ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জামায়াত কানেকশন ও দিল্লি সফর: সারাহ কুককে ফিরিয়ে দিল সাউথ ব্লক
‘নাজুক নিরাপত্তা’: ভারতের কড়া সিদ্ধান্ত—পশ্চিমারা কোন পথে হাঁটতে যাচ্ছে?
অভিযোগের পাহাড়, নীরব প্রশাসন স্বাস্থ্য খাতে জবাবদিহি কোথায়
জুলাইয়ের পর রান্নাঘরেও বিপ্লব, গ্যাস সংকটের আড়ালে সিন্ডিকেটের স্বর্গরাজ্য : আমদানি কমলো দেড় লাখ টন, চুলা নিভলো কোটি ঘরে
ডেভিল হান্টের নামে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক মব সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে
কাঁপছে ঢাকার মসনদ, কী বার্তা আসছে দিল্লি থেকে? দিল্লির প্রেস ক্লাবে বিশ্ব মিডিয়ার মুখোমুখি শেখ হাসিনা
বিদ্যুৎ খাতের নীরব সংকট, বকেয়া বিল ও বৈষম্যমূলক আচরণ বিনিয়োগ আস্থা ও সরবরাহ স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকিতে ফেলছে
শতাংশের অদ্ভুত সমীকরণ: তারেক রহমানের ‘ফ্লাইওভার তত্ত্বে’ হাসছে সাধারণ মানুষ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্প্রতি দেশের অবকাঠামগত উন্নয়ন, বিশেষ করে ঢাকার ফ্লাইওভার নির্মাণ নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এক অনুষ্ঠানে তিনি দাবি করেন, ঢাকার ফ্লাইওভারগুলো থেকে মাত্র ১৭ থেকে ২০ শতাংশ মানুষ সুবিধা পায়, আর বাকি বিশাল জনগোষ্ঠী এর সুফল থেকে বঞ্চিত। তার এই বক্তব্যকে ‘উন্নয়নবিমুখ’ ও ‘বাস্তবতা বিবর্জিত’ বলে আখ্যায়িত করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নগর পরিকল্পনাবিদরা।
তারেক রহমান তার বক্তব্যে বলেন, “কি পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হয়েছে আপনি চিন্তা করেন… ম্যাক্সিমাম ২০ শতাংশ মানুষ সেই ফ্লাইওভারের সুবিধা পাচ্ছে।” তার এই যুক্তিকে আধুনিক অর্থনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সমালোচকদের মতে, একটি
মেগাসিটির যোগাযোগ ব্যবস্থায় ফ্লাইওভার কেবল ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকদের জন্য নয়, বরং গণপরিবহন ও পণ্যবাহী যানের জন্যও অপরিহার্য। ফ্লাইওভারের ফলে নিচের সড়কের যানজট কমে, যার সুফল পরোক্ষভাবে সব শ্রেণীর মানুষই ভোগ করে। বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের এই বক্তব্য প্রমাণ করে যে, আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সুফল সম্পর্কে তার ধারণা স্বচ্ছ নয়। যোগাযোগ ব্যবস্থাকে কেবল ‘শতাংশ’ দিয়ে বিচার করা সংকীর্ণ মানসিকতার পরিচায়ক। কারণ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা কর্মঘণ্টা বাঁচায় এবং জিডিপিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে, যার সুফল দেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে পৌঁছায়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সরকারের দৃশ্যমান উন্নয়নকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে গিয়ে তারেক রহমান এমন সব যুক্তি তুলে ধরছেন যা সাধারণ মানুষের কাছেও হাস্যকর ঠেকছে।
পাবলিক রিসোর্স বা জনগণের অর্থের অপচয় হচ্ছে বলে তিনি যে দাবি তুলেছেন, তা মূলত দেশের চলমান অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দেওয়ার বা খাটো করে দেখার একটি রাজনৈতিক কৌশল মাত্র। নেটিজেনদের একাংশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্তব্য করছেন যে, বিশ্ব যখন দ্রুতগতির যোগাযোগ ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকছে, তখন দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার মুখে এমন ‘পশ্চাৎপদ’ চিন্তাধারা হতাশাজনক। তারা বলছেন, ফ্লাইওভারের বিরোধিতা করা মানে প্রকারান্তরে যানজট ও জনভোগান্তির পক্ষেই সাফাই গাওয়া।
মেগাসিটির যোগাযোগ ব্যবস্থায় ফ্লাইওভার কেবল ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকদের জন্য নয়, বরং গণপরিবহন ও পণ্যবাহী যানের জন্যও অপরিহার্য। ফ্লাইওভারের ফলে নিচের সড়কের যানজট কমে, যার সুফল পরোক্ষভাবে সব শ্রেণীর মানুষই ভোগ করে। বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের এই বক্তব্য প্রমাণ করে যে, আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সুফল সম্পর্কে তার ধারণা স্বচ্ছ নয়। যোগাযোগ ব্যবস্থাকে কেবল ‘শতাংশ’ দিয়ে বিচার করা সংকীর্ণ মানসিকতার পরিচায়ক। কারণ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা কর্মঘণ্টা বাঁচায় এবং জিডিপিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে, যার সুফল দেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে পৌঁছায়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সরকারের দৃশ্যমান উন্নয়নকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে গিয়ে তারেক রহমান এমন সব যুক্তি তুলে ধরছেন যা সাধারণ মানুষের কাছেও হাস্যকর ঠেকছে।
পাবলিক রিসোর্স বা জনগণের অর্থের অপচয় হচ্ছে বলে তিনি যে দাবি তুলেছেন, তা মূলত দেশের চলমান অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দেওয়ার বা খাটো করে দেখার একটি রাজনৈতিক কৌশল মাত্র। নেটিজেনদের একাংশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্তব্য করছেন যে, বিশ্ব যখন দ্রুতগতির যোগাযোগ ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকছে, তখন দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার মুখে এমন ‘পশ্চাৎপদ’ চিন্তাধারা হতাশাজনক। তারা বলছেন, ফ্লাইওভারের বিরোধিতা করা মানে প্রকারান্তরে যানজট ও জনভোগান্তির পক্ষেই সাফাই গাওয়া।



