রক্ষণশীল তারকা রাজনীতিবিদ কার্কের মৃত্যু রক্ষণশীলদের হাতেই? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
     ৭:০৭ পূর্বাহ্ণ

রক্ষণশীল তারকা রাজনীতিবিদ কার্কের মৃত্যু রক্ষণশীলদের হাতেই?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | ৭:০৭ 82 ভিউ
রক্ষণশীল চিন্তাবিদ ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গুলির খোসায় ফ্যাসিজমের উল্লেখসহ মিম খোদাই করা হয়েছিল বলে কর্মকর্তারা শুক্রবার জানিয়েছেন। এটি এমন একটি ঘটনা যেখানে হামলাকারী অস্ত্র ও গুলিতে বার্তা রেখে গেছে। ২২ বছর বয়সী সন্দেহভাজন টাইলার রবিনসনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার পরিবারের একজন সদস্য তার পরিচয় প্রকাশ করেন। চার্লি কার্ক ছিলেন টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং যুবসমাজের মধ্যে রক্ষণশীল আন্দোলনের অন্যতম নেতা হিসেবে উঠে এসেছিলেন। গত বুধবার ইউটাহ ভ্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে বক্তৃতাদানকালে গলায় গুলিবিদ্ধ হন এবং পরে মারা যান। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মঞ্চে উপবিষ্ট কার্কের কথা বলার মাঝেই গুলির শব্দ হয় এবং দর্শকরা চিৎকার করে

উঠে দৌড়ে পালাতে শুরু করেন। ইউটাহ গভর্নর স্পেন্সার কক্স শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে জানান, অপরাধস্থলের কাছে পাওয়া একটি বোল্ট-অ্যাকশন রাইফেলের গুলির খোসায় খোদাই করা ছিল “হেই ফ্যাসিস্ট, ক্যাচ!” এবং “ওহ বেলা চাও, বেলা চাও”– যা ইতালির ফ্যাসিবাদবিরোধী গানের অংশ। অন্যান্য খোসায় ছিল “ইফ ইউ রিড দিস, ইউ আর গে এলএমএও” এবং “নোটিসেস বালজ: ওও হোয়াটস দিস?”- যা ইন্টারনেট মিম কালচার, ফারি রোল-প্লে এবং ভিডিও গেম ‘হেলডাইভার্স ২’-এর ইঙ্গিতবাহী বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই গেমটি ফ্যাসিবাদবিরোধী ব্যাঙ্গাত্মক ইঙ্গিত দেয়। কক্স বলেন, হত্যার মোটিভ স্পষ্ট নয়। এগুলো অনলাইন ডিসকোর্সের প্রভাবিত বলে মনে হচ্ছে। সন্দেহভাজন হিসেবে আটক রবিনসনের এক পরিবারের সদস্য জানান, বিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য তিনি কার্ককে

ঘৃণা করতেন। ছবি দেখে রবিনসনকে তার বাবা এবং অন্যরা সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করেন। আটকের পর তিনি স্বীকারোক্তিও দেন। তাকে ইউটাহ কাউন্টি জেলে রাখা হয়েছে এবং মঙ্গলবার আদালতে শুনানি হবে। এটি সাম্প্রতিককালে এমন আরেকটি ঘটনা, যেখানে হামলাকারী অস্ত্রেই তার বার্তা রেখে গেছে। গত আগস্টে মিনিয়াপলিসের একটি ক্যাথলিক স্কুলে গোলাগুলির ঘটনায় ভিডিওতে রাজনৈতিক মেসেজ এবং মিমের মিশ্রণ রেখেছিলেন। চার্লি কার্কের মৃত্যুতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “এটি একটি রাজনৈতিক হত্যা।” তিনি কার্কের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন। কার্ক রক্ষণশীল যুবসমাজের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন, তার বক্তব্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে সমর্থন এবং লিবারেলদের সমালোচনা যুবসমাজকে আকর্ষণ করে। কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক রবিনসনের বুলেটের বার্তা ফ্যাসিবাদবিরোধী

ইঙ্গিত দেয়। যা রক্ষণশীলদের দৃষ্টিতে লিবারেল বা বামপন্থী আন্দোলন সম্পৃক্ত। প্রশ্ন উঠছে, কী কারণে কার্ককে তার নিজস্ব সমর্থক গোষ্ঠীর হাতে রক্তাক্ত হতে হলো? রবিনসন ভোটার ছিলেন কিন্তু কোনো নির্বাচনে ভোট দেননি এবং তার মোটিভ এখনও অস্পষ্ট। এ ঘটনা আমেরিকার রাজনৈতিক সহিংসতার নতুন অধ্যায় খুলে দিয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ধানমন্ডিতে ঝটিকা মিছিল থেকে মহিলা আওয়ামী লীগের ৭ জন গ্রেপ্তার ‘পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে—ড. ইউনূস আগেই জানতেন’, দায় এড়াতেই দেরিতে দেশে ফেরেন তিনি: শামীম হায়দার পাটোয়ারী গণভোটের ফলাফল বনাম সাংবিধানিক সীমা আবারো কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: বিনা বিচারে মারা গেলেন দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক ড. ইউনূসকে ‘লোভী’ ও ‘অপদার্থ’ আখ্যা দিলেন রনি, বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত থাকার দাবি অন্তর্বর্তী সরকারের বড় সিদ্ধান্ত আসত ‘কিচেন কেবিনেট’ থেকে: বিস্ফোরক মন্তব্যে সাখাওয়াত হোসেন আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বাইরে রাখা যাবে না, হাবিবুর রহমান হাবিব টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলামের ইন্তেকাল: শেখ হাসিনার গভীর শোক ড. ইউনূস অসম চুক্তি বাতিল না করে ভারতবিদ্বেষী সেন্টিমেন্ট কাজে লাগিয়েছেন: মাহবুব কামাল ‘ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হবেন জানলে রাস্তায় নামতাম না’: আবদুন নূর তুষার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন: আরও এক হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হলো সাবেক মেয়র আইভীকে নতুন গভর্নর কি ঋণখেলাপি! দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রির চূড়ান্ত পর্যায়ে খলিল, পেলেন আরাকান আর্মির অভিনন্দন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গেলেন, প্রশ্নগুলো রয়ে গেল লুটেরা চরিত্র কি কখনো ঢাকা যায় নোবেলের আড়ালে? সম্পদের পাহাড় গড়েছেন উপদেষ্টারা ভুয়া মামলার ফাঁদে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ‘উপরওয়ালা’ এখন আমি: মুফতি আমির হামজার বক্তব্যে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ বিএনপি: ক্ষুধাকে পুঁজি করে ধর্ষণ করে যে দলের নেতাকর্মীরা ক্ষমতায় আসতে না আসতেই এই অবস্থা, সামনে কী অপেক্ষা করছে?