ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, বন্দরের কাজের স্বার্থে গেজেটভুজ বিপ্লবী নয়জন জুলাই যোদ্ধাকে কোটায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যারা একসময় “মেধার দাবিতে” রাজপথ দখল করেছিল, জুলাই আন্দোলনের নামে দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা ভেঙে দিয়েছিল, সেই একই ব্যক্তিরাই আজ রাষ্ট্রের অফিসে বসে সুবিধাভোগী। একদিকে তারা মেধার গ্লানি, কোটা-বিরোধী আবেগ এবং যুবসমাজের আশা নস্যাৎ করেছে, অন্যদিকে আজ রাষ্ট্র তাদেরকে পুরস্কৃত করছে। এই দ্বৈত চরিত্র এবং অন্ধ অনুগত্য রাষ্ট্রীয় অমর্যাদার নগ্ন চিত্র।
এই নিয়োগ কোনো যোগ্যতার স্বীকৃতি নয়। এটি একটি রাজনৈতিক চাল, যেখানে আইন, নীতি ও ন্যায়ের জায়গায় বসেছে ব্যক্তিগত স্বার্থ। জুলাই আন্দোলনকালে যারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি সম্পদ এবং সাধারণ মানুষের শান্তি নষ্ট
করেছে, তারা আজ রাষ্ট্রের কোটা-সুবিধায় বসে। এর থেকে বড় বার্তা আর কিছু হতে পারে না: দেশে মেধা নয়, আনুগত্যই পুরস্কারের যোগ্যতা। যুবসমাজের কাছে এটি এক বিশাল ধাক্কা। যারা সততা, অধ্যবসায় এবং ন্যায়ের ভিত্তিতে ভবিষ্যত গড়ার স্বপ্ন দেখেছে, তারা এখন দেখছে অন্যায়ই রাষ্ট্রীয় পুরস্কারের পথ। আইন ও ন্যায় যদি শুধুমাত্র ক্ষমতার অনুগতদের জন্য কাজ করে, তবে মেধা ও যোগ্যতার মূল্য কখনোই নিশ্চিত নয়।
করেছে, তারা আজ রাষ্ট্রের কোটা-সুবিধায় বসে। এর থেকে বড় বার্তা আর কিছু হতে পারে না: দেশে মেধা নয়, আনুগত্যই পুরস্কারের যোগ্যতা। যুবসমাজের কাছে এটি এক বিশাল ধাক্কা। যারা সততা, অধ্যবসায় এবং ন্যায়ের ভিত্তিতে ভবিষ্যত গড়ার স্বপ্ন দেখেছে, তারা এখন দেখছে অন্যায়ই রাষ্ট্রীয় পুরস্কারের পথ। আইন ও ন্যায় যদি শুধুমাত্র ক্ষমতার অনুগতদের জন্য কাজ করে, তবে মেধা ও যোগ্যতার মূল্য কখনোই নিশ্চিত নয়।



