চাগোস দ্বীপ নিয়ে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা: স্টারমারকে হুঁশিয়ারি, সামরিক ঘাঁটি নিয়ে উদ্বেগ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চাগোস দ্বীপ নিয়ে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা: স্টারমারকে হুঁশিয়ারি, সামরিক ঘাঁটি নিয়ে উদ্বেগ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার-কে সতর্ক করে বলেছেন, চাগোস দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে যুক্তরাজ্যের সিদ্ধান্ত ভুল হতে পারে। তার মতে, দ্বীপগুলোর সার্বভৌমত্ব ছেড়ে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাজ্য চাগোস দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব মরিশাস-এর কাছে হস্তান্তর করবে। তবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ডিয়েগো গার্সিয়া ৯৯ বছরের জন্য লিজে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। চুক্তির উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক আইনি বিতর্ক মিটিয়ে ঘাঁটির ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা। ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, যুক্তরাজ্য যেন ডিয়েগো গার্সিয়া ছেড়ে না দেয়। তিনি বলেন, সামরিক কর্মকাণ্ড ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য এই ঘাঁটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, দীর্ঘমেয়াদি লিজে যাওয়া একটি “বড় ভুল” হতে পারে, কারণ

ভবিষ্যতে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, চুক্তিটি তাদের নিরাপত্তা ও মিত্রদের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ। তাদের বক্তব্য, বর্তমান ব্যবস্থা ছাড়া ঘাঁটির কার্যক্রম ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা কঠিন। যুক্তরাজ্য ও মরিশাসের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান বের করার চেষ্টা চলছে। চাগোস দ্বীপপুঞ্জ বহু বছর ধরে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে আন্তর্জাতিক আদালত ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলেছে, দ্বীপের স্থানীয় বাসিন্দাদের জোর করে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যা ন্যায়বিচারের প্রশ্ন তৈরি করে। এ কারণে সার্বভৌমত্ব হস্তান্তরের আলোচনা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প অবস্থান পরিবর্তন করেছেন কয়েকবার। এক সময় তিনি চুক্তির পক্ষে ছিলেন, পরে সমালোচনা করেন এবং আবার কিছুটা সমর্থন জানান। এবার তিনি সতর্ক করে বলেছেন, সামরিক স্বার্থ

ক্ষতিগ্রস্ত হলে যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা নিতে পারে। চাগোস দ্বীপপুঞ্জের স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে ফিরে যাওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন। ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকে তাদের দ্বীপ ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল। সম্প্রতি কয়েকজন বাসিন্দা দ্বীপে ফিরে বসতি স্থাপনের চেষ্টা করেছেন, তবে কর্তৃপক্ষ তা অবৈধ বলেছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, দ্বীপের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা চলবে। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সামরিক স্বার্থ রক্ষা করতে চায়, অন্যদিকে মরিশাস সার্বভৌমত্ব দাবি করছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বছরে ৫ হাজার কোটি টাকার গ্যাস চুরি বিশ্বের সবচেয়ে কম বাসযোগ্য শহর ঢাকা আড়াল ভেঙে ক্যামেরার সামনে ফিরছেন বুবলী গাজীপুরে একই কারখানার ৭০ শ্রমিক অসুস্থ সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষা দক্ষিণখানে দুই বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ডিম্বাণু সংরক্ষণ ছিল নিজেকে দেওয়া সেরা উপহার: কৃতি চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল নিষ্কাশন ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করুন ভারত থেকে ২০০ রেলকোচ ক্রয়: শেখ হাসিনা সরকারের করা চুক্তি বাতিল নয়, বাস্তবায়ন করছে বিএনপি, এ মাসেই আসছে ২০টি কোচ ঋণ খেলাপিদের ১ লাখ কোটি টাকা সুদ মওকুফ: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তের সমালোচনা সাবেক প্রধান বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি পেছাল যা-ই ঘটুক না কেন, মাথা উঁচু করে বিদায় নেব: রোনালদো নাহিদের রেকর্ড ম্লান, হারারেতে বেহাল ব্যাটিংয়ে হারল বাংলাদেশ ইয়ামাল: মুসলিম হওয়ায় আমি শরীরে ট্যাটু আঁকাতে পারব না প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারি নির্দেশনায় রাজনীতির চর্চা: বাধ্যতামূলক হচ্ছে জিয়া পরিবারের ৩ বই পানছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএস গোলাগুলিতে নিহত ৩ ৫৫ লাখ গ্রাহক ২৬৪ কোটি টাকার ফাঁদে: প্রিপেইড মিটার ভাড়া নিয়ে বিএনপির প্রচারণা ছিলো গুজব ব্যালোগানের শাস্তি স্থগিতের ঘটনায় ফিফা ‘সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে’: উয়েফা রোহিঙ্গাদের হাতে ৮ হাজার একর বনভূমি উজাড়ের ফল: পাহাড় ধসে ৩ ঘণ্টায় ঝরল ৯টি প্রাণ