ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরানের বিপ্লবী গার্ডের মুখপাত্র জেনারেল নাঈনি নিহত
যুদ্ধবিরতি হলেই হরমুজে সহায়তা দেবে ৩ দেশ
ইসরায়েলের গ্যাস ফিল্ডে আক্রমণের জবাবে এক রাতেই ৯ ধনী উপসাগরীয় দেশে ইরানের ব্যালিস্টিক আঘাত
সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় পুলিশ হত্যা: ইরানে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে সম্ভাব্য পারমানবিক হুমকি হিসেবে দেখছে
তিন আরব দেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনি লড়াইয়ে ইরান
কলকাতায় বিজেপির প্রার্থী হতে চান আরজি কর হাসপাতালে নির্যাতিত চিকিৎসকের মা
আসামে দাঙ্গা রুখতে দুর্বৃত্ত দেখামাত্র গুলির নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর
ভারতের আসামে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা রুখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। নিরাপত্তা বাহিনীকে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, যারা মন্দির অপবিত্র করেছে, তারা রেহাই পাবে না। দুষ্কৃতিদের দেখামাত্র যেন গুলি চালানো হয়।
হনুমান মন্দিরে গরুর মাংস ফেলাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক অশান্তি চরম আকার নিয়েছে রাজ্যের ধুবরি এলাকায়। গতকাল শুক্রবার ওই এলাকা পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এর পর তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘ধুবরি গিয়েছিলাম। নিরাপত্তাবাহিনীকে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছি– আমাদের মন্দির, নামঘর ও পবিত্র স্থানগুলোকে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বনের। যারা ধুবরির হনুমান মন্দিরের গোমাংস ফেলেছে, তাদের কোনোভাবে রেহাই দেওয়া হবে না।’
মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘একটি বিশেষ গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে উঠেছে, যাদের লক্ষ্য আমাদের মন্দিরগুলো
ধ্বংস করা। আমরা দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশ জারি করেছি।’ এক্স হ্যান্ডেলে আরেক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘এবার ঈদে কিছু অসামাজিক লোকজন ধুবরির হনুমান মন্দিরে গোমাংস ফেলার মতো ঘৃণ্য ও নিন্দনীয় অপরাধ করেছে। পরবর্তী ঈদে যদি প্রয়োজন পড়ে, আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে মন্দির পাহারা দেব।’ গত ৮ জুন ধুবরিতে সাম্প্রদায়িক হিংসার সূত্রপাত হয়। শহরের এক মন্দিরে গোমাংস ছুড়ে ফেলার ঘটনায় রাস্তায় নামেন স্থানীয়রা। পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। ধুবরির ডেপুটি কমিশনার দিবাকর নাথ জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে। অশান্তি রুখতে সংবেদনশীল এলাকায় শান্তিরক্ষা কমিটি করা হয়েছে।
ধ্বংস করা। আমরা দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশ জারি করেছি।’ এক্স হ্যান্ডেলে আরেক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘এবার ঈদে কিছু অসামাজিক লোকজন ধুবরির হনুমান মন্দিরে গোমাংস ফেলার মতো ঘৃণ্য ও নিন্দনীয় অপরাধ করেছে। পরবর্তী ঈদে যদি প্রয়োজন পড়ে, আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে মন্দির পাহারা দেব।’ গত ৮ জুন ধুবরিতে সাম্প্রদায়িক হিংসার সূত্রপাত হয়। শহরের এক মন্দিরে গোমাংস ছুড়ে ফেলার ঘটনায় রাস্তায় নামেন স্থানীয়রা। পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। ধুবরির ডেপুটি কমিশনার দিবাকর নাথ জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে। অশান্তি রুখতে সংবেদনশীল এলাকায় শান্তিরক্ষা কমিটি করা হয়েছে।



