ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
লেবাননে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা
হরমুজ দিয়ে দিনে ১৫টির বেশি জাহাজ নয়
আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, জানালো ইরান
শেষ পর্যন্ত ইরানের দ্বারস্থ হলো সৌদি আরব
হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান
৪০ দিন পর খুলল আল-আকসা, মুসল্লিদের ঢল
দেশ রক্ষায় কোটি ইরানি জীবন দিতে প্রস্তুত: প্রেসিডেন্ট
কাতারে ইসরাইলের প্রধান টার্গেট কে এই খলিল আল-হাইয়া
দোহায় ইসরাইলের হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিলেন সিনিয়র হামাস নেতা খলিল আল-হাইয়া। কিন্তু কে এই আল-হাইয়া এবং হামাসের ভেতরে তার ভূমিকা কী?
আল-জাজিরার প্রতিবেদন বলছে, ইসমাইল হানিয়া ও ইয়াহিয়া সিনওয়ারের নিহত হওয়ার পর আল-হাইয়া হামাসের ভেতরে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছেন। তিনি এখন গাজার নির্বাসিত প্রধান হিসেবে দোহায় অবস্থান করছেন এবং গাজা শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনায় হামাসের শীর্ষ প্রধান সমঝোতাকারী হিসেবে কাজ করছেন।
আল-হাইয়ার জন্ম ১৯৬০ সালে গাজায়। ১৯৮৭ সালে হামাস গঠিত হওয়ার সময় থেকেই তিনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি হামাসের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে উঠে এসেছেন।
ইসরাইলের বিভিন্ন হামলায় তিনি তার পরিবারের বহু সদস্যকে হারিয়েছেন।
২০০৭ সালে গাজার সেজাইয়া এলাকায় তার বাড়িতে ইসরাইলি
বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন স্বজন নিহত হন। ২০১৪ সালের যুদ্ধে তার বড় ছেলে ওসামার বাড়ি বোমায় ধ্বংস হয়। এতে ওসামা, তার স্ত্রী এবং তাদের তিন সন্তান মারা যান। তবে এই হামলাগুলোর সময় আল-হাইয়া বাড়িতে ছিলেন না। কয়েক বছর আগে তিনি গাজা ছেড়ে দোহায় চলে আসেন। বর্তমানে তিনি হামাসের অন্যতম প্রভাবশালী নির্বাসিত নেতা। দোহা থেকেই তিনি আরব ও ইসলামি বিশ্বের সঙ্গে হামাসের যোগাযোগ রক্ষা করেন এবং সংগঠনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে মুখ্য ভূমিকা রাখেন। ইসরাইল দাবি করেছে, ৭ অক্টোবর ইসরাইলের হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকরী তিনি। তাই তাকে লক্ষ্য করে কাতারে হামলা করা হয়েছে। তবে হামাসের সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, তিনি হামলা থেকে বেঁচে গেছেন।
বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন স্বজন নিহত হন। ২০১৪ সালের যুদ্ধে তার বড় ছেলে ওসামার বাড়ি বোমায় ধ্বংস হয়। এতে ওসামা, তার স্ত্রী এবং তাদের তিন সন্তান মারা যান। তবে এই হামলাগুলোর সময় আল-হাইয়া বাড়িতে ছিলেন না। কয়েক বছর আগে তিনি গাজা ছেড়ে দোহায় চলে আসেন। বর্তমানে তিনি হামাসের অন্যতম প্রভাবশালী নির্বাসিত নেতা। দোহা থেকেই তিনি আরব ও ইসলামি বিশ্বের সঙ্গে হামাসের যোগাযোগ রক্ষা করেন এবং সংগঠনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে মুখ্য ভূমিকা রাখেন। ইসরাইল দাবি করেছে, ৭ অক্টোবর ইসরাইলের হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকরী তিনি। তাই তাকে লক্ষ্য করে কাতারে হামলা করা হয়েছে। তবে হামাসের সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, তিনি হামলা থেকে বেঁচে গেছেন।



