কয়লা শেষ, গ্যাস নেই, এবার বিদ্যুৎও যাবে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৬:১৩ পূর্বাহ্ণ

আরও খবর

পাকিস্তানকে খুশি করতেই বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতির উপর আঘাত?

জুডিশিয়াল ইনকোয়ারি স্থগিত, বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন,জুলাই ২০২৪-এর সহিংসতা নিয়ে বিতর্ক চলছে

গঙ্গা জলচুক্তির মেয়াদ শেষ ২০২৬-এ: নবায়ন নিয়ে বিরোধিতার মধ্যেই ফারাক্কায় তথ্যানুসন্ধানে বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল

‘রং হার মানাবে গিরগিটিকেও’: ইসরাত আমিনের রাজনৈতিক ভোল পাল্টানো ও সুবিধাবাদের চাঞ্চল্যকর নজির

মিয়ানমারের ড্রোন হামলার অভিযোগ: সীমান্তে যুদ্ধের শঙ্কা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তায় ‘লাল সংকেত’

ঋণে ডুবে থাকা রাষ্ট্র: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থ অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ বন্ধকের রাজনীতি

নির্বাচনের নামে দখলদার ইউনুসের বানানো মেটিক্যুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে যা চলছে, তাকে এক কথায় বলা যায় সিট ভাগাভাগির নির্বাচন।

কয়লা শেষ, গ্যাস নেই, এবার বিদ্যুৎও যাবে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৬:১৩ 13 ভিউ
শীতকাল পুরোটা কাটলো গ্যাসের হাহাকারে। ষোলো বছর পর প্রথমবার এই দেশের মানুষ শীতে গ্যাস পায়নি রান্না করতে, গোসল করতে। সকালে উঠে চুলায় আগুন জ্বালানোর জন্য মানুষ লাইনে দাঁড়িয়েছে সিলিন্ডার কিনতে। আর এখন জানুয়ারি মাসেই যখন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে, তখন বুঝতে বাকি নেই যে সামনে গরমকালে কী অবস্থা হতে যাচ্ছে। আবহাওয়াবিদরা আগেই সতর্ক করেছেন স্মরণকালের ভয়াবহতম হিটওয়েভের কথা। আর সেই গরমে বিদ্যুৎ থাকবে না। এটাই ইউনুস সরকারের উপহার। বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটা ইউনিটের মধ্যে একটা বন্ধ আছে ২০২০ সাল থেকে। আরেকটা বন্ধ গত নভেম্বর থেকে। আর শেষ যে ইউনিটটা চলছিলো, সেটাও এখন বন্ধ। রোববার সকালে বয়লারের পুরো

টিউব ফেটে গেছে। প্রায় এক হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার বয়লার ঠান্ডা হতেই সময় লাগবে কয়েকদিন। তারপর মেরামত শুরু হবে। কবে শেষ হবে, কবে আবার চালু হবে, সেটা কেউ বলতে পারছে না। প্রধান প্রকৌশলী নিজেই বলেছেন, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে। দেশের অন্যতম প্রধান একটা বিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্পূর্ণ বন্ধ। এটা কোনো ছোটখাটো ব্যাপার নয়। এটা একটা জাতীয় বিপর্যয়। কিন্তু ইউনুস সরকারের কোনো মাথাব্যথা নেই। তারা ব্যস্ত আছে অন্য কাজে। রিজার্ভ লুটপাট করতে করতে শেষ করে ফেলেছে। এখন দেশের অবকাঠামো ভেঙে পড়ুক, বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাক, মানুষ কষ্ট পাক, সেসব নিয়ে তাদের কিছু যায় আসে না। প্রথম ইউনিটের ওভার হোলিং করার কথা।

কিন্তু সেটা হয়েছে কি? রক্ষণাবেক্ষণে কোনো নজর ছিলো কি? গত ত্রিশ ডিসেম্বর যখন ইউনিটটা প্রথম বন্ধ হয়, তখন মেরামত করে চালু করা হলো চৌদ্দ জানুয়ারি। মাত্র চারদিন চললো। তারপরই আবার বন্ধ। এটা কোন ধরনের মেরামত? এটা কোন ধরনের ব্যবস্থাপনা? তৃতীয় ইউনিটের জন্য চীন থেকে যন্ত্রাংশ আসার অপেক্ষা। প্রধান প্রকৌশলী বলছেন, মার্চে হয়তো আংশিক উৎপাদনে ফেরা যাবে। হয়তো। মানে নিশ্চিত কিছু নেই। আর দ্বিতীয় ইউনিট যেটা পাঁচ বছর ধরে বন্ধ, সেটা চালু করতে চীনা ঠিকাদাররা গড়িমসি করছে যন্ত্রাংশের দাম বৃদ্ধি নিয়ে। মানে কেন্দ্রটি কবে পুরোপুরি চালু হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এই অবস্থা কেন হলো? একটা দেশের প্রধান বিদ্যুৎ কেন্দ্র এভাবে ভেঙে পড়ে

