দাঙ্গা করে ক্ষমতায় বসা মানুষ ইউনুসের কাছে শিশুর জীবনের মূল্য কত? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৫:৪৯ অপরাহ্ণ

দাঙ্গা করে ক্ষমতায় বসা মানুষ ইউনুসের কাছে শিশুর জীবনের মূল্য কত?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৫:৪৯ 9 ভিউ
মুহাম্মদ ইউনুস যখন বিদেশি টাকায় পোষা সন্ত্রাসীদের দিয়ে দেশে আগুন জ্বালিয়ে ক্ষমতায় বসেছেন, তখন থেকে এখন পর্যন্ত চারশো দশটা শিশু খুন হয়েছে এই দেশে। চারশো দশ। একটা নয়, দুটো নয়। প্রতিদিন গড়ে দুটো করে শিশুর মৃত্যু। কিন্তু এই মানুষটা, যিনি নিজেকে দেশের ত্রাণকর্তা বলে দাবি করেন, তার মুখ থেকে একবারও এই ভয়াবহতা নিয়ে কোনো কথা শোনা যায়নি। রাজনৈতিক হত্যা নিয়ে, মব জাস্টিস নিয়ে, কারাগারে মৃত্যু নিয়ে তার সরকার যত বড় বড় কথা বলে, ততটুকু উচ্চবাচ্যও নেই শিশুহত্যা নিয়ে। কারণটা পরিষ্কার। রাজনৈতিক হত্যা দিয়ে আগের সরকারকে দোষারোপ করা যায়, ভোট ব্যাংক তৈরি হয়। কিন্তু শিশুহত্যার দায় তো সমাজের, রাষ্ট্রযন্ত্রের, আইনশৃঙ্খলার। সেই

দায় নিতে গেলে তো নিজের অক্ষমতা স্বীকার করতে হয়। ইউনুস সাহেব বিদেশে গিয়ে মানবাধিকার নিয়ে বক্তৃতা দেন। নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে গরীবের বন্ধু সেজে ফটোসেশন করেন। কিন্তু যে দেশের শাসক হিসেবে তিনি বসে আছেন, সেখানে পাঁচ বছরের মুনতাহাকে তার গৃহশিক্ষক অপহরণ করে খুন করে ডোবায় ফেলে দিলো। ছোট্ট আছিয়াকে পরিবারের লোকজনই ধর্ষণ করে মেরে ফেলার চেষ্টা করলো। এসব ঘটনার পর কোথায় ছিলেন উপদেষ্টারা? কোথায় ছিল তাদের মানবিকতা? ইউনুসের তথাকথিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। পুলিশ বাহিনী মনোবল হারিয়েছে। বিচারব্যবস্থা পঙ্গু হয়ে আছে। আর সেই সুযোগে শিশুরা আরও বেশি অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। যে দেশে রাজনৈতিক হত্যা বছরে

একশ দুয়েকটা, সেখানে শিশুহত্যা পাঁচশ ছাড়িয়ে যায় কেন? কারণ শিশুরা ভোট দেয় না, রাজনীতি করে না, তাই তাদের মৃত্যু নিয়ে কারো মাথাব্যথা নেই। ইউনুস যে পদ্ধতিতে ক্ষমতায় এসেছেন, সেটা নিজেই একটা নৈরাজ্যের বার্তা। দাঙ্গা করে, রক্তপাত ঘটিয়ে, নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে যখন কেউ ক্ষমতায় বসে, তখন সেটা সমাজে কী বার্তা দেয়? বার্তা দেয় যে আইনের কোনো মূল্য নেই, বিচারের কোনো দরকার নেই, শক্তি আর সহিংসতাই শেষ কথা। আর সেই বার্তা সবচেয়ে বেশি কাজে লাগায় যারা শিশুদের ওপর অত্যাচার করে। কারণ তারা জানে, এই রাষ্টে বিচার হয় না। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য বলছে ২০২৪ সালে ৫৭৫টি শিশু খুন হয়েছে। এটা কোনো গৃহযুদ্ধের

পরিসংখ্যান নয়, এটা শান্তিকালীন বাংলাদেশের সংখ্যা। আর ২০২৫ সালে, ইউনুসের শাসনামলে, মাত্র জানুয়ারি মাস শেষ হতে না হতেই সেই সংখ্যা ৪১০ ছুঁয়ে গেছে। এই গতিতে চললে বছর শেষে কত হবে সেটা হিসাব করতেও ভয় লাগে। ইউনুস সাহেবের কাছে প্রশ্ন একটাই। আপনি যে নৈতিক উচ্চতা থেকে আগের সরকারকে দোষারোপ করেন, সেই নৈতিকতা কোথায় যখন প্রতিদিন দুটো করে শিশু মারা যাচ্ছে? আপনার উপদেষ্টারা কী করছেন? আপনার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোথায়? নাকি শিশুদের জীবনের কোনো দাম নেই কারণ তাদের দিয়ে আন্দোলন করানো যায় না, রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়া যায় না? যে মানুষ বিদেশি সাহায্যে, ইসলামি জঙ্গিদের লেলিয়ে দিয়ে, সেনাবাহিনীর মদদে একটা নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করেছেন, তার কাছে

