ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে
অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা
‘নাই বাওয়া, হামার কিচ্ছু নাই, ঘর-বাড়ি সব হারাচি’
‘খালেদা জিয়া ১ টাকা রেখে পুরো বেতন এতিমখানায় দান করে দিতেন’, জানালেন প্রেস সচিব
আগস্টেই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে, জানালেন মন্ত্রী
প্রতিদিন দুইটি করে অজ্ঞাত লাশ!
প্রতিদিন দুইটি করে অজ্ঞাত লাশ!
কাল কি আমি?
এই শহর কি আমাদেরই ঢাকা?
এটাই কি বাংলাদেশ, নাকি কোনো যুদ্ধবিধ্বস্ত, রাষ্ট্রহীন জনপদের ভয়াবহ দৃশ্য?
প্রতিদিন ভোর হয়…
কিন্তু আলো আসে না।
আসে খবর—
আজও অজ্ঞাত লাশ,
আজও কোনো নাম নেই,
আজও কোনো বিচার নেই।
শুধু ২০২৫ সালেই রাজধানী ঢাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৬৪৩টি অজ্ঞাতপরিচয় লাশ।
গড়ে প্রতিদিন দু’জন মানুষ নামহীন, পরিচয়হীনভাবে মরে পড়ে থাকে রাস্তায়, নদীতে, ডাস্টবিনে।
মৃত্যুর কারণও নেই রাষ্ট্রের নথিতে।
৪৬১ জন রায়েরবাজারে,
১৭৫ জন জুরাইনে,
আর ভিন্ন ধর্মের সাতজন পোস্তগোলা শ্মশানে দাহ।
রাষ্ট্র শুধু একটাই কাজ জানে—
দ্রুত দাফন।
রাষ্ট্রের দায়িত্ব কি শুধু মাটি চাপা দেওয়া?
এই কি বিচার?
এটা কি সভ্য রাষ্ট্রের চিত্র?
নাকি যুদ্ধবিধ্বস্ত কোনো দেশ?
দখলদার ইউনুস অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই
মব সন্ত্রাস, খুন, হামলা, সংখ্যালঘু
নির্যাতন— সব যেন হঠাৎ করেই স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে গেছে। নদী হয়ে উঠেছে হত্যাকারীদের ডাম্পিং গ্রাউন্ড। আর রাষ্ট্র? রাষ্ট্র শুধু লাশ গুনছে। একটা সময় ছিল, যখন মানুষ রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারত। যখন মবের আতঙ্ক ছিল না, যখন সংখ্যালঘুদের ঘরে আগুন লাগত না। হ্যাঁ, সে সময়টা ছিল আওয়ামী লীগের সময়। ১৬ বছরে বাংলাদেশ দেখেছিল স্থিতিশীলতা। জান-মালের নিরাপত্তা ছিল রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার। আইনের শাসন ছিল। রাষ্ট্র ছিল দৃশ্যমান। আজ যারা অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছে, তারা শুধু চেয়ার আঁকড়ে আছে— কিন্তু মানুষের জান-মালের দায়িত্ব নেয়নি। মানুষ মরছে পরিচয়হীন লাশ হয়ে। এই লাশগুলো শুধু মৃত মানুষ না— এগুলো রাষ্ট্রের ব্যর্থতার প্রমাণ। বিচারহীনতার দলিল। মানবাধিকারের কবরফলক। আজ যদি আমরা প্রতিবাদ না করি, আগামীকাল হয়তো আমরাও কেবল একটি অজ্ঞাতপরিচয় সংখ্যা হয়ে যাব। আর কত লাশ লাগবে এই নৈরাজ্য থামাতে? আর কত নামহীন কবর আমাদের
ঘুম ভাঙাবে? দখলদার ইউনুসের এই নৈরাজ্যের প্রতিবাদ করুন। বিচারহীনতার বিরুদ্ধে দাঁড়ান। বাংলাদেশকে লাশের দেশে পরিণত হতে দেবেন না।
নির্যাতন— সব যেন হঠাৎ করেই স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে গেছে। নদী হয়ে উঠেছে হত্যাকারীদের ডাম্পিং গ্রাউন্ড। আর রাষ্ট্র? রাষ্ট্র শুধু লাশ গুনছে। একটা সময় ছিল, যখন মানুষ রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারত। যখন মবের আতঙ্ক ছিল না, যখন সংখ্যালঘুদের ঘরে আগুন লাগত না। হ্যাঁ, সে সময়টা ছিল আওয়ামী লীগের সময়। ১৬ বছরে বাংলাদেশ দেখেছিল স্থিতিশীলতা। জান-মালের নিরাপত্তা ছিল রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার। আইনের শাসন ছিল। রাষ্ট্র ছিল দৃশ্যমান। আজ যারা অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছে, তারা শুধু চেয়ার আঁকড়ে আছে— কিন্তু মানুষের জান-মালের দায়িত্ব নেয়নি। মানুষ মরছে পরিচয়হীন লাশ হয়ে। এই লাশগুলো শুধু মৃত মানুষ না— এগুলো রাষ্ট্রের ব্যর্থতার প্রমাণ। বিচারহীনতার দলিল। মানবাধিকারের কবরফলক। আজ যদি আমরা প্রতিবাদ না করি, আগামীকাল হয়তো আমরাও কেবল একটি অজ্ঞাতপরিচয় সংখ্যা হয়ে যাব। আর কত লাশ লাগবে এই নৈরাজ্য থামাতে? আর কত নামহীন কবর আমাদের
ঘুম ভাঙাবে? দখলদার ইউনুসের এই নৈরাজ্যের প্রতিবাদ করুন। বিচারহীনতার বিরুদ্ধে দাঁড়ান। বাংলাদেশকে লাশের দেশে পরিণত হতে দেবেন না।