কীভাবে? উত্তর সহজ। যারা ক্ষমতায় এসেছে জুলাই দাঙ্গা বাঁধিয়ে, বিদেশি টাকা আর ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের সহায়তায়, সামরিক বাহিনীর সমর্থনে একটা নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে, তারা দেশ চালাতে এসেছে না। তারা এসেছে দেশ লুটতে। রিজার্ভ লুট করেছে, সম্পদ লুট করেছে, এখন দেশের অবকাঠামো ধ্বংস করছে। শীতকালটা কাটলো গ্যাস ছাড়া। মানুষ কষ্ট পেয়েছে, কিন্তু তবু শীত সহ্য করা গেছে। কিন্তু এখন আসছে গরম। বাংলাদেশের গরম কেমন হয়, সেটা এই দেশের প্রতিটা মানুষ জানে। এপ্রিল, মে, জুন মাসে তাপমাত্রা চল্লিশ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যায়। আর্দ্রতা এত বেশি থাকে যে শরীর থেকে ঘাম ঝরতে থাকে। ঘরে বসে থাকা যায় না, বাইরে বেরোনো যায় না। একমাত্র ভরসা

ছিলো ফ্যান আর এয়ার কুলার। কিন্তু যদি বিদ্যুৎ না থাকে? আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এ বছরের গরম হবে স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ। হিটওয়েভ আসবে দীর্ঘ সময় ধরে। এরকম পরিস্থিতিতে যদি বিদ্যুৎ না থাকে, তাহলে মানুষের কী অবস্থা হবে? বাচ্চা, বুড়ো, অসুস্থ মানুষ, তারা কীভাবে বাঁচবে? হাসপাতালে যদি বিদ্যুৎ না থাকে, তাহলে চিকিৎসা হবে কীভাবে? দোকানপাট, অফিস, কারখানা, সব কিছু বন্ধ হয়ে যাবে। বড়পুকুরিয়া একমাত্র বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয় যেটা সমস্যায় পড়েছে। সারা দেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নাজুক। লোডশেডিং এখনই শুরু হয়ে গেছে অনেক জায়গায়। সরকার বলছে, চাহিদা কম তাই কিছু কেন্দ্র বন্ধ রাখা হচ্ছে। কিন্তু আসল সত্য হলো, জ্বালানি কিনতে টাকা নেই। রিজার্ভ শেষ। গ্যাসের দাম বেড়েছে,

তেলের দাম বেড়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ মেটানো যাচ্ছে না। তাই বন্ধ রাখা হচ্ছে কেন্দ্র। ইউনুস সাহেবের নোবেল পুরস্কার কিসের জন্য ছিলো, সেটা আমরা সবাই জানি। ক্ষুদ্র ঋণ। গরীব মানুষকে চড়া সুদে টাকা ধার দিয়ে তাদের জীবন আরো কঠিন করে তোলার জন্য নোবেল পেয়েছিলেন। এখন সেই একই কাজ করছেন পুরো দেশের সাথে। দেশকে ধ্বংস করে, মানুষকে কষ্টে ফেলে, জীবন অসহনীয় করে তুলে, তিনি কী পাচ্ছেন? কী তার লাভ? গরম পড়লে যখন বিদ্যুৎ থাকবে না, তখন মানুষ রাস্তায় নামবে। দাঙ্গা হবে। মানুষ মরবে। হাসপাতালে রোগী মরবে। শিশুরা অসুস্থ হবে। বৃদ্ধরা হিট স্ট্রোকে মারা যাবে। কৃষি ক্ষতিগ্রস্ত হবে কারণ সেচ দেওয়া যাবে না বিদ্যুৎ ছাড়া।