শিশুদের জীবন রক্ষার আশা করাটাই বোকামি। কারণ যে মানুষ নিজেই সহিংসতার মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেন, তিনি সহিংসতা কীভাবে রোধ করবেন? যে ব্যবস্থা নিজেই অবৈধ, সেখান থেকে ন্যায়বিচারের আশা করা অলীক কল্পনা। দেশের শিশুরা আজ সবচেয়ে বেশি অনিরাপদ তাদের নিজেদের পরিবারে, প্রতিবেশীদের কাছে, স্কুলে, রাস্তায়। আর এই অনিরাপত্তার সবচেয়ে বড় কারণ হলো রাষ্ট্রের সম্পূর্ণ ব্যর্থতা। যে রাষ্ট্র নিজেই অবৈধভাবে চলছে, সেই রাষ্ট্র কীভাবে তার নাগরিকদের সুরক্ষা দেবে? ইউনুস এবং তার দল ক্ষমতায় টিকে আছে বিদেশি প্রভুদের আশীর্বাদে। দেশের মানুষের ভোট নয়, জনগণের সমর্থন নয়। আর এই কারণেই তাদের কাছে জনগণের কোনো জবাবদিহিতা নেই। শিশুরা মরুক আর বাঁচুক, তাতে তাদের কিছু যায় আসে না। কারণ

তাদের আসল কাজ তো দেশকে দুর্বল করা, সমাজকে ভাঙা, আইনশৃঙ্খলাকে ধ্বংস করা। আর সেই লক্ষ্যে তারা সফলও হচ্ছে। যে দেশে প্রতিবছর পাঁচশ ছয়শ শিশু খুন হয়, সেই দেশ কোনো সভ্য দেশ নয়। আর যে শাসক এই ভয়াবহতা দেখেও নীরব থাকে, সে কোনো নেতা নয়, অপরাধী।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জামায়াত নেতার অশ্লীল মন্তব্যের প্রতিবাদে কুশপুত্তলিকা দাহ শিবির নেতার ডাকসু বিজয়ের পেছনে নারী শিক্ষার্থীদের সমর্থনের ‘প্রতিদান’ এখন প্রশ্নবিদ্ধ ড: ইউনুস রাষ্ট্রকে ভিক্ষার পণ্যে পরিণত করা এক আন্তর্জাতিক দালাল দাঙ্গা করে ক্ষমতায় বসা মানুষ ইউনুসের কাছে শিশুর জীবনের মূল্য কত? Dehumanization Of Dissenters: Yunus playbook to murder family members of student wing of Awami League ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামকে স্ত্রী-সন্তানের জানাজায় অংশ নিতে না দেওয়া ‘চরম অমানবিক’: আ.লীগের নিন্দা খানকির পোলা তুই জানস না, না? মাগীর পোলা তোর পোলা-মাইয়া আছে না বিকেএমইএ-এর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেছেন, গত এক বছরে ২০০ থেকে ২৫০ গার্মেন্টস বন্ধ হয়েছে ‘দল হ্যারাই ভালো চালায়’—গ্যাস সংকটের ক্ষোভের মাঝেও আওয়ামী লীগসহ নির্বাচন চাইলেন চালক বন্ধ ৩২৭ কারখানা, কর্মহীন দেড় লক্ষাধিক শ্রমিক নৌকা থাকলে গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত : মির্জা ফখরুল ইউনুসের গণভোট প্রহসন : সংবিধান ও গণতন্ত্রের সাথে নগ্ন প্রতারণা কূটনৈতিক অবরোধের পথে বাংলাদেশ, বিশ্বাস হারাচ্ছে বিশ্ব, বিপদে পড়ছে বাংলাদেশ নৌকা বিহীন ব্যালট প্রবাসীর পায়ে হলো পদদলিত, এভাবেই মানুষ ভোট বর্জন করে অবৈধ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করবে বাগেরহাটে হৃদয়বিদারক ঘটনা: ফ্যানে ঝুলছিল মা, মেঝেতে পড়ে ছিল শিশুসন্তান যে রাষ্ট্রে পুলিশ আর র‍্যাব নিজেরাই সন্ত্রাসীদের হাতে আক্রান্ত হয় ইউনুসের দুর্নিবার লোভ, অদূরদর্শিতা ও অব্যবস্থাপনায় রমজানে শুরু হচ্ছে ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকট বাগেরহাট জেলার সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হাসান জুয়েলের প্রতি নিপীড়ক রাষ্ট্রযন্ত্রের চরম অমানবিক ও হৃদয়বিদারক আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ দখলদার শাসনের অধীনে চলমান সিরিয়াল কিলিংয়ের নগ্ন ও বিভৎস বহিঃপ্রকাশ অদক্ষতা, দ্বিচারিতা আর দায়হীনতায় বিপর্যস্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামকে স্ত্রী-সন্তানের জানাজায় অংশ নিতে না দেওয়া ‘চরম অমানবিক’: আ.লীগের নিন্দা