ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু, ব্রিটিশ সাংবাদিক ও বিবিসির ভয়েস অব ইন্ডিয়া খ্যাত স্যার মার্ক টালির মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শোক
হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে
নৌকা নেই, ভোট নেই’: ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ডাক আরাফাতের
ড: ইউনুস রাষ্ট্রকে ভিক্ষার পণ্যে পরিণত করা এক আন্তর্জাতিক দালাল
দাঙ্গা করে ক্ষমতায় বসা মানুষ ইউনুসের কাছে শিশুর জীবনের মূল্য কত?
ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামকে স্ত্রী-সন্তানের জানাজায় অংশ নিতে না দেওয়া ‘চরম অমানবিক’: আ.লীগের নিন্দা
বিকেএমইএ-এর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেছেন, গত এক বছরে ২০০ থেকে ২৫০ গার্মেন্টস বন্ধ হয়েছে
ভারত ও রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা কমানোর সিদ্ধান্ত, নতুন ৩টি স্পেশাল ফোর্সেস ইউনিট গঠন
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এবার প্রতিরক্ষা নীতি ও সামরিক কৌশলে বড় ধরনের সংস্কার আনছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ভারত ও রাশিয়ার ওপর দীর্ঘদিনের প্রশিক্ষণ নির্ভরতা কমিয়ে এখন থেকে ‘কেস-টু-কেস’ বা পরিস্থিতি ও প্রয়োজন সাপেক্ষে দেশ দুটিতে প্রশিক্ষণার্থী পাঠানোর নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে একটি পূর্ণাঙ্গ ব্রিগেডসহ নতুন তিনটি ‘স্পেশাল প্যারা কমান্ডো ইউনিট’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গত রোববার ও সোমবার (২৫ ও ২৬ জানুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসের মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত সেনাসদর ও ফরমেশন কমান্ডারদের দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ (এএফডি) থেকে নতুন ইউনিট গঠনের প্রস্তাবটি ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। সম্মেলনের অন্যতম আলোচ্য বিষয় ছিল ভারত ও রাশিয়ায় অফিসার ক্যাডেটদের প্রশিক্ষণে পাঠানোর বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা। ৫ আগস্টের আগে পর্যন্ত বাংলাদেশি সেনা কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য ভারত ও রাশিয়ার সামরিক একাডেমিগুলো ছিল অন্যতম প্রধান গন্তব্য। হাতে আসা নথিপত্র এবং সম্মেলন সূত্রে জানা গেছে এখন থেকে ভারত ও রাশিয়ায় অফিসার পাঠানোর বিষয়টি আর নিয়মিত বা স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ায় হবে না। বরং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, কৌশলগত গুরুত্ব এবং আর্থিক শর্তাবলি বিবেচনা করে প্রতিটি ঘটনা আলাদাভাবে (কেস-টু-কেস) বিচার করা হবে। এর ফলে দেশ দুটির সঙ্গে সামরিক যোগাযোগে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বিপরীতে পাকিস্তান, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মতো দেশগুলোতে প্রশিক্ষণের
পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে সম্মেলনে আলোচনা হয়েছে। সামরিক সূত্রগুলো বলছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সেনাবাহিনীর নেওয়া এটি অন্যতম সুনির্দিষ্ট ও বড় সিদ্ধান্ত। সেনাবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা বা লড়াকু শক্তি বাড়াতে একটি নতুন প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড এবং দুটি প্যারা কমান্ডো ব্যাটালিয়ন গঠনের প্রস্তাবনা নিয়ে সম্মেলনে আলোচনা হয়। সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের অক্টোবরে পরিকল্পনা দপ্তর থেকে এ প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হয় এবং নভেম্বরে তা সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে পাঠানো হয়। বর্তমানে এটি জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এই ইউনিটগুলোকে ‘স্থায়ী’ বা পার্মানেন্ট নেচার-এর ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া সম্মেলনে সেনাবাহিনীর মোট জনবল বা ‘ফিউচার স্ট্রেংথ’ নির্ধারণ এবং বিদ্যমান অ্যাডহক (অস্থায়ী)
