ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনুসের সংস্কারনামা : টাকা দিলেই ‘আওয়ামী’ বানিয়ে জেলে পাঠানো যায় এখন
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসীদের নির্বিচারে হামলা চলমান; হাত পা ভেঙে দিলেও ভুক্তভোগীর মামলা নেয়নি পুলিশ, পরিবার নিয়ে ফেসবুক লাইভে বাঁচার আকুতি
ক্যাঙ্গারু কোর্টের আরেকটা প্রহসনমূলক রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি
যে দেশে মৃত্যু সস্তা, জামিন অতি দুর্লভ : ইউনূসের দেড় বছর, কত পরিবার শেষ?
নির্বাচনে অস্ত্রই বিএনপির আসল ভাষা! নির্বাচনের আগেই সোনারগাঁয়ে অবৈধ অস্ত্র কেনা ও মজুতের আলোচনা ফাঁস।
টাকা নেই, ভবিষ্যৎ নেই, তবু বেতন বাড়বে দ্বিগুণ : ইউনুসের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার নগ্য প্রচেষ্টা
গত দেড় বছরে সংস্কারের গল্প বলে বলে দেশের ২০০ বিলিয়ন ডলার নাই করে দিয়েছে লোভী ও দুর্নীতিবাজ ইউনুস। দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ইউনুস ও তার সহযোগী বিএনপি-জামাত৷
সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার ফাঁসির রায়: ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলে প্রত্যাখ্যান আওয়ামী লীগের
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দেওয়া ফাঁসির রায়কে ‘প্রহসনমূলক’ ও ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। দলটি এই রায়কে ‘ক্যাঙ্গারু কোর্টের’ নজিরবিহীন ঘটনা বলে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
গতকাল সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দলের এই অবস্থানের কথা জানানো হয়।
বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে ‘অবৈধ ও অসাংবিধানিক’ দাবি করে বলা হয়, “সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী এবং অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার শাহ আলম মোহাম্মদ আক্তারুল ইসলামের বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় প্রদানের
ঘটনাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে। এই রায়ে ন্যায়বিচারের কোনো প্রতিফলন নেই; বরং এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ক্ষমতা দখলকারী গোষ্ঠীর নির্দেশিত বিচারিক জিঘাংসার বহিঃপ্রকাশ।” আওয়ামী লীগের দাবি, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে জননিরাপত্তা নিশ্চিতে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেই দায়িত্ব পালনকে ‘অপরাধ’ গণ্য করে দেওয়া এই রায়কে দলটি ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস’ হিসেবে অভিহিত করেছে। বিবৃতিতে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ‘অবৈধ ও ফ্যাসিস্ট’ আখ্যায়িত করে বলা হয়, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক নিধনযজ্ঞের হাতিয়ারে পরিণত করেছে। আসামিপক্ষকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে এবং আইন ও মানবাধিকারের তোয়াক্কা না করে এই রায় দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। ভবিষ্যৎ
হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বিবৃতিতে বলা হয়, “এই অবৈধ ট্রাইব্যুনালের কোনো রায়ই জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হলে এই ‘প্রহসনের রায়ের’ সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।” দলটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, বাংলাদেশে চলমান বিচারিক প্রক্রিয়ার নামে যা হচ্ছে, তা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। এ বিষয়ে বিশ্ববিবেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে আওয়ামী লীগ। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গতকাল এই তিন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করে।
ঘটনাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে। এই রায়ে ন্যায়বিচারের কোনো প্রতিফলন নেই; বরং এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ক্ষমতা দখলকারী গোষ্ঠীর নির্দেশিত বিচারিক জিঘাংসার বহিঃপ্রকাশ।” আওয়ামী লীগের দাবি, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে জননিরাপত্তা নিশ্চিতে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেই দায়িত্ব পালনকে ‘অপরাধ’ গণ্য করে দেওয়া এই রায়কে দলটি ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস’ হিসেবে অভিহিত করেছে। বিবৃতিতে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ‘অবৈধ ও ফ্যাসিস্ট’ আখ্যায়িত করে বলা হয়, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক নিধনযজ্ঞের হাতিয়ারে পরিণত করেছে। আসামিপক্ষকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে এবং আইন ও মানবাধিকারের তোয়াক্কা না করে এই রায় দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। ভবিষ্যৎ
হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বিবৃতিতে বলা হয়, “এই অবৈধ ট্রাইব্যুনালের কোনো রায়ই জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হলে এই ‘প্রহসনের রায়ের’ সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।” দলটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, বাংলাদেশে চলমান বিচারিক প্রক্রিয়ার নামে যা হচ্ছে, তা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। এ বিষয়ে বিশ্ববিবেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে আওয়ামী লীগ। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গতকাল এই তিন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করে।



