ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে পারবে কিনা- সন্দেহ দেবপ্রিয়র
পোস্টাল ভোটে অনিয়ম করলে প্রবাসীদের দেশে ফেরত আনার হুঁশিয়ারি ইসির
বাংলাদেশে সহিংসতা বাড়ছে, রাজনীতিতে উপেক্ষিত নারী
বাংলাদেশের প্রধান ঝুঁকি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড
আত্মশুদ্ধি, মানবপ্রেম ও ঐতিহ্যের মহামিলন
*বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর মার্কিন স্যাংশন,কূটনৈতিক ব্যর্থতা, আন্তর্জাতিকভাবে কোণঠাসা*
❝পোস্টাল ব্যালট ও ট্রান্সফার করা ভোটব্যাংক হলো জামাত এনসিপি জোটের ডামি নির্বাচনের সুপরিকল্পিত কৌশল❞
ইউনূসের ‘জঙ্গি শাসনের’ বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলুন: শেখ হাসিনা
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের শাসনামলকে ‘জঙ্গি শাসন’ হিসেবে অভিমিত করে প্রতিহত করতে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে আহবান জানিয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
১৩ নভেম্বরের প্রথম প্রহরে পূর্বঘোষিত লক ডাউন কর্মসূচীকে সফল করতে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠন উদ্দেশে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট’ ইউনুস সরকার-কে ক্ষমতা থেকে হটিয়ে জঙ্গি, সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারীর হাত থেকে অস্ত্র উদ্ধার করে জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে হবে’।
সাবেক প্রধান মন্ত্রী বলেন “’ফ্যাসিস্ট’ ইউনুস সরকার-কে ক্ষমতা থেকে হটিয়ে জঙ্গি, সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারীর হাত থেকে অস্ত্র উদ্ধার করে জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে দেশবাসীক সকলে যে যেখানে আছেন সকল শ্রেনী পেশা, দল, মত
নির্বিশেষে যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করেন, যারা অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান, বাংলাদেশের ভবিষ্যত উজ্জ্বল হোক, সুখী সমৃদ্ধ জাতি গড়ে উঠুক, উন্নত বাংলাদেশ গড়ে উঠুক—যারা চান তাদের সবাইকে আমি ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামিকালের কর্মসূচী সফল করা এবং এরই ধারাবাহিকতায় ইউনুসের পতন না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন অব্যাহত রাখার জন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি।” আওয়ামী লীগকে জনগণের সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ মাটি ও মানুষের থেকে উঠে এসেছে। আওয়ামী লীগ গড়ে উঠেছে জনগণের শক্তিতে। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারীর পকেট থেকে গড়ে ওঠা দল নয়। আর অবৈধ পথে ক্ষমতা দখলকারী বলে দেবে আওয়মী লীগ নিষিদ্ধ; আওয়ামী লীগ এভাবে
নিষিদ্ধ হয় না, হবে না।” সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বাড়ি-ঘরে হামলার ঘটনার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, “তৃণমূল থেকে আওয়ামী লীগের সমস্ত নেতা-কর্মীদের বাড়ি-ঘর, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান, জীবন-জীবীকা সব পথ বন্ধ করে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিয়েছে। ড. ইউনূসের শাসনকে ’জঙ্গী শাসন’ আখ্যা দিয়ে চারবারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশকে জঙ্গী শাসন থেকে মুক্ত করবার জন্য সকলকে আজ ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আমি আহ্বান জানাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের এই কালো মেঘ কেটে যাবে। বাংলাদেশের মানুষ আবার সুন্দর জীবন ফিরে পাবে “ জেল-জুলুম-নির্যাতন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনেক মানুষকে ওরা হত্যা করেছে। নাম-পরিচয় খুব অল্প লোকেরই পাওয়া গেছে। বাকি অনেকের পাওয়া যায়নি। বহু লাশ বড়িগঙ্গা, শীতলক্ষা, তুরাগ নদীতে ভেসে গেছে।
বহু মানুষকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। আর জেল-জুলুম-অত্যাচার এগুলো তো সীমাহীন। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগের অসংখ নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে অমানবিক নির্যাতন চালাচ্ছে। আমি সাবধান করে দিচ্ছি—আপনারা ভুলে যাবেন না। এই বাংলাদেশ আপনাদেরও দেশ “
নির্বিশেষে যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করেন, যারা অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান, বাংলাদেশের ভবিষ্যত উজ্জ্বল হোক, সুখী সমৃদ্ধ জাতি গড়ে উঠুক, উন্নত বাংলাদেশ গড়ে উঠুক—যারা চান তাদের সবাইকে আমি ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামিকালের কর্মসূচী সফল করা এবং এরই ধারাবাহিকতায় ইউনুসের পতন না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন অব্যাহত রাখার জন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি।” আওয়ামী লীগকে জনগণের সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ মাটি ও মানুষের থেকে উঠে এসেছে। আওয়ামী লীগ গড়ে উঠেছে জনগণের শক্তিতে। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারীর পকেট থেকে গড়ে ওঠা দল নয়। আর অবৈধ পথে ক্ষমতা দখলকারী বলে দেবে আওয়মী লীগ নিষিদ্ধ; আওয়ামী লীগ এভাবে
নিষিদ্ধ হয় না, হবে না।” সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বাড়ি-ঘরে হামলার ঘটনার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, “তৃণমূল থেকে আওয়ামী লীগের সমস্ত নেতা-কর্মীদের বাড়ি-ঘর, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান, জীবন-জীবীকা সব পথ বন্ধ করে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিয়েছে। ড. ইউনূসের শাসনকে ’জঙ্গী শাসন’ আখ্যা দিয়ে চারবারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশকে জঙ্গী শাসন থেকে মুক্ত করবার জন্য সকলকে আজ ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আমি আহ্বান জানাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের এই কালো মেঘ কেটে যাবে। বাংলাদেশের মানুষ আবার সুন্দর জীবন ফিরে পাবে “ জেল-জুলুম-নির্যাতন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনেক মানুষকে ওরা হত্যা করেছে। নাম-পরিচয় খুব অল্প লোকেরই পাওয়া গেছে। বাকি অনেকের পাওয়া যায়নি। বহু লাশ বড়িগঙ্গা, শীতলক্ষা, তুরাগ নদীতে ভেসে গেছে।
বহু মানুষকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। আর জেল-জুলুম-অত্যাচার এগুলো তো সীমাহীন। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগের অসংখ নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে অমানবিক নির্যাতন চালাচ্ছে। আমি সাবধান করে দিচ্ছি—আপনারা ভুলে যাবেন না। এই বাংলাদেশ আপনাদেরও দেশ “



