১৮-এর নির্বাচনে অনিয়ম আমরা চাইনি, প্রশাসনের অতিউৎসাহীরা করেছে: সজীব ওয়াজেদ জয় – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

১৮-এর নির্বাচনে অনিয়ম আমরা চাইনি, প্রশাসনের অতিউৎসাহীরা করেছে: সজীব ওয়াজেদ জয়

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ |
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে অনিয়মের কথা স্বীকার করলেও এর দায় প্রশাসনের ওপর চাপিয়েছেন তাঁর ছেলে ও সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়ের জন্য কোনো কারচুপির প্রয়োজন ছিল না, প্রশাসনের কিছু অতিউৎসাহী কর্মকর্তা নিজ দায়িত্বে এসব ঘটিয়েছিলেন। এক নজরে: প্রশাসনের দায়: ২০১৮ সালের নির্বাচনে অনিয়মের জন্য প্রশাসনের ‘অতিউৎসাহী’ কর্মকর্তাদের দায়ী করেছেন জয়। দলীয় অবস্থান: তিনি দাবি করেন, অনিয়মের ঘটনায় তিনি এবং শেখ হাসিনা অত্যন্ত ক্ষুব্ধ ছিলেন। জরিপের ফলাফল: জয়ের দাবি, নির্বাচনের আগেই তাদের নিজস্ব ও মার্কিন জরিপে আওয়ামী লীগের বিপুল জয়ের আভাস

ছিল। ২০২৪ নির্বাচন: সর্বশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনে কোনো কারচুপি হয়নি, বিএনপি নির্বাচন বর্জন করায় তা একতরফা মনে হতে পারে। পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা: বর্তমানে প্রধান রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা বা ব্যালট বাক্স ভর্তির অভিযোগ উঠলেও বিদেশি পর্যবেক্ষকরা কেন নীরব, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বিস্তারিত প্রতিবেদন: আল জাজিরার সাংবাদিক শ্রীনিবাসন জৈনের মুখোমুখি হয়ে সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশে বিগত নির্বাচনগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। সাংবাদিক যখন ২০১৮ সালের নির্বাচনে ‘রাতের ভোট’ ও নিরাপত্তা বাহিনীর বাড়াবাড়ি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তখন জয় বলেন, সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের জন্য কোনো অনিয়মের দরকার ছিল না। জয় বলেন, “২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে আমাদের জরিপ এবং আমেরিকানদের জনমত জরিপ—উভয়েই দেখাচ্ছিল যে

আওয়ামী লীগ বিপুল ব্যবধানে জয়লাভ করবে। আমরা কেউ কোনো অনিয়ম চাইনি।” প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, “প্রশাসনের কিছু লোক অতিউৎসাহী হয়ে নিজেদের কাঁধে এই দায়িত্ব (অনিয়ম করার) তুলে নিয়েছিল। দলীয় দিক থেকে আমি এবং আমার মা (শেখ হাসিনা) এতে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ ছিলাম। আমরা একটি পরিচ্ছন্ন নির্বাচন চেয়েছিলাম কারণ আমরা এমনিতেই জিততাম।” নিজের পরিচালিত জরিপের পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৬০টি আসনে জরিপ চালিয়ে দেখা গিয়েছিল যে আওয়ামী লীগের জয়ের ন্যূনতম ব্যবধান হবে ৩০ শতাংশ। তাই কারচুপির কোনো যৌক্তিক কারণ ছিল না। ২০২৪ সালের নির্বাচন নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নেতিবাচক প্রতিবেদনের জবাবে জয় দাবি করেন, ২০২৪ সালে কোনো ‘রিগিং’ বা কারচুপি হয়নি। বিরোধী দল

নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় পরিস্থিতি এমন হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ ছিল—এমন অভিযোগও তিনি নাকচ করে দেন। সাক্ষাৎকারের শেষ পর্যায়ে বর্তমান পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন রাখেন, এখন যখন প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে কোণঠাসা করা হচ্ছে এবং অনিয়মের নতুন প্রমাণ মিলছে, তখন ২০১৮ বা ২০২৪ নিয়ে সরব থাকা পর্যবেক্ষকরা কেন নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করছেন?

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা! আওয়ামী লীগ ফিরবেই, তবে পুরনো নাকি নতুন নেতৃত্বে— এটিই এখন মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন”: মাসুদ কামাল সাতক্ষীরায় মন্দিরে চুরি: স্বর্ণালংকার ও দানবাক্সের টাকা লুট, আতঙ্কে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সংস্কারের মুখোশে দমন : অবৈধ ইউনূস সরকারের তেলেসমাতি এবার জেলা পরিষদে নেতা-কর্মী বসিয়ে লুটপাটের প্ল্যান তারেকের রাষ্ট্রকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর জাতীয় সংসদকে রাজু ভাস্কর্য মনে করছে নির্বোধ হাসনাত আবারো সংকটে জাতি, আবারো তিনিই প্রেরণা মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”? থার্টি পার্সেন্টের সরকার! ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া ফেনীতে মাটিলুট ও চাঁদাবাজির জেরে যুবদল-ছাত্রদলের দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ মূল্যবান জিনিস থানায় জমা রেখে ঈদযাত্রার অভিনব পরামর্শ ডিএমপির মিসাইল আতঙ্ক, কাছে গিয়েও হরমুজ পেরোতে পারেনি বাংলাদেশি জাহাজ একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক মডেল মেঘনার দাবি: মির্জা আব্বাসের অসুস্থতার পেছনে দায়ী ‘ডার্বি নাসির’ শেখ হাসিনার খাদ্য ব্যবস্থাপনা: ইউনূসের পর বিএনপি সরকারও চাহিদা মেটাচ্ছে সেই মজুদে ভারতের সরবরাহকৃত তেলে মজুদ পর্যাপ্ত, জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ কেনায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর