ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের
ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৯
ইস্তানবুলে ইরান-ইউরোপের দ্বিতীয় দফা পারমাণবিক আলোচনা সম্পন্ন
ইরান ও ইউরোপের তিন দেশ—ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনা ইস্তানবুলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার ইস্তানবুলস্থ ইরান দূতাবাসে আয়োজিত এই বৈঠক তিন ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলে এবং সম্পূর্ণরূপে বন্ধ দরজার আড়ালে অনুষ্ঠিত হয়।
ইরানের পক্ষে আলোচনায় অংশ নেন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভাঞ্চি এবং কাজেম ঘারিবাবাদি। ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী ইউরোপীয় পক্ষগুলোর অনুরোধে ইরান আবারও আলোচনায় বসতে রাজি হয়।
এর আগে গত ১৬ মে একই স্থান ইস্তানবুলে প্রথম দফার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তখন আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান পরোক্ষ সংলাপের পাশাপাশি ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে আলাদা করে আলোচনার বিষয়ে সম্মত হয় উভয় পক্ষ।
তবে সম্প্রতি ইসরাইল কর্তৃক ১৩ জুন
ইরানে চালানো হামলার পর এসব আলোচনা প্রক্রিয়ায় বড় ধাক্কা লাগে। ওই ঘটনার জেরে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পরোক্ষ সংলাপ এবং ইউরোপীয় পক্ষগুলোর সঙ্গে বিস্তৃত আলোচনাও স্থগিত হয়ে যায়। তবে শুক্রবারের বৈঠক আবারও আলোচনার টেবিলে ফেরা এবং কূটনৈতিক পথ উন্মুক্ত রাখার একটি প্রয়াস বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। আলোচনা শেষে কোনো পক্ষই তাৎক্ষণিকভাবে গণমাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি, তবে কূটনৈতিক সূত্র বলছে, ভবিষ্যতে আরো বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনা বিরাজ করছে। ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে একতরফাভাবে চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়।
ইরানে চালানো হামলার পর এসব আলোচনা প্রক্রিয়ায় বড় ধাক্কা লাগে। ওই ঘটনার জেরে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পরোক্ষ সংলাপ এবং ইউরোপীয় পক্ষগুলোর সঙ্গে বিস্তৃত আলোচনাও স্থগিত হয়ে যায়। তবে শুক্রবারের বৈঠক আবারও আলোচনার টেবিলে ফেরা এবং কূটনৈতিক পথ উন্মুক্ত রাখার একটি প্রয়াস বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। আলোচনা শেষে কোনো পক্ষই তাৎক্ষণিকভাবে গণমাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি, তবে কূটনৈতিক সূত্র বলছে, ভবিষ্যতে আরো বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনা বিরাজ করছে। ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে একতরফাভাবে চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়।



