ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আমার মা বিক্ষোভকারীদের হত্যায় রাজি হলে এখনো ক্ষমতায় থাকতেন: সজীব ওয়াজেদ
জামায়াতকে ভোটে জেতানোর মার্কিন কূটচাল ফাঁস
বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ৫ দফা দিলেন শেখ হাসিনা
ইউনুসের দুর্নিবার লোভ ও অব্যবস্থাপনায় রমজানে শুরু হচ্ছে ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকট
নামসর্বস্ব নির্বাচনের নাটকে কোটিপতি ক্লাব: ইউনুসের অবৈধ শাসনের স্বরূপ
সীমান্তে অস্ত্রের ঝনঝনানি, ঢাকায় ইউনুসের নাকে তেল দিয়ে ঘুম!
জুলাইয়ের হত্যাযজ্ঞের ওপর দাঁড়িয়ে ইউনুসের সংস্কারের ফাঁপা বুলি
নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা: অতীতের প্রথা ভেঙে আগামীকাল সেনাসদরে যাচ্ছেন ড. ইউনূস
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচনের নিরাপত্তা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে আগামীকাল ২৬ জানুয়ারি (সোমবার) সেনাসদরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অতীতের প্রথা ভেঙে নির্বাচনের আগে দেশের প্রধান নির্বাহীর সেনাসদরে গিয়ে ফরমেশন কমান্ডারদের কাছ থেকে সরাসরি ব্রিফিং নেওয়ার এই ঘটনাকে ‘নজিরবিহীন’ ও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
নিরাপত্তা ব্রিফিং ও সেনা মোতায়েন
নর্থইস্ট নিউজের হাতে আসা সেনা সদরদপ্তরের একটি নথির বরাতে জানা গেছে, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের নেতৃত্বে ফরমেশন কমান্ডার এবং শীর্ষ জেনারেল অফিসার কমান্ডিংরা (জিওসি) প্রধান উপদেষ্টার সামনে দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরবেন। ভোটের আগে ও ভোটের দিন সেনাবাহিনী কীভাবে মাঠ পর্যায়ে কাজ করবে এবং কোন ইউনিটের
অবস্থান কোথায় থাকবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। সেনাবাহিনী ছাড়াও পুলিশ, আনসার, র্যাব এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কীভাবে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালন করবে, সেটিও এই পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রথা ভাঙার নজির সাধারণত দেশের প্রধান নির্বাহী বা সরকারপ্রধান সেনাসদরে যান মূলত সেনা পদোন্নতি পর্ষদের (প্রমোশন বোর্ড) বৈঠকে সভাপতিত্ব করতে। কিন্তু নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে সেনাসদরে গিয়ে জিওসিদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়া এবং ব্রিফিং গ্রহণ করাকে প্রতিরক্ষা সূত্রগুলো ‘অস্বাভাবিক’ ঘটনা হিসেবে দেখছে। জামায়াত প্রসঙ্গ ও মার্কিন সমীকরণ প্রতিবেদনটিতে নির্বাচনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং আন্তর্জাতিক মহলের ভূমিকা নিয়েও আলোকপাত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জামায়াতে ইসলামীর প্রতি নমনীয় বা আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে। সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত
পিটার হাস এবং শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জেকবসন বিভিন্ন সময়ে জামায়াত নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সম্প্রতি ফাঁস হওয়া একটি কথোপকথনেও মার্কিন কূটনীতিকদের জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে। জামায়াতের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ জরিপ অনুযায়ী, তারা ৭৬টি আসনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী এবং আরও ৮৫টি আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস নির্বাচনে জামায়াতের এই সম্ভাব্য উত্থানকে নেতিবাচকভাবে নাও দেখতে পারেন। এমনকি তিনি ক্ষমতায় নিজের মেয়াদ দীর্ঘায়িত করতে একটি বিতর্কিত গণভোটের (referendum) ফলাফলকেও কাজে লাগাতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীর অবস্থান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সহিংসতার শঙ্কা থাকলেও সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের নেতৃত্বাধীন সেনাবাহিনী একটি ‘অবাধ ও সুষ্ঠু’
নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে অবস্থান নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অতীতের নির্বাচনের সহিংস অভিজ্ঞতার কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণই এখন মূল চ্যালেঞ্জ।
অবস্থান কোথায় থাকবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। সেনাবাহিনী ছাড়াও পুলিশ, আনসার, র্যাব এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কীভাবে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালন করবে, সেটিও এই পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রথা ভাঙার নজির সাধারণত দেশের প্রধান নির্বাহী বা সরকারপ্রধান সেনাসদরে যান মূলত সেনা পদোন্নতি পর্ষদের (প্রমোশন বোর্ড) বৈঠকে সভাপতিত্ব করতে। কিন্তু নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে সেনাসদরে গিয়ে জিওসিদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়া এবং ব্রিফিং গ্রহণ করাকে প্রতিরক্ষা সূত্রগুলো ‘অস্বাভাবিক’ ঘটনা হিসেবে দেখছে। জামায়াত প্রসঙ্গ ও মার্কিন সমীকরণ প্রতিবেদনটিতে নির্বাচনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং আন্তর্জাতিক মহলের ভূমিকা নিয়েও আলোকপাত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জামায়াতে ইসলামীর প্রতি নমনীয় বা আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে। সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত
পিটার হাস এবং শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জেকবসন বিভিন্ন সময়ে জামায়াত নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সম্প্রতি ফাঁস হওয়া একটি কথোপকথনেও মার্কিন কূটনীতিকদের জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে। জামায়াতের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ জরিপ অনুযায়ী, তারা ৭৬টি আসনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী এবং আরও ৮৫টি আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস নির্বাচনে জামায়াতের এই সম্ভাব্য উত্থানকে নেতিবাচকভাবে নাও দেখতে পারেন। এমনকি তিনি ক্ষমতায় নিজের মেয়াদ দীর্ঘায়িত করতে একটি বিতর্কিত গণভোটের (referendum) ফলাফলকেও কাজে লাগাতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীর অবস্থান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সহিংসতার শঙ্কা থাকলেও সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের নেতৃত্বাধীন সেনাবাহিনী একটি ‘অবাধ ও সুষ্ঠু’
নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে অবস্থান নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অতীতের নির্বাচনের সহিংস অভিজ্ঞতার কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণই এখন মূল চ্যালেঞ্জ।



