ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্বাসঘাতকতা ও ইতিহাস অস্বীকারই ড. ইউনুসের কৌশল
ইউনূসের শাসনে বন্দী গণমাধ্যম ও জাতির বিবেক
ভারতের কূটনীতিকের সঙ্গে ‘গোপন’ বৈঠক হয় জামায়াত আমিরের !
জেল হেফাজতে মৃত্যুর মিছিল: ১৫ দিনের মাথায় কলাপাড়া আ.লীগ নেতার ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু, নির্যাতনের অভিযোগ
গণমাধ্যম দমনে ‘ফেরাউনি’ ছায়া: ড. ইউনূসের শাসনে ভিন্নমত ও বিবেকের কারাবাস—একটি বিশ্লেষণ
মণি সিংহের ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
“যুদ্ধের আগেই বাঙালি সৈনিকদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাটা ছড়ায় গেছে, বঞ্চনাটা এত বেশি হয়েছে যে কোন বাঙালি সৈনিক এর (মুক্তিযুদ্ধের) বাইরে থাকেনি” –বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান চৌধুরী
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক শিষ্টাচারের জয়: বিএনপি নেতা মনার কণ্ঠেও প্রশংসা, জামায়াতকে বর্জনের ডাক
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজনৈতিক মতপার্থক্য এবং দীর্ঘদিনের বৈরিতার মাঝেও মানবিকতা ও রাজনৈতিক শিষ্টাচারের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। খোদ বিরোধী দল বিএনপির দায়িত্বশীল শীর্ষ নেতার কণ্ঠেই এবার শোনা গেল সেই স্বীকারোক্তি। খুলনা জেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনার একটি ভাইরাল ফেসবুক স্ট্যাটাস প্রমাণ করেছে, প্রতিপক্ষের দুঃসময়ে উল্লাস নয় বরং সহমর্মিতা ও গাম্ভীর্য বজায় রাখাই আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সংস্কৃতি।
সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মহলে যে আচরণের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অভিমত ব্যক্ত করেছেন খুলনা জেলা বিএনপির সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শফিকুল আলম মনা। তার এই স্ট্যাটাসটি কেবল একটি
ব্যক্তিগত অনুশোচনা নয়, বরং দেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের 'ম্যাচিউরিটি' বা পরিপক্কতার দলিল হিসেবে সামনে এসেছে। শফিকুল আলম মনা তার স্ট্যাটাসে স্বীকার করেছেন যে, তিনি ধারণা করেছিলেন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে আওয়ামী লীগ হয়তো বেগম জিয়ার অসুস্থতা বা মৃত্যুসংক্রান্ত গুঞ্জনে উল্লাস প্রকাশ করবে। কিন্তু বাস্তবে তিনি তা দেখেননি। তিনি লিখেছেন, “লিস্টের একজন আওয়ামী লীগারকেও দেখলাম না সুকৌশলে হলেও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে! বিষয়টা আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে রাখবো, রেসপেক্টটুকু ফেরত পাবেন।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি নেতার এই উপলব্ধি প্রমাণ করে যে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সবসময়ই মানবিক মূল্যবোধকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে স্থান দেয়। অতীতে বিভিন্ন সময় প্রতিপক্ষের কটূক্তি ও বিদ্বেষমূলক আচরণের
শিকার হলেও, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বজায় রেখেছেন, মনার স্ট্যাটাসটি তারই এক বড় স্বীকৃতি। স্ট্যাটাসের অপর অংশে বিএনপির দীর্ঘদিনের জোটসঙ্গী জামায়াত-শিবির সম্পর্কে চরম ঘৃণা প্রকাশ করেছেন শফিকুল আলম মনা। তিনি জামায়াতের পক্ষ নিয়ে অতীতে অনেকের সাথে সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য লজ্জিত এবং অনুতপ্ত। তিনি আল্লাহর নামে শপথ করে জামায়াতকে আমৃত্যু ঘৃণার ঘোষণা দিয়েছেন। এই বিষয়টি আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবস্থানেরই যৌক্তিকতা প্রমাণ করে। আওয়ামী লীগ বরাবরই বলে এসেছে, জামায়াত-শিবির স্বাধীনতাবিরোধী এবং তাদের রাজনীতি ধ্বংসাত্মক। আজ যখন বিএনপির একজন শীর্ষ নেতা—যিনি দীর্ঘদিন তাদের সাথে রাজনীতি করেছেন—জামায়াতকে ‘বিষবৃক্ষ’ হিসেবে চিহ্নিত করে বর্জনের ডাক দিচ্ছেন, তখন এটি প্রমানিত হয় যে আওয়ামী লীগের অবস্থানই
