ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্বাসঘাতকতা ও ইতিহাস অস্বীকারই ড. ইউনুসের কৌশল
ইউনূসের শাসনে বন্দী গণমাধ্যম ও জাতির বিবেক
জেল হেফাজতে মৃত্যুর মিছিল: ১৫ দিনের মাথায় কলাপাড়া আ.লীগ নেতার ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু, নির্যাতনের অভিযোগ
গণমাধ্যম দমনে ‘ফেরাউনি’ ছায়া: ড. ইউনূসের শাসনে ভিন্নমত ও বিবেকের কারাবাস—একটি বিশ্লেষণ
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক শিষ্টাচারের জয়: বিএনপি নেতা মনার কণ্ঠেও প্রশংসা, জামায়াতকে বর্জনের ডাক
মণি সিংহের ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
“যুদ্ধের আগেই বাঙালি সৈনিকদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাটা ছড়ায় গেছে, বঞ্চনাটা এত বেশি হয়েছে যে কোন বাঙালি সৈনিক এর (মুক্তিযুদ্ধের) বাইরে থাকেনি” –বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান চৌধুরী
ভারতের কূটনীতিকের সঙ্গে ‘গোপন’ বৈঠক হয় জামায়াত আমিরের !
স্টাফ রিপোর্টার ।
আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের মধ্যে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের একটি স্বীকারোক্তি। বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, চলতি বছরের শুরুতে তিনি ভারতের সরকারের একজন দূতের সঙ্গে একটি গোপন বৈঠক করেছিলেন।
ডা. শফিকুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বৈঠকটি গোপন রাখার অনুরোধ এসেছিল ভারতীয় দূতের পক্ষ থেকেই। অন্যান্য দেশের কূটনীতিকদের প্রকাশ্য সফরের সঙ্গে বিষয়টি ভিন্ন বলে উল্লেখ করেন তিনি। বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই এবং সব পক্ষের সঙ্গে খোলা মন নিয়ে যোগাযোগ বাড়ানো প্রয়োজন।
এই বৈঠক নিয়ে শফিকুর রহমানের বক্তব্য বা বৈঠকের
কথা গোপন রাখার অনুরোধ প্রসঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্র দপ্তর কোনো তাৎক্ষণিক কোনো মতামত জানায়নি। ভারতীয় সরকারের একটি সূত্র অবশ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগের কথা স্বীকার করেছে। এদিকে বুধবার ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অন্তোষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিতে বাংলাদেশে এসেছেন। দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। ২০২৪ সালের আগস্টে তরুণদের নেতৃত্বে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর দলটি আবার নির্বাচনী রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারতীয় দূতের সঙ্গে বৈঠকের তথ্য সামনে আসায় আঞ্চলিক কূটনৈতিক সমীকরণ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। শেখ হাসিনার শাসনামলে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। বিশেষ করে বাণিজ্য
ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে। তাঁর বিদায়ের পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক শীতল হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো ভারতের একটি কৌশলগত উদ্যোগের অংশ হতে পারে। সম্ভাব্য সরকার গঠন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান জানান, জামায়াত যদি কোনো ঐক্যভিত্তিক সরকারের অংশ হয়, তাহলে সেখানে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তাঁর ভাষায়, দেশের অন্তত পাঁচ বছরের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি। দলটির অতীত রাজনৈতিক অবস্থান ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাবে জামায়াত আমির বলেন, তাঁরা কোনো একটি দেশের দিকে ঝুঁকে পড়তে চান না। বরং সব দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাকেই দলটির নীতি হিসেবে তুলে ধরেন
তিনি।
কথা গোপন রাখার অনুরোধ প্রসঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্র দপ্তর কোনো তাৎক্ষণিক কোনো মতামত জানায়নি। ভারতীয় সরকারের একটি সূত্র অবশ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগের কথা স্বীকার করেছে। এদিকে বুধবার ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অন্তোষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিতে বাংলাদেশে এসেছেন। দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। ২০২৪ সালের আগস্টে তরুণদের নেতৃত্বে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর দলটি আবার নির্বাচনী রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারতীয় দূতের সঙ্গে বৈঠকের তথ্য সামনে আসায় আঞ্চলিক কূটনৈতিক সমীকরণ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। শেখ হাসিনার শাসনামলে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। বিশেষ করে বাণিজ্য
ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে। তাঁর বিদায়ের পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক শীতল হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো ভারতের একটি কৌশলগত উদ্যোগের অংশ হতে পারে। সম্ভাব্য সরকার গঠন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান জানান, জামায়াত যদি কোনো ঐক্যভিত্তিক সরকারের অংশ হয়, তাহলে সেখানে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তাঁর ভাষায়, দেশের অন্তত পাঁচ বছরের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি। দলটির অতীত রাজনৈতিক অবস্থান ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাবে জামায়াত আমির বলেন, তাঁরা কোনো একটি দেশের দিকে ঝুঁকে পড়তে চান না। বরং সব দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাকেই দলটির নীতি হিসেবে তুলে ধরেন
তিনি।



