ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে
অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা
‘নাই বাওয়া, হামার কিচ্ছু নাই, ঘর-বাড়ি সব হারাচি’
‘খালেদা জিয়া ১ টাকা রেখে পুরো বেতন এতিমখানায় দান করে দিতেন’, জানালেন প্রেস সচিব
আগস্টেই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে, জানালেন মন্ত্রী
শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই ক্ষমতায় ফিরবে আওয়ামী লীগ: হাসান মাহমুদ OHCHR প্রতিবেদনকে পক্ষপাতদুষ্ট’ আখ্যা
বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা হাসান মাহমুদ জোর দিয়ে বলেছেন, আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে সরকার গঠন করবে। শনিবার নয়াদিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়ের (OHCHR) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনকে “অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট” ও “একপেশে” বলে তীব্র সমালোচনা করেন।
২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর এটি ছিল দিল্লিতে আওয়ামী লীগ নেতাদের আয়োজিত প্রথম সংবাদ সম্মেলন। প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়ায় অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাসান মাহমুদ স্পষ্টভাবে বলেন, নির্বাসিত সরকার গঠনের কোনো পরিকল্পনা নেই। তাঁর ভাষায়, “আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে সরকার গঠন করব।”
নির্বাচন ‘সাজানো’ বলে অভিযোগ
হাসান মাহমুদ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি
২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে “একপক্ষীয় ও “পূর্বনির্ধারিত” বলে অভিহিত করেন। তাঁর অভিযোগ, আওয়ামী লীগের জনসমর্থন প্রায় ৬০ শতাংশ হলেও দলটিকে পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনের বাইরে রাখা হচ্ছে। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নয়।” OHCHR প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত OHCHR প্রতিবেদনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, সমর্থক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর সংঘটিত সহিংসতা উপেক্ষা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, আন্দোলনের সময় প্রায় ৩,০০০ পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন এবং একটি ঘটনায় একটি পুলিশ স্টেশনে আটক প্রায় ৪০ জন পুলিশ সদস্যকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। তিনি আরও বলেন, প্রতিবেদনে উল্লিখিত হতাহতের সংখ্যার নির্ভরযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ। কিছু হত্যাকাণ্ড স্নাইপারের গুলিতে
সংঘটিত হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, এ ধরনের অস্ত্র বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে নেই, যা বিদেশি বা শত্রু উপাদানের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দেয়। হাসান মাহমুদের অভিযোগ, সাধারণত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের পর এ ধরনের প্রতিবেদন তৈরি হলেও, এই ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ইউনূস সরকারের অনুরোধে প্রতিবেদনটি করা হয়েছে। তিনি বলেন, সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা না করে এবং সঠিক তথ্যসূত্র যাচাই না করেই এটি প্রকাশ করা হয়েছে। এমনকি ইউনূস প্রশাসনের গেজেটে নিহত বলে তালিকাভুক্ত কয়েকজন ব্যক্তিকে পরে জীবিত পাওয়া গেছে বলেও তিনি দাবি করেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, আগস্ট ২০২৪-এর পর শত শত সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সংবাদপত্রের অফিস
ও সাংস্কৃতিক সংগঠনে হামলা চালানো হয়েছে এবং প্রায় এক লাখ আওয়ামী লীগ কর্মী কারাবন্দি রয়েছেন। পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর পদ্ধতিগত হামলা ও হত্যার অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, গত দুই সপ্তাহে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্তত আটজন সদস্য নিহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক মহলে প্রতিবেদন জমার ঘোষণা হাসান মাহমুদ আন্তর্জাতিক অপরাধ গবেষণা ফাউন্ডেশনের আইনি দলের প্রধান গোলাম মারুফ মজুমদার নিঝুমের সঙ্গে যৌথভাবে জানান, আগস্ট ২০২৪-এর বিদ্রোহের পর সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের ওপর একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই প্রতিবেদন জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও কমনওয়েলথ সচিবালয়ে জমা দেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া বা স্বাধীন তদন্ত পরিচালনার আহ্বান
জানানো হবে। উল্লেখ্য, OHCHR-এর প্রতিবেদনটি ছাত্র-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ বিশ্লেষণ করে তৈরি করা হয়েছে। তবে ইউনূস-নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এখনো এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে “একপক্ষীয় ও “পূর্বনির্ধারিত” বলে অভিহিত করেন। তাঁর অভিযোগ, আওয়ামী লীগের জনসমর্থন প্রায় ৬০ শতাংশ হলেও দলটিকে পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনের বাইরে রাখা হচ্ছে। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নয়।” OHCHR প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত OHCHR প্রতিবেদনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, সমর্থক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর সংঘটিত সহিংসতা উপেক্ষা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, আন্দোলনের সময় প্রায় ৩,০০০ পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন এবং একটি ঘটনায় একটি পুলিশ স্টেশনে আটক প্রায় ৪০ জন পুলিশ সদস্যকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। তিনি আরও বলেন, প্রতিবেদনে উল্লিখিত হতাহতের সংখ্যার নির্ভরযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ। কিছু হত্যাকাণ্ড স্নাইপারের গুলিতে
সংঘটিত হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, এ ধরনের অস্ত্র বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে নেই, যা বিদেশি বা শত্রু উপাদানের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দেয়। হাসান মাহমুদের অভিযোগ, সাধারণত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের পর এ ধরনের প্রতিবেদন তৈরি হলেও, এই ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ইউনূস সরকারের অনুরোধে প্রতিবেদনটি করা হয়েছে। তিনি বলেন, সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা না করে এবং সঠিক তথ্যসূত্র যাচাই না করেই এটি প্রকাশ করা হয়েছে। এমনকি ইউনূস প্রশাসনের গেজেটে নিহত বলে তালিকাভুক্ত কয়েকজন ব্যক্তিকে পরে জীবিত পাওয়া গেছে বলেও তিনি দাবি করেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, আগস্ট ২০২৪-এর পর শত শত সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সংবাদপত্রের অফিস
ও সাংস্কৃতিক সংগঠনে হামলা চালানো হয়েছে এবং প্রায় এক লাখ আওয়ামী লীগ কর্মী কারাবন্দি রয়েছেন। পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর পদ্ধতিগত হামলা ও হত্যার অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, গত দুই সপ্তাহে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্তত আটজন সদস্য নিহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক মহলে প্রতিবেদন জমার ঘোষণা হাসান মাহমুদ আন্তর্জাতিক অপরাধ গবেষণা ফাউন্ডেশনের আইনি দলের প্রধান গোলাম মারুফ মজুমদার নিঝুমের সঙ্গে যৌথভাবে জানান, আগস্ট ২০২৪-এর বিদ্রোহের পর সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের ওপর একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই প্রতিবেদন জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও কমনওয়েলথ সচিবালয়ে জমা দেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া বা স্বাধীন তদন্ত পরিচালনার আহ্বান
জানানো হবে। উল্লেখ্য, OHCHR-এর প্রতিবেদনটি ছাত্র-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ বিশ্লেষণ করে তৈরি করা হয়েছে। তবে ইউনূস-নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এখনো এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।



