বিশ্বের প্রধান ঝুঁকি ভূ-অর্থনৈতিক সংঘাত – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৬:০২ পূর্বাহ্ণ

বিশ্বের প্রধান ঝুঁকি ভূ-অর্থনৈতিক সংঘাত

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৬:০২ 8 ভিউ
নতুন প্রতিযোগিতামূলক বৈশ্বিক ব্যবস্থায় প্রবেশের প্রেক্ষাপটে ভূ-অর্থনৈতিক সংঘাত ২০২৬ সালের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এর পরের চারটি ঝুঁকি হলো– রাষ্ট্রভিত্তিক সংঘাত, চরম আবহাওয়া, সামাজিক মেরূকরণ এবং ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য। গতকাল ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) প্রকাশিত গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৬ স্বল্প মেয়াদে এসব ঝুঁকির কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে। যার ফলে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা আরও ঝুঁকির মুখে পড়ছে। স্বল্প মেয়াদে অর্থনৈতিক ঝুঁকিই সবচেয়ে দ্রুত বেড়েছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি উভয়ই ওপরে উঠে এসেছে। অন্যদিকে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে উদ্বেগ তীব্রভাবে বেড়েছে। স্বল্প মেয়াদে পরিবেশগত ঝুঁকির অবস্থান কিছুটা কমেছে। বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে নেতৃবৃন্দ ও

বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টিভঙ্গি ক্রমেই হতাশাব্যঞ্জক হয়ে উঠছে। জরিপে অংশ নেওয়া অর্ধেক বিশেষজ্ঞ আগামী দুই বছরকে অস্থির সময় হিসেবে দেখছেন, যা গত বছরের তুলনায় ১৪ শতাংশ পয়েন্ট বেশি। আরও ৪০ শতাংশ মনে করছেন, পরিস্থিতি অন্তত অস্বস্তিকর থাকবে। মাত্র ৯ শতাংশ স্থিতিশীলতা এবং ১ শতাংশ ‘শান্ত’ পরিস্থিতির প্রত্যাশা করছেন। আগামী ১০ বছরের পূর্বাভাস আরও উদ্বেগজনক। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫৭ শতাংশ উত্তরদাতা দীর্ঘ মেয়াদে বিশ্ব পরিস্থিতিকে অস্থির বা ঝোড়ো মনে করছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূ-অর্থনৈতিক সংঘাত সরবরাহ শৃঙ্খল, বৈশ্বিক বাণিজ্য এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠছে। ২০২৬ সালে এই ঝুঁকিকে বৈশ্বিক সংকট সৃষ্টির সবচেয়ে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখছেন ১৮ শতাংশ উত্তরদাতা। ওয়ার্ল্ড

ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও বর্গে ব্রেন্ডে বলেন, ‘প্রধান শক্তিগুলো যখন নিজেদের প্রভাবক্ষেত্র নিশ্চিত করতে চাইছে, তখন একটি নতুন প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থা গড়ে উঠছে। এই পরিবর্তনশীল বাস্তবতায় সহযোগিতা আগের মতো না থাকলেও সহযোগিতামূলক দৃষ্টিভঙ্গি ও সংলাপের মনোভাব এখনও অত্যাবশ্যক। দাভোসে আমাদের বার্ষিক সভা ঝুঁকি ও সুযোগ বোঝার এবং সেগুলো মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সেতুবন্ধন তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হবে।’ প্রতিবেদনটি তিনটি সময়সীমায় ঝুঁকি বিশ্লেষণ করেছে। এগুলো হলো– তাৎক্ষণিক (২০২৬), স্বল্প থেকে মধ্য মেয়াদ (আগামী দুই বছর) এবং দীর্ঘ মেয়াদ (আগামী ১০ বছর)। ভূ-অর্থনৈতিক বিরোধ স্বল্প মেয়াদেও প্রথম স্থানে রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এটি আট ধাপ ওপরে এসেছে। রাষ্ট্রভিত্তিক সশস্ত্র সংঘাত ২০২৬ সালে দ্বিতীয় স্থানে

থাকলেও, দুই বছরের সময়ে এটি নেমে পঞ্চম স্থানে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিকট ভবিষ্যতে সশস্ত্র সংঘাত, অর্থনৈতিক অস্ত্রায়ন এবং সামাজিক বিভাজন একসঙ্গে তীব্র হচ্ছে। এসব তাৎক্ষণিক ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি ও পরিবেশগত অবনতি থেকে দীর্ঘমেয়াদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও তৈরি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ঝলমলে চুল পেতে জাপানিরা যেভাবে যত্ন নেন ট্রাম্পকে নোবেল পুরস্কারের মেডেল ‘উপহার’ দিলেন মাচাদো নোবেল পুরস্কার ‘হস্তান্তরযোগ্য নয়’, বলল নোবেল পিস সেন্টার আধিপত্য নিয়ে তালেবানের শীর্ষ পর্যায়ের কোন্দল প্রকাশ্যে সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে পারবে কিনা- সন্দেহ দেবপ্রিয়র পোস্টাল ভোটে অনিয়ম করলে প্রবাসীদের দেশে ফেরত আনার হুঁশিয়ারি ইসির বাংলাদেশে সহিংসতা বাড়ছে, রাজনীতিতে উপেক্ষিত নারী বাংলাদেশের প্রধান ঝুঁকি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বিশ্বের প্রধান ঝুঁকি ভূ-অর্থনৈতিক সংঘাত স্থগিত হয়ে যেতে পারে বিপিএল আত্মশুদ্ধি, মানবপ্রেম ও ঐতিহ্যের মহামিলন *নির্বাচনী চাপে দায়িত্ব পালনের ফলে চিকিৎসার সুযোগ না পেয়ে মৃত্যু: ইউএনও ফেরদৌস আরার মৃত্যু ঘিরে গুরুতর প্রশ্ন *ডলার সংকটে গ্যাস আমদানি অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে* *বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর মার্কিন স্যাংশন,কূটনৈতিক ব্যর্থতা, আন্তর্জাতিকভাবে কোণঠাসা* ❝পোস্টাল ব্যালট ও ট্রান্সফার করা ভোটব্যাংক হলো জামাত এনসিপি জোটের ডামি নির্বাচনের সুপরিকল্পিত কৌশল❞ পাকিস্তানের ইশারায় ক্রিকেট ধ্বংস, ইউনুস সরকারের ব্যর্থতা আর আসিফ নজরুলের নীরবতা—বাংলাদেশের ক্রিকেট আজ নেতৃত্বহীন লাশ শিবির ক্যাডারদের হাতে কারাগার, কারাগারে আটকে আওয়ামী লীগের উপর চলছে পরিকল্পিত গণহত্যা জাতিসংঘের প্রতিবেদনে স্বীকৃত সত্য : দক্ষিণ এশিয়ায় মূল্যস্ফীতির শিরোমণি বাংলাদেশ এখন রাজাকারের সাথে কে যোগ দিছে? বলেন আপনারা দেশের মানুষ” – জনতার কথা যারা মেধার কথা বলে রাজপথ জ্বালিয়েছিল, তারাই আজ কোটা খেয়ে সরকারি অফিসে— কোটা আন্দোলনের মুখোশে ক্ষমতার সিঁড়ি, সাধারণ ছাত্রদের ভাগ্যে শুধু ধোঁকা!