ইউনিটগুলোকে স্থায়ী করার বিষয়েও নীতিনির্ধারণী আলোচনা হয়েছে। সেনাসদরের এই সম্মেলনে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ছাড়াও পিএসও লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান, ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট এবং অন্যান্য জ্যেষ্ঠ জেনারেলরা উপস্থিত ছিলেন। ফরমেশন কমান্ডাররা নিজ নিজ এলাকার কাজের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। সম্মেলন শেষ হওয়ার পর আজ মঙ্গলবার সেনাপ্রধানের রংপুরে অবস্থিত ৬৬ পদাতিক ডিভিশন পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে। তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ও চারজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল থাকবেন বলে জানা গেছে। এর আগে সম্মেলন উপলক্ষে সেনানিবাসে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স ডাইরেক্টরেট সম্মেলন স্থলের নজরদারি এবং মিলিটারি অপারেশন্স ডাইরেক্টরেট সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। সম্মেলনের অন্যতম আলোচ্য বিষয় ছিল ভারত ও রাশিয়ায় অফিসার ক্যাডেটদের প্রশিক্ষণে পাঠানোর বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা। ৫ আগস্টের আগে পর্যন্ত বাংলাদেশি সেনা কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য ভারত ও রাশিয়ার সামরিক একাডেমিগুলো ছিল অন্যতম প্রধান গন্তব্য। হাতে আসা নথিপত্র এবং সম্মেলন সূত্রে জানা গেছে এখন থেকে ভারত ও রাশিয়ায় অফিসার পাঠানোর বিষয়টি আর নিয়মিত বা স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ায় হবে না। বরং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, কৌশলগত গুরুত্ব এবং আর্থিক শর্তাবলি বিবেচনা করে প্রতিটি ঘটনা আলাদাভাবে (কেস-টু-কেস) বিচার করা হবে। এর ফলে দেশ দুটির সঙ্গে সামরিক যোগাযোগে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বিপরীতে পাকিস্তান, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মতো দেশগুলোতে প্রশিক্ষণের
পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে সম্মেলনে আলোচনা হয়েছে। সামরিক সূত্রগুলো বলছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সেনাবাহিনীর নেওয়া এটি অন্যতম সুনির্দিষ্ট ও বড় সিদ্ধান্ত। সেনাবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা বা লড়াকু শক্তি বাড়াতে একটি নতুন প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড এবং দুটি প্যারা কমান্ডো ব্যাটালিয়ন গঠনের প্রস্তাবনা নিয়ে সম্মেলনে আলোচনা হয়। সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের অক্টোবরে পরিকল্পনা দপ্তর থেকে এ প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হয় এবং নভেম্বরে তা সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে পাঠানো হয়। বর্তমানে এটি জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এই ইউনিটগুলোকে ‘স্থায়ী’ বা পার্মানেন্ট নেচার-এর ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া সম্মেলনে সেনাবাহিনীর মোট জনবল বা ‘ফিউচার স্ট্রেংথ’ নির্ধারণ এবং বিদ্যমান অ্যাডহক (অস্থায়ী)
ইউনিটগুলোকে স্থায়ী করার বিষয়েও নীতিনির্ধারণী আলোচনা হয়েছে। সেনাসদরের এই সম্মেলনে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ছাড়াও পিএসও লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান, ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট এবং অন্যান্য জ্যেষ্ঠ জেনারেলরা উপস্থিত ছিলেন। ফরমেশন কমান্ডাররা নিজ নিজ এলাকার কাজের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। সম্মেলন শেষ হওয়ার পর আজ মঙ্গলবার সেনাপ্রধানের রংপুরে অবস্থিত ৬৬ পদাতিক ডিভিশন পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে। তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ও চারজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল থাকবেন বলে জানা গেছে। এর আগে সম্মেলন উপলক্ষে সেনানিবাসে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স ডাইরেক্টরেট সম্মেলন স্থলের নজরদারি এবং মিলিটারি অপারেশন্স ডাইরেক্টরেট সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।



