ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাষ্ট্র নাকি জামায়াতের প্রশাসনিক উপনিবেশ?
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে শঙ্কায় সংখ্যালঘুরা
ইউনুসের অপশাসনে ২০২৫ঃ ভিন্নমতের মৃত্যু ও ফ্যাসিস্ট সন্ত্রাসের বছর
সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
সীমান্তের ১৮ ফাঁকফোকর দিয়ে ঢুকছে আগ্নেয়াস্ত্র
৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আগামীর রণধ্বনি
ফিনিক্স পাখির মতো ভস্ম থেকে জেগে ওঠার শপথ: ৭৮-এ মানবিকতাই আমাদের হাতিয়ার
প্রথা ভেঙে বিএনপি অফিসে এনএসআই প্রধান, তারেক রহমানের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক
আজকের কন্ঠ ডেস্ক,
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো কর্মরত গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে গিয়ে দলটির শীর্ষ নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবু মোহাম্মদ সরওয়ার ফরিদ আজ বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে দলটির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেছেন। এই ঘটনা দেশের গোয়েন্দা ও সামরিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সূত্র জানায়, এনএসআই মহাপরিচালক আজ দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে পৌঁছান। সেখানে তিনি সদ্য প্রয়াত মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শোকে মুহ্যমান তারেক রহমানের সঙ্গে দুপুর ১টা ২১ মিনিট পর্যন্ত রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। সাধারণত এ ধরনের বৈঠক
শীর্ষ নেতাদের বাসভবনে বা গোপনীয় কোনো স্থানে হলেও, এবার তা সরাসরি দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হওয়াকে ‘অপ্রত্যাশিত ও প্রথা-বহির্ভূত’ বলে অভিহিত করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ দিন পর, ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট মেজর জেনারেল ফরিদকে এনএসআই-এর মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে তাঁকে ঘাটাইলভিত্তিক ১৯তম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি হিসেবে বদলির বিষয়টি বিবেচনায় থাকলেও তা কার্যকর হয়নি। প্রতিরক্ষা সূত্রগুলোর মতে, গত ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান দেশে ফেরার পর থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং চাকরিরত সেনা কর্মকর্তা সামরিক বিধি উপেক্ষা করে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সম্প্রতি বেগম খালেদা জিয়ার জানাজার সময় অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মুহাম্মদ হাকিমুজ্জামানকে বিএনপি
সভাপতির হাতে টিস্যু পেপার এগিয়ে দিতে দেখা যায়, যা নিয়ে সামরিক মহলে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এই সেনা কর্মকর্তা এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত ২৫ জন সেনা কর্মকর্তার গ্রেফতারের যৌক্তিকতা জনসমক্ষে তুলে ধরেছিলেন। এছাড়া বেগম জিয়ার জানাজার দিন সেনাবাহিনীর দীর্ঘদিনের প্রথা ও কঠোর বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তারেক রহমানের শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় সেনাবাহিনীর একটি কন্টিনজেন্ট এবং দুইজন সৈনিককে পুষ্পস্তবক বহন ও মার্চ করতে দেখা যায়, যা প্রটোকল বহির্ভূত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তারেক রহমান সদ্য বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবং এখনো সংসদ সদস্য বা রাষ্ট্রীয় কোনো নির্বাহী পদে আসীন হননি। এমন পরিস্থিতিতে
তাঁর সঙ্গে চাকরিরত ঊর্ধ্বতন সেনা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের ‘অতি-উৎসাহী’ আচরণ এবং সামরিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনের বিষয়টি সামরিক বাহিনীর শৃঙ্খলার জন্য শুভলক্ষণ নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শীর্ষ নেতাদের বাসভবনে বা গোপনীয় কোনো স্থানে হলেও, এবার তা সরাসরি দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হওয়াকে ‘অপ্রত্যাশিত ও প্রথা-বহির্ভূত’ বলে অভিহিত করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ দিন পর, ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট মেজর জেনারেল ফরিদকে এনএসআই-এর মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে তাঁকে ঘাটাইলভিত্তিক ১৯তম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি হিসেবে বদলির বিষয়টি বিবেচনায় থাকলেও তা কার্যকর হয়নি। প্রতিরক্ষা সূত্রগুলোর মতে, গত ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান দেশে ফেরার পর থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং চাকরিরত সেনা কর্মকর্তা সামরিক বিধি উপেক্ষা করে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সম্প্রতি বেগম খালেদা জিয়ার জানাজার সময় অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মুহাম্মদ হাকিমুজ্জামানকে বিএনপি
সভাপতির হাতে টিস্যু পেপার এগিয়ে দিতে দেখা যায়, যা নিয়ে সামরিক মহলে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এই সেনা কর্মকর্তা এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত ২৫ জন সেনা কর্মকর্তার গ্রেফতারের যৌক্তিকতা জনসমক্ষে তুলে ধরেছিলেন। এছাড়া বেগম জিয়ার জানাজার দিন সেনাবাহিনীর দীর্ঘদিনের প্রথা ও কঠোর বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তারেক রহমানের শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় সেনাবাহিনীর একটি কন্টিনজেন্ট এবং দুইজন সৈনিককে পুষ্পস্তবক বহন ও মার্চ করতে দেখা যায়, যা প্রটোকল বহির্ভূত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তারেক রহমান সদ্য বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবং এখনো সংসদ সদস্য বা রাষ্ট্রীয় কোনো নির্বাহী পদে আসীন হননি। এমন পরিস্থিতিতে
তাঁর সঙ্গে চাকরিরত ঊর্ধ্বতন সেনা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের ‘অতি-উৎসাহী’ আচরণ এবং সামরিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনের বিষয়টি সামরিক বাহিনীর শৃঙ্খলার জন্য শুভলক্ষণ নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



