ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গুপ্ত হামলার ছক: ড্রোন-অস্ত্রসহ নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘আকসা’র চার সদস্য গ্রেপ্তার
জ্বালানী নিরাপত্তাঃ শেখ হাসিনার এনার্জি ডিপ্লোম্যাসি বনাম ইউনুস-তারেকের উচ্চমূল্যের বিদেশী স্বার্থরক্ষা চুক্তি
রূপপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট নিয়ে সংসদের বিরোধীদল এনসিপির অপতথ্য ও মিথ্যার ফ্লাডিং: জুলাই এর মতো গুজব ছড়িয়ে জনমানুষকে ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা
এবার ঢাকায় ভারতীয় কাশ্মীরি নাগরিকের অস্বাভাবিক মৃত্যু: সন্দেহজনক ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সর্বহারাদের পুনরুত্থান: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে চরমপন্থীরা
রুপপুরে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রে ফুয়েল লোড: ইউরেনিয়াম দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ কেমন হতে পারে?
পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্যে বাতিল হয়েছিল রূপপুর: বিরোধীদের সকল বাধা উপেক্ষা করে বঞ্চিত বাংলাদেশের ৬৫ বছরের স্বপ্ন পূরণের দ্বারপ্রান্তে
ইউনুসের পদত্যাগ ও ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ বন্ধের দাবিতে ঢাকা লকডাউনের ডাক, কঠোর হুঁশিয়ারি পঙ্কজ দেবনাথের
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগ এবং ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ বন্ধের দাবিতে আগামী ১৩ নভেম্বর রাজধানী ঢাকা লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। দলটি জানিয়েছে, এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো “অবৈধ সরকারের গণবিরোধী কর্মকাণ্ড ও বিচারের নামে প্রহসন” বন্ধ করে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।
এই কর্মসূচিকে সামনে রেখে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ। তিনি বলেন, “শান্তিপূর্ণ লকডাউনে বাধা দিলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ।”
এক বিবৃতিতে পঙ্কজ দেবনাথ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে রাজপথে নামতে হবে। ঢাকার প্রত্যেকটি প্রবেশপথ বন্ধ করে দিতে হবে। এই ইউনুস
সরকারের পেটুয়া বাহিনীকে যেখানেই পাওয়া যাবে, সেখানেই প্রতিহত করতে হবে।” চলমান বিচার প্রক্রিয়াকে ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ আখ্যা দিয়ে তিনি আরও বলেন, “বিচারের নামে যে প্রহসন চলছে, তা বন্ধ করতে আমরা বাধ্য করব। আওয়ামী লীগ জনগণের দল এবং এই আন্দোলন গণমানুষের অধিকার রক্ষার আন্দোলন।” তিনি দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষার স্বার্থে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। এদিকে, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচি সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঢাকার প্রতিটি প্রবেশমুখে দলের নেতাকর্মীরা কঠোর অবস্থান নেবেন, যাতে কোনো অরাজনৈতিক বা সন্ত্রাসী শক্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ না পায়। আওয়ামী লীগের এই কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার পর রাজধানীতে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ
বাড়ছে এবং জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সরকারের পেটুয়া বাহিনীকে যেখানেই পাওয়া যাবে, সেখানেই প্রতিহত করতে হবে।” চলমান বিচার প্রক্রিয়াকে ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ আখ্যা দিয়ে তিনি আরও বলেন, “বিচারের নামে যে প্রহসন চলছে, তা বন্ধ করতে আমরা বাধ্য করব। আওয়ামী লীগ জনগণের দল এবং এই আন্দোলন গণমানুষের অধিকার রক্ষার আন্দোলন।” তিনি দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষার স্বার্থে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। এদিকে, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচি সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঢাকার প্রতিটি প্রবেশমুখে দলের নেতাকর্মীরা কঠোর অবস্থান নেবেন, যাতে কোনো অরাজনৈতিক বা সন্ত্রাসী শক্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ না পায়। আওয়ামী লীগের এই কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার পর রাজধানীতে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ
বাড়ছে এবং জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।