খাদ্য সংকট দেখা দেবে। অর্থনীতি পুরোপুরি ভেঙে পড়বে। কিন্তু ইউনুস সরকারের কিছু যায় আসে না। তারা তো ক্ষমতায় এসেছে দেশ চালাতে নয়, দেশ শেষ করতে। যারা বিদেশি প্রভুদের হুকুমে দেশ চালায়, তারা কি দেশের মানুষের কথা ভাবে? যারা জঙ্গিদের সহায়তায় ক্ষমতায় আসে, তারা কি শান্তি চায়? যারা সামরিক বাহিনীর সমর্থনে একটা নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে দেয়, তারা কি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে? শীতে গ্যাস নেই, গরমে বিদ্যুৎ নেই। এটাই ইউনুসের নোবেলের ম্যাজিক। দেশটাকে একদম তলানিতে নিয়ে যাওয়ার প্রজেক্ট চলছে। আর মানুষ বসে বসে দেখছে। কারণ কিছু বলতে গেলে জেলে যেতে হয়, মামলা খেতে হয়, গুম হতে হয়, মব লিঞ্চিং হতে হয়। তাই সবাই চুপ। বড়পুকুরিয়া বন্ধ এখন, কালকে আরো কেন্দ্র বন্ধ হবে। বিদ্যুৎ থাকবে না। ফ্যান চলবে না। লাইট জ্বলবে না। মানুষ ঘরে বসে রোস্ট হবে। আর ইউনুস সাহেব হয়তো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অফিসে বসে পরবর্তী কোন সম্পদ লুটের পরিকল্পনা করবেন। এই হলো আসল চিত্র। এই হলো স্বাধীন বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা। যেখানে একটা অবৈধ সরকার পুরো জাতিকে জিম্মি করে রেখেছে। আর জাতি অসহায় হয়ে দেখছে নিজেদের ধ্বংস হতে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ম্যানইউকে বিদায় বলছেন ক্যাসেমিরো এবার দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন অস্ট্রেলিয়ায় গোলাগুলিতে নিহত ৩, হামলাকারী পলাতক দুবাইয়ে তুষারপাতের ছবি শেয়ার করলেন ক্রাউন প্রিন্স মাঝ আকাশে বৃদ্ধার সঙ্গে কিয়ারার দুর্ব্যবহার পাকিস্তানকে খুশি করতেই বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতির উপর আঘাত? জুডিশিয়াল ইনকোয়ারি স্থগিত, বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন,জুলাই ২০২৪-এর সহিংসতা নিয়ে বিতর্ক চলছে Bangladesh crisis News Yunus regime Dhaka’s Turbulent Streets: The Root of the Chaos Sits in Jamuna কয়লা শেষ, গ্যাস নেই, এবার বিদ্যুৎও যাবে গঙ্গা জলচুক্তির মেয়াদ শেষ ২০২৬-এ: নবায়ন নিয়ে বিরোধিতার মধ্যেই ফারাক্কায় তথ্যানুসন্ধানে বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল ‘রং হার মানাবে গিরগিটিকেও’: ইসরাত আমিনের রাজনৈতিক ভোল পাল্টানো ও সুবিধাবাদের চাঞ্চল্যকর নজির মিয়ানমারের ড্রোন হামলার অভিযোগ: সীমান্তে যুদ্ধের শঙ্কা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তায় ‘লাল সংকেত’ ঋণে ডুবে থাকা রাষ্ট্র: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থ অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ বন্ধকের রাজনীতি নির্বাচনের নামে দখলদার ইউনুসের বানানো মেটিক্যুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে যা চলছে, তাকে এক কথায় বলা যায় সিট ভাগাভাগির নির্বাচন। রক্তের দামে কেনা ইউনুসের ক্ষমতার খতিয়ান ইউনুসনামা : ক্ষমতা দখলের পর থেকে ধ্বংসযজ্ঞের হিসাব রাজনীতির চোরাবালি: আদর্শের বিসর্জন ও এক ‘অরসেলাইন’ নির্বাচনের আখ্যান বিকাশে ভোট কেনা ও কেন্দ্র দখলের ‘নীল নকশা’: ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন জিম্মি করার ভয়ানক ছক জামায়াতের লিফলেট বিতরণ ও দেয়াললিখন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ জামায়াত কানেকশন ও দিল্লি সফর: সারাহ কুককে ফিরিয়ে দিল সাউথ ব্লক