সঠিক ছিল। মনার এই বোধদয়কে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অনেকে, যা সুস্থ ধারার রাজনীতির জন্য শুভলক্ষণ। শফিকুল আলম মনার মতো একজন উচ্চশিক্ষিত (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) এবং তৃণমূলের শীর্ষ নেতার (খুলনা জেলা বিএনপি সভাপতি) এই প্রকাশ্যে অবস্থান পরিবর্তন রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, অন্ধ বিরোধিতার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে সত্যকে স্বীকার করার মানসিকতা তৈরি হচ্ছে। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে দেখা হচ্ছে তাদের রাজনৈতিক উদারতা ও মানবিকতার বিজয় হিসেবে। প্রতিপক্ষ যখন স্বয়ং স্বীকার করে নেয় যে আওয়ামী লীগ ঘৃণার রাজনীতি করে না, বরং সম্মান ও শ্রদ্ধার সংস্কৃতি লালন করে—তখন তা দলটির সাংগঠনিক ও আদর্শিক শক্তিরই বহিঃপ্রকাশ। পরিশেষে, শফিকুল আলম মনার
এই স্ট্যাটাসটি ভাইরাল হওয়ার মধ্য দিয়ে একটি বিষয় প্রতিষ্ঠিত হলো—দেশের রাজনীতিতে শিষ্টাচার, মানবিকতা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির প্রশ্নে আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই। আর জামায়াত যে একটি বর্জনীয় শক্তি, তা এখন তাদের একসময়ের মিত্রদের কাছেও দিবালোকের মতো পরিষ্কার।
ব্যক্তিগত অনুশোচনা নয়, বরং দেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের 'ম্যাচিউরিটি' বা পরিপক্কতার দলিল হিসেবে সামনে এসেছে। শফিকুল আলম মনা তার স্ট্যাটাসে স্বীকার করেছেন যে, তিনি ধারণা করেছিলেন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে আওয়ামী লীগ হয়তো বেগম জিয়ার অসুস্থতা বা মৃত্যুসংক্রান্ত গুঞ্জনে উল্লাস প্রকাশ করবে। কিন্তু বাস্তবে তিনি তা দেখেননি। তিনি লিখেছেন, “লিস্টের একজন আওয়ামী লীগারকেও দেখলাম না সুকৌশলে হলেও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে! বিষয়টা আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে রাখবো, রেসপেক্টটুকু ফেরত পাবেন।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি নেতার এই উপলব্ধি প্রমাণ করে যে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সবসময়ই মানবিক মূল্যবোধকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে স্থান দেয়। অতীতে বিভিন্ন সময় প্রতিপক্ষের কটূক্তি ও বিদ্বেষমূলক আচরণের
শিকার হলেও, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বজায় রেখেছেন, মনার স্ট্যাটাসটি তারই এক বড় স্বীকৃতি। স্ট্যাটাসের অপর অংশে বিএনপির দীর্ঘদিনের জোটসঙ্গী জামায়াত-শিবির সম্পর্কে চরম ঘৃণা প্রকাশ করেছেন শফিকুল আলম মনা। তিনি জামায়াতের পক্ষ নিয়ে অতীতে অনেকের সাথে সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য লজ্জিত এবং অনুতপ্ত। তিনি আল্লাহর নামে শপথ করে জামায়াতকে আমৃত্যু ঘৃণার ঘোষণা দিয়েছেন। এই বিষয়টি আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবস্থানেরই যৌক্তিকতা প্রমাণ করে। আওয়ামী লীগ বরাবরই বলে এসেছে, জামায়াত-শিবির স্বাধীনতাবিরোধী এবং তাদের রাজনীতি ধ্বংসাত্মক। আজ যখন বিএনপির একজন শীর্ষ নেতা—যিনি দীর্ঘদিন তাদের সাথে রাজনীতি করেছেন—জামায়াতকে ‘বিষবৃক্ষ’ হিসেবে চিহ্নিত করে বর্জনের ডাক দিচ্ছেন, তখন এটি প্রমানিত হয় যে আওয়ামী লীগের অবস্থানই
সঠিক ছিল। মনার এই বোধদয়কে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অনেকে, যা সুস্থ ধারার রাজনীতির জন্য শুভলক্ষণ। শফিকুল আলম মনার মতো একজন উচ্চশিক্ষিত (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) এবং তৃণমূলের শীর্ষ নেতার (খুলনা জেলা বিএনপি সভাপতি) এই প্রকাশ্যে অবস্থান পরিবর্তন রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, অন্ধ বিরোধিতার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে সত্যকে স্বীকার করার মানসিকতা তৈরি হচ্ছে। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে দেখা হচ্ছে তাদের রাজনৈতিক উদারতা ও মানবিকতার বিজয় হিসেবে। প্রতিপক্ষ যখন স্বয়ং স্বীকার করে নেয় যে আওয়ামী লীগ ঘৃণার রাজনীতি করে না, বরং সম্মান ও শ্রদ্ধার সংস্কৃতি লালন করে—তখন তা দলটির সাংগঠনিক ও আদর্শিক শক্তিরই বহিঃপ্রকাশ। পরিশেষে, শফিকুল আলম মনার
এই স্ট্যাটাসটি ভাইরাল হওয়ার মধ্য দিয়ে একটি বিষয় প্রতিষ্ঠিত হলো—দেশের রাজনীতিতে শিষ্টাচার, মানবিকতা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির প্রশ্নে আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই। আর জামায়াত যে একটি বর্জনীয় শক্তি, তা এখন তাদের একসময়ের মিত্রদের কাছেও দিবালোকের মতো পরিষ্কার।



