ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
*নির্বাচনী চাপে দায়িত্ব পালনের ফলে চিকিৎসার সুযোগ না পেয়ে মৃত্যু: ইউএনও ফেরদৌস আরার মৃত্যু ঘিরে গুরুতর প্রশ্ন
চবি ল্যাবরেটরি কলেজে উপেক্ষিত যোগ্যতা, প্রশ্নের মুখে নিয়োগ বোর্ড লবিংয়ের কাছে হার মানল যোগ্যতা চবি ল্যাবরেটরি কলেজে নিয়োগবঞ্চিত উচ্চশিক্ষিত প্রার্থী
আত্মশুদ্ধি, মানবপ্রেম ও ঐতিহ্যের মহামিলন
রাজধানীতে আজ কোথায় কী
বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ
কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই, ৫ পুলিশ হাসপাতালে
সাংবাদিকতার আড়ালে রাজনীতি: অলিউল্লাহ নোমানকে ঘিরে অভিযোগের বিস্তৃত চিত্র
সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত একটি নাম অলিউল্লাহ নোমান। একসময় সাংবাদিক পরিচয়ে পরিচিত এই ব্যক্তি হঠাৎ করেই হবিগঞ্জ–৪ আসন থেকে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা দেওয়ার পর তার অতীত ভূমিকা ও কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, অলিউল্লাহ নোমানের পূর্ণ নাম আবু সাঈদ মোহাম্মদ অলিউল্লাহ নোমান। তার জন্ম হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ইটাখোলা গ্রামে। স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণের পর তিনি ঢাকার আলিয়া মাদ্রাসা থেকে পড়াশোনা শেষ করেন এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগে অধ্যয়ন করেন বলে জানা যায়।
তবে বিভিন্ন জায়গায় তিনি নিজেকে ইটাখোলা ফাজিল মাদ্রাসা থেকে আলিম, ফাজিল ও কামিল ডিগ্রিধারী এবং একই সঙ্গে বৃন্দাবন সরকারি কলেজ থেকে বিএসএস
ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএসএস সম্পন্ন করেছেন বলে দাবি করে থাকেন। তার এই শিক্ষাগত দাবিগুলো নিয়ে একাধিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। নোমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, জামায়াতের শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী হিসেবে দণ্ডপ্রাপ্ত কাদের মোল্লাকে কেন্দ্র করে একটি বিতর্কিত সম্পাদকীয় লেখার পেছনে তিনি মূল ভূমিকা পালন করেন। পাশাপাশি স্কাইপ কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত খবর প্রকাশের পর তিনি দেশ ত্যাগ করেন বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে। যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালে তাকে সেখানে থাকা কিছু মানবাধিকার সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের পৃষ্ঠপোষকতা পেতে দেখা যায় বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে তুরস্কে অবস্থানরত আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে নোমানের নাম উঠে আসে। অভিযোগ রয়েছে, তুরস্কে অবস্থানকালেই তিনি ছাত্রশিবির ও জামায়াত
সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্কের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশবিরোধী অপতৎপরতায় অংশ নেন। সমালোচকদের মতে, সাংবাদিকতার পরিচয়কে ব্যবহার করে তিনি মূলত একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছিলেন। জুলাই মাসের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মাহমুদুর রহমানের সঙ্গে ইস্তাম্বুল থেকে ঢাকায় ফেরেন অলিউল্লাহ নোমান। দেশে ফিরে তিনি তার পুরোনো রাজনৈতিক সহচরদের সঙ্গে পুনরায় সক্রিয় হন বলে অভিযোগ রয়েছে। এই তালিকায় তথাকথিত বুদ্ধিজীবী হিসেবে পরিচিত ফরহাদ মযহারের নামও আলোচনায় এসেছে। আমার দেশ পত্রিকা পুনরায় চালু হওয়ার পর থেকে একের পর এক বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে সমালোচকরা অভিযোগ করছেন। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর একটি হলো, বিসিএস উত্তীর্ণ নবীন কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক পরিচয়ের তালিকা তৈরি
