ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাম্পের শুল্ক এড়াতে যে কৌশল নিচ্ছে ইইউ
যুক্তরাষ্ট্র মনে করে আন্তর্জাতিক আইনের চেয়ে তার শক্তিই বড়: জাতিসংঘ মহাসচিব
দুই দেশের সমীকরণ কোন পথে
বাংলাদেশিদের জন্য ভিসায় বন্ড বাধ্যতামূলক করল যুক্তরাষ্ট্র
সিরিয়া সরকার ও এসডিএফের যুদ্ধবিরতি চুক্তি
ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১৮, বাস্তুচ্যুত ২০ হাজার মানুষ
বিয়ে করলে ১৬ লাখ, সন্তান হলে ৩২ লাখ টাকা
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের হুঁশিয়ারি রাশিয়ার
ঐতিহাসিক রুশ ভূখণ্ডে শান্তিরক্ষী মোতায়েন করা হলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের সচিব সের্গেই শোইগু।
বুধবার রুশ সংবাদ সংস্থা তাস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
সের্গেই শোইগু এ সময় দাবি করে বলেন, তথাকথিত ‘ইউরোপীয় জোট’ ইউক্রেনে শান্তিরক্ষীর ছদ্মবেশে সামরিক উপস্থিতির পরিকল্পনা করছে।
রুশ কর্মকর্তা বলেন, ‘ইউরোপের যুক্তিবান রাজনীতিকরাও বোঝেন যে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ন্যাটো ও রাশিয়ার সরাসরি সংঘর্ষ হতে পারে। এমনকি ভবিষ্যতে তা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে রূপ নিতে পারে’।
শোইগুর মতে, ‘শান্তিরক্ষী’ কথাটির আড়ালে ইউক্রেন ও দেশটির খনিজ সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য লুকানো আছে। তিনি বলেন, ‘এই সৈন্যদের (শান্তিরক্ষী) ‘দখলদার’ বলাটা আরও
উপযুক্ত হবে’। সের্গেই শোইগুর ভাষায়, ‘এই সৈন্যরা মূলত সেই সব ন্যাটো দেশ থেকে আসবে, যাদের ইউক্রেনে উপস্থিতির বিরোধিতা রাশিয়া অনেক আগেই করেছিল’। একই সঙ্গে শোইগু আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, সম্ভাব্য এই ‘শান্তিরক্ষীরা’ ইউক্রেনের ‘নাৎসি’ সরকারকে সমর্থন করতে পারে। এমনকি রুশ অর্থডক্স খ্রিস্টানদের দমন এবং রুশ ভাষাভাষীদের মাতৃভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যচর্চার অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রয়াসেও যুক্ত হতে পারে। ‘এটি কোনো শান্তিরক্ষা মিশন নয়’ উল্লেখ করে রুশ নিরাপত্তা পরিষদের সচিব বলেন, ‘এ কারণেই প্রকৃত বৈশ্বিক সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ এ ধরনের তথাকথিত শান্তিরক্ষা উদ্যোগে যোগ দিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না’। এদিকে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভও ইউক্রেনে শান্তিরক্ষী মোতায়েনের জন্য ‘ইউরোপীয় জোট’ গঠনের ধারণা রাশিয়ার কাছে অগ্রহণযোগ্য এবং একটি
গুরুতর হুমকি বলে উল্লেখ করেছেন। পেসকভ বলেন, ‘ইউক্রেনের ভূখণ্ডে সামরিক বাহিনী মোতায়েন সংক্রান্ত আলোচনা আমাদের কাছে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এটি ইউরোপ ও সমগ্র বিশ্বের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর বিপদ বয়ে আনতে পারে’। সূত্র: মেহের নিউজ
উপযুক্ত হবে’। সের্গেই শোইগুর ভাষায়, ‘এই সৈন্যরা মূলত সেই সব ন্যাটো দেশ থেকে আসবে, যাদের ইউক্রেনে উপস্থিতির বিরোধিতা রাশিয়া অনেক আগেই করেছিল’। একই সঙ্গে শোইগু আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, সম্ভাব্য এই ‘শান্তিরক্ষীরা’ ইউক্রেনের ‘নাৎসি’ সরকারকে সমর্থন করতে পারে। এমনকি রুশ অর্থডক্স খ্রিস্টানদের দমন এবং রুশ ভাষাভাষীদের মাতৃভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যচর্চার অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রয়াসেও যুক্ত হতে পারে। ‘এটি কোনো শান্তিরক্ষা মিশন নয়’ উল্লেখ করে রুশ নিরাপত্তা পরিষদের সচিব বলেন, ‘এ কারণেই প্রকৃত বৈশ্বিক সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ এ ধরনের তথাকথিত শান্তিরক্ষা উদ্যোগে যোগ দিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না’। এদিকে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভও ইউক্রেনে শান্তিরক্ষী মোতায়েনের জন্য ‘ইউরোপীয় জোট’ গঠনের ধারণা রাশিয়ার কাছে অগ্রহণযোগ্য এবং একটি
গুরুতর হুমকি বলে উল্লেখ করেছেন। পেসকভ বলেন, ‘ইউক্রেনের ভূখণ্ডে সামরিক বাহিনী মোতায়েন সংক্রান্ত আলোচনা আমাদের কাছে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এটি ইউরোপ ও সমগ্র বিশ্বের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর বিপদ বয়ে আনতে পারে’। সূত্র: মেহের নিউজ



