ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
স্বর্ণের দাম আরও কমলো
ধর্মঘট প্রত্যাহারের পর সিলিন্ডারের দাম কত চান ব্যবসায়ীরা?
বৃহস্পতিবার থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা
বাড়ল এলপি গ্যাসের দাম, ১২ কেজির সিলিন্ডার ১৩০৬ টাকা
একদিনের ব্যবধানে স্বর্ণের ভরিতে বাড়লো ২ হাজার ৯১৬ টাকা
নতুন বছরের শুরুতেই চাঙ্গা স্বর্ণ-রুপা, ফের বাড়ল দাম
মুনাফার হার আরও কমলো, কোন সঞ্চয়পত্রে কত
ভারতসহ ৭ দেশ থেকে ২৪ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি তেল আসছে
ভারতসহ সাত দেশ থেকে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে জ্বালানি তেল আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
বৈঠকে জিটুজি চুক্তির আওতায় চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন সময়ের জন্য বিভিন্ন দেশের সাত প্রতিষ্ঠান থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৮২৬ কোটি টাকা।
এ তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারতের ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড, চীনের পেট্রোচায়না ও ইউনিপেক, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইএনওসি, থাইল্যান্ডের ওকিউটি, মালয়েশিয়ার পিটিএলসিএল এবং
ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি । এ ছাড়া বৈঠকে ৭ লাখ টন মারবান গ্রেডের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি থেকে আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৫৪২ কোটি টাকা। একই সঙ্গে সৌদি আরামকো থেকে ৮ লাখ টন অ্যারাবিয়ান লাইট গ্রেডের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে ব্যয় হবে ৬ হাজার ৩২০ কোটি টাকা। পাশাপাশি ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। চার প্রস্তাবই বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজসম্পদ
বিভাগ থেকে উপস্থাপন করা হয়। বৈঠকে অন্যান্য প্রস্তাবের মধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল আমদানির একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। থাইল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান প্রাইম কর্প ওয়ার্ল্ড কোম্পানি এ তেল সরবরাহ করবে। প্রতি লিটার তেল ১৩১ টাকা ৪৭ পয়সা দরে স্থানীয় মুদ্রায় ব্যয় হবে ১৭৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। আসন্ন রোজায় ভোজ্যতেলের বাজার নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে এ তেল আমদানি করা হচ্ছে। স্থানীয় উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ১০ হাজার টন মসুর ডাল আমদানির একটি প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটি সরবরাহ করবে পায়েল অটোম্যাটিক ফুড প্রসেসিং মিলস। এতে প্রতি কেজি ডাল ৭১ টাকা ৮ পয়সা দরে ব্যয় হবে ৭১ কোটি
৮৭ লাখ টাকা। রাষ্ট্রীয় বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে এ তেল ও ডাল বিক্রি করা হবে। বৈঠকে সৌদি আরবের সাবিক অ্যাগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ১৫তম লটে ৪০ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে প্রতি টন ৩৯০ ডলার দরে বাংলাদেশি মুদ্রায় ব্যয় হবে প্রায় ১৯১ কোটি টাকা। এছাড়া বৈঠকে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে ১৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ের একটি পূর্তকাজের প্যাকেজ এবং আরেকটি প্রকল্পের ৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ব্যয়ের পূর্তকাজ সম্পাদনে ঠিকাদার নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি । এ ছাড়া বৈঠকে ৭ লাখ টন মারবান গ্রেডের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি থেকে আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৫৪২ কোটি টাকা। একই সঙ্গে সৌদি আরামকো থেকে ৮ লাখ টন অ্যারাবিয়ান লাইট গ্রেডের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে ব্যয় হবে ৬ হাজার ৩২০ কোটি টাকা। পাশাপাশি ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। চার প্রস্তাবই বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজসম্পদ
বিভাগ থেকে উপস্থাপন করা হয়। বৈঠকে অন্যান্য প্রস্তাবের মধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল আমদানির একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। থাইল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান প্রাইম কর্প ওয়ার্ল্ড কোম্পানি এ তেল সরবরাহ করবে। প্রতি লিটার তেল ১৩১ টাকা ৪৭ পয়সা দরে স্থানীয় মুদ্রায় ব্যয় হবে ১৭৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। আসন্ন রোজায় ভোজ্যতেলের বাজার নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে এ তেল আমদানি করা হচ্ছে। স্থানীয় উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ১০ হাজার টন মসুর ডাল আমদানির একটি প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটি সরবরাহ করবে পায়েল অটোম্যাটিক ফুড প্রসেসিং মিলস। এতে প্রতি কেজি ডাল ৭১ টাকা ৮ পয়সা দরে ব্যয় হবে ৭১ কোটি
৮৭ লাখ টাকা। রাষ্ট্রীয় বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে এ তেল ও ডাল বিক্রি করা হবে। বৈঠকে সৌদি আরবের সাবিক অ্যাগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ১৫তম লটে ৪০ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে প্রতি টন ৩৯০ ডলার দরে বাংলাদেশি মুদ্রায় ব্যয় হবে প্রায় ১৯১ কোটি টাকা। এছাড়া বৈঠকে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে ১৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ের একটি পূর্তকাজের প্যাকেজ এবং আরেকটি প্রকল্পের ৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ব্যয়ের পূর্তকাজ সম্পাদনে ঠিকাদার নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।