করে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে চাপ প্রয়োগ করে চাকরিচ্যুত করার চেষ্টা চালানো হয়। এতে বহু মেধাবী কর্মকর্তা ও তাদের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সমালোচকদের দাবি, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রশাসনে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠীর লোকজনকে বসানোর চেষ্টা করা হয়েছে। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার পত্রিকায় অগ্নিসংযোগের ঘটনায়ও নোমানের ভূমিকা ছিল বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। একই রাতে আমার দেশ পত্রিকার বিপুল সংখ্যক কপি ছাপানোর নির্দেশ দেওয়াকে অনেকেই সন্দেহের চোখে দেখছেন। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো নিরপেক্ষ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি। সব জল্পনার অবসান ঘটে যখন অলিউল্লাহ নোমান নিজেকে হবিগঞ্জ–৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে
ঘোষণা দেন। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার আড়ালে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগের পর তার এই ঘোষণা জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএসএস সম্পন্ন করেছেন বলে দাবি করে থাকেন। তার এই শিক্ষাগত দাবিগুলো নিয়ে একাধিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। নোমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, জামায়াতের শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী হিসেবে দণ্ডপ্রাপ্ত কাদের মোল্লাকে কেন্দ্র করে একটি বিতর্কিত সম্পাদকীয় লেখার পেছনে তিনি মূল ভূমিকা পালন করেন। পাশাপাশি স্কাইপ কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত খবর প্রকাশের পর তিনি দেশ ত্যাগ করেন বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে। যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালে তাকে সেখানে থাকা কিছু মানবাধিকার সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের পৃষ্ঠপোষকতা পেতে দেখা যায় বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে তুরস্কে অবস্থানরত আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে নোমানের নাম উঠে আসে। অভিযোগ রয়েছে, তুরস্কে অবস্থানকালেই তিনি ছাত্রশিবির ও জামায়াত
সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্কের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশবিরোধী অপতৎপরতায় অংশ নেন। সমালোচকদের মতে, সাংবাদিকতার পরিচয়কে ব্যবহার করে তিনি মূলত একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছিলেন। জুলাই মাসের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মাহমুদুর রহমানের সঙ্গে ইস্তাম্বুল থেকে ঢাকায় ফেরেন অলিউল্লাহ নোমান। দেশে ফিরে তিনি তার পুরোনো রাজনৈতিক সহচরদের সঙ্গে পুনরায় সক্রিয় হন বলে অভিযোগ রয়েছে। এই তালিকায় তথাকথিত বুদ্ধিজীবী হিসেবে পরিচিত ফরহাদ মযহারের নামও আলোচনায় এসেছে। আমার দেশ পত্রিকা পুনরায় চালু হওয়ার পর থেকে একের পর এক বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে সমালোচকরা অভিযোগ করছেন। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর একটি হলো, বিসিএস উত্তীর্ণ নবীন কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক পরিচয়ের তালিকা তৈরি
করে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে চাপ প্রয়োগ করে চাকরিচ্যুত করার চেষ্টা চালানো হয়। এতে বহু মেধাবী কর্মকর্তা ও তাদের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সমালোচকদের দাবি, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রশাসনে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠীর লোকজনকে বসানোর চেষ্টা করা হয়েছে। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার পত্রিকায় অগ্নিসংযোগের ঘটনায়ও নোমানের ভূমিকা ছিল বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। একই রাতে আমার দেশ পত্রিকার বিপুল সংখ্যক কপি ছাপানোর নির্দেশ দেওয়াকে অনেকেই সন্দেহের চোখে দেখছেন। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো নিরপেক্ষ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি। সব জল্পনার অবসান ঘটে যখন অলিউল্লাহ নোমান নিজেকে হবিগঞ্জ–৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে
ঘোষণা দেন। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার আড়ালে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগের পর তার এই ঘোষণা জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।



