ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
“সয়াবিন সকাল বেলা ১৫০ টাকা, বিকালে ২০০ টাকা; পেয়াজের কেজি সকালে ৪০ বিকালে ৭০; বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারতেছে না” –জনতার দুর্ভোগ
ড. ইউনুসের অবৈধ শাসন অর্জন ধ্বংসের রাজনীতি – ১৭ মাসে বাংলাদেশকে অনিশ্চয়তার খাদে ঠেলে দেওয়া হয়েছে
এই দেশটি যদি অনিরাপদ হয়ে যায় তাহলে বিদেশি নাগরিকদের কিছু হবে না, সমস্ত ক্ষতি আমাদেরই হবে” –জনতার কন্ঠ
বিলিয়ন ডলারের ঢাক ভেঙে কমিশনের ভিক্ষা: বিনিয়োগ আনতে প্রণোদনায় নামল ইউনুস সরকার
বিদেশি টাকা, জঙ্গি সমর্থন আর সংখ্যালঘু নিপীড়ন : ইউনুসের ক্ষমতার ত্রিমুখী ভিত্তি
জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব কর্মকর্তাকে হত্যা,জঙ্গী-সন্ত্রাসী দমনে অবৈধ ইউনূস গংয়ের অনীহা স্পষ্ট!
জেল গেটের এপার-ওপার : নির্যাতনের অন্ধকারে নিমজ্জিত ইউনুসের বাংলাদেশ ২.০
জামিন মিললেও মুক্তি নেই, নতুন গায়েবী মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়: জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণেও পায়ে শিকল, হাসপাতালে ডান্ডাবেড়ি ও হাতকড়া পরা যুবলীগ নেতা মাসুম
এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
গুরুতর অসুস্থতা: হৃৎপিণ্ডে ৬০ শতাংশ ব্লক নিয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ১৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি মাকসুদুল আলম মাসুম।
আইনি মারপ্যাঁচ: ৯টি মামলার মধ্যে ৭টিতে জামিন পেলেও কারাগার থেকে বের হওয়ার আগেই নতুন গায়েবী মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট।
অমানবিক দৃশ্য: হাসপাতালের বেড জোটেনি, মেঝের তোশকে শুয়ে আছেন ডান্ডাবেড়ি ও হাতকড়া পরা অবস্থায়।
চিকিৎসায় অবহেলা: চিকিৎসকদের মতে, হার্টের রোগীর জন্য এমন নিষ্ঠুর বন্দিদশা প্রাণঘাতী হতে পারে।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর একটি হাসপাতালের দৃশ্য এটি। চকচকে টাইলসের ওপর পাতা মলিন একটি তোশক। সেখানেই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন এক ব্যক্তি। তবে এটি কোনো সাধারণ বিশ্রামের চিত্র নয়। ভালো করে লক্ষ্য করলেই দেখা যায়, লোকটির বাম হাতে হাতকড়া, যা দড়ি
দিয়ে বাঁধা এবং দুই পায়ে পরানো ভারী লোহার ডান্ডাবেড়ি। যিনি শুয়ে আছেন, তিনি ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মাকসুদুল আলম মাসুম। গত ১৫ মাস ধরে কারাবন্দি এই রাজনীতিবিদ বর্তমানে গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার হার্টে প্রায় ৬০ শতাংশ ব্লক রয়েছে। অথচ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা এই রোগীকে হাসপাতালের বেড বা ন্যুনতম মানবিক সুবিধা না দিয়ে মেঝেতে শুইয়ে রাখা হয়েছে—হাতে দড়ি আর পায়ে শিকল পরিয়ে। মামলার বেড়াজাল ও ‘গায়েবী’ মামলার ফাঁদ মাসুমের পারিবারিক সূত্রে ও আইনজীবীদের বরাতে জানা যায়, গত ১৫ মাসে তার বিরুদ্ধে ৯টিরও বেশি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তিনি সাতটি মামলায় জামিনও পান। কিন্তু কারাগার থেকে বের
হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে অজ্ঞাত বা ‘গায়েবী’ মামলায় তাকে নতুন করে গ্রেপ্তার (Show Arrest) দেখানো হয়। আইনজ্ঞরা একে দেখছেন ‘Process as Punishment’ বা বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শাস্তি হিসেবে। অর্থাৎ, জামিন পাওয়ার আইনি অধিকার থাকলেও প্রশাসনিক মারপ্যাঁচে তাকে আটকে রাখা হচ্ছে। হাসপাতালে মধ্যযুগীয় কায়দায় বন্দিদশা গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও মাসুমের ভাগ্যে জুটছে না কোনো বেড। তাকে ফ্লোরিং করে রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী, চিকিৎসাধীন অবস্থায় কোনো বন্দিকে, বিশেষ করে হৃদরোগীকে ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখা চরম অমানবিক। জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসকরা যাতে দ্রুত সেবা দিতে পারেন, সেজন্য রোগীকে শিকলমুক্ত রাখার বিধান থাকলেও এখানে তা মানা হচ্ছে না। মানবিক রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন
সরকার ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস যখন বিশ্বমঞ্চে ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের কথা বলছেন, তখন খোদ রাজধানীর বুকেই এমন দৃশ্য অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। একজন মুমূর্ষু রোগীর প্রতি এমন আচরণ কি কোনো সভ্য সমাজের পরিচয় বহন করে? মাসুমের পরিবার ও মানবাধিকারকর্মীরা অবিলম্বে এই অমানবিক আচরণের অবসান ঘটিয়ে তাকে সুচিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে, গায়েবী মামলায় হয়রানি বন্ধ করে জামিনপ্রাপ্ত মামলাগুলোর প্রেক্ষিতে তাকে মুক্তি দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
দিয়ে বাঁধা এবং দুই পায়ে পরানো ভারী লোহার ডান্ডাবেড়ি। যিনি শুয়ে আছেন, তিনি ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মাকসুদুল আলম মাসুম। গত ১৫ মাস ধরে কারাবন্দি এই রাজনীতিবিদ বর্তমানে গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার হার্টে প্রায় ৬০ শতাংশ ব্লক রয়েছে। অথচ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা এই রোগীকে হাসপাতালের বেড বা ন্যুনতম মানবিক সুবিধা না দিয়ে মেঝেতে শুইয়ে রাখা হয়েছে—হাতে দড়ি আর পায়ে শিকল পরিয়ে। মামলার বেড়াজাল ও ‘গায়েবী’ মামলার ফাঁদ মাসুমের পারিবারিক সূত্রে ও আইনজীবীদের বরাতে জানা যায়, গত ১৫ মাসে তার বিরুদ্ধে ৯টিরও বেশি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তিনি সাতটি মামলায় জামিনও পান। কিন্তু কারাগার থেকে বের
হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে অজ্ঞাত বা ‘গায়েবী’ মামলায় তাকে নতুন করে গ্রেপ্তার (Show Arrest) দেখানো হয়। আইনজ্ঞরা একে দেখছেন ‘Process as Punishment’ বা বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শাস্তি হিসেবে। অর্থাৎ, জামিন পাওয়ার আইনি অধিকার থাকলেও প্রশাসনিক মারপ্যাঁচে তাকে আটকে রাখা হচ্ছে। হাসপাতালে মধ্যযুগীয় কায়দায় বন্দিদশা গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও মাসুমের ভাগ্যে জুটছে না কোনো বেড। তাকে ফ্লোরিং করে রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী, চিকিৎসাধীন অবস্থায় কোনো বন্দিকে, বিশেষ করে হৃদরোগীকে ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখা চরম অমানবিক। জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসকরা যাতে দ্রুত সেবা দিতে পারেন, সেজন্য রোগীকে শিকলমুক্ত রাখার বিধান থাকলেও এখানে তা মানা হচ্ছে না। মানবিক রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন
সরকার ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস যখন বিশ্বমঞ্চে ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের কথা বলছেন, তখন খোদ রাজধানীর বুকেই এমন দৃশ্য অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। একজন মুমূর্ষু রোগীর প্রতি এমন আচরণ কি কোনো সভ্য সমাজের পরিচয় বহন করে? মাসুমের পরিবার ও মানবাধিকারকর্মীরা অবিলম্বে এই অমানবিক আচরণের অবসান ঘটিয়ে তাকে সুচিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে, গায়েবী মামলায় হয়রানি বন্ধ করে জামিনপ্রাপ্ত মামলাগুলোর প্রেক্ষিতে তাকে মুক্তি দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।



