ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফার্স্ট হয়েও নিয়োগ পেলেন না শিবাশ্রী, তৃতীয় হয়েও শিক্ষক হলেন ভিসির মেয়ে!
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকসু নেতাদের হাতে শিক্ষক হেনস্তা
মেডিকেলে চান্স পেয়েও পড়া অনিশ্চিত তিথির
ঢাবি অধ্যাপক আতাউর রহমান মারা গেছেন
৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
প্রথমবার অনুষ্ঠিত জকসু নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু
আন্দোলনের মুখে দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ ডিনের
কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা
পিরোজপুরের নেছারাবাদে কলেজ ছাত্রী (১৮) অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রুবেল হাওলাদারের বিরুদ্ধে। মো. রুবেল হাওলাদার উপজেলার দৈহারী ইউনিয়নের বাঁশতলা গ্রামের মোঃ রুহুল হাওলাদারের ছেলে।
এ বিষয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মেয়ের বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।
আসামিরা হলেন-উপজেলার বাঁশতলা গ্রামের মো. রুহুল হালদারের ছেলে মো. রুবেল হাওলাদার, মো. আউয়াল হাওলাদারের ছেলে মো. রুহুল হাওলাদার, মো. রুহুল হাওলাদারের স্ত্রী মিনারা বেগম, দৈহারী গ্রামের অরুণ ঢালী সরকারের স্ত্রী তৃষ্ণা মিস্ত্রী ও মো. ওয়াদুদ শেখের ছেলে রিয়াজ শেখ।
মামলার সূত্রে ও স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, গত ১২ মার্চ (বুধবার) বিকাল অনুমান তিনটার দিকে নাজিরপুর উপজেলার
শ্রীরামকাঠি প্রণব আশ্রমের সামনের রাস্তা থেকে ভুক্তভোগী কলেজ ছাত্রীকে একটি অজ্ঞাত নামা ইজি বাইকে করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে তুলে নিয়ে যায়। তারপর ওই কলেজ ছাত্রীকে না পেয়ে গত ১৫ মার্চ নেছারাবাদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ওই কলেজ ছাত্রী ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে তার পরিবারকে বলেন, "মো. রুবেল হাওলাদার সহ অন্যান্যদের সহযোগিতায় আমাকে অপহরণ করে একটি অপরিচিত বাসা বাড়িতে রেখে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করতেছে। আমাকে তাদের কবর থেকে বাঁচাও না হইলে ওরা আমাকে মেরে ফেলবে।" এ কথা শেষ হতে না হতেই মেয়ের কাছ থেকে মোবাইল ফোন টেনে নেয় বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কলেজ ছাত্রীর বাবা। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কলেজ ছাত্রীর বাবা বলেন,
আমার মেয়ে নাজিরপুর উপজেলার ঘোষকাটি কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। কলেজে যাওয়া আসার পথে পাশের গ্রামের মো. রুবেল হাওলাদার নামের একটি বখাটে ছেলে উত্ত্যক্ত করত। এ নিয়ে একাধিকবার তাকে বারণ করা হয়েছিল। এমনকি জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসনও করেছিলাম। মেয়ের জন্য বিয়ের কথা চলছিল। পাত্রপক্ষ দেখতে আসবে বলে তাকে নাজিরপুর ভাইয়ের বাসায় রেখেছিলাম। কিন্তু সুযোগ বুঝে ওরা আমার মেয়েটাকে তুলে নিয়ে গেছে। আমি আমার মেয়েকে ফেরত চাই। এ বিষয়ে ইউপি মেম্বার কাঞ্জিলাল বলেন, এভাবে একটি মেয়ে প্রকাশ্যে অপহরণ হবে বিষয়টি মর্মান্তিক। মেয়েটির একটি প্রবাসী পাত্রের সাথে বিয়ের কথা চলছিল। তবে অভিযুক্ত রুবেল হাওলাদারের বিষয়ে ভুক্তভোগী কলেজ ছাত্রীর সমস্যা নিয়ে আমরা অনেকবার সাবধান করেছি। মেয়েটি স্বেচ্ছায়
চলে গেছে না অনিচ্ছায় নিয়ে গেছে বুঝতে পারছি না। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক পলাশ মন্ডল বলেন, বিষয়টি শুনেছি। সমস্যাটা হচ্ছে ভুক্তভোগী মেয়েটি হচ্ছে হিন্দু আর অভিযুক্ত মো. রুবেল হাওলাদার হচ্ছে মুসলিম। যে কারণে সামাজিকভাবে আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হচ্ছে। যদি অভিযুক্ত মো. রুবেল হাওলাদার অপরাধ করে থাকে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে দৈহারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জাহারুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী মেয়ের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত মো. রুবেল হাওলাদারকে পরিষদে ডেকে এনে শাসিয়ে ছিলাম। শুনেছি মেয়েটিকে পাওয়া যাচ্ছে না। তার বাবা মামলা করেছেন। এখন বিষয়টি প্রশাসন ও আদালতের মাধ্যমে সমাধান হবে। এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার অফিসার
ইনচার্জ মো. বনি আমিন বলেন, এ বিষয়ে প্রথমে থানায় সাধারণ ডায়েরি করলেও শুনেছি পরবর্তীতে পিরোজপুর কোর্টে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা ভুক্তভোগী পরিবারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।
শ্রীরামকাঠি প্রণব আশ্রমের সামনের রাস্তা থেকে ভুক্তভোগী কলেজ ছাত্রীকে একটি অজ্ঞাত নামা ইজি বাইকে করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে তুলে নিয়ে যায়। তারপর ওই কলেজ ছাত্রীকে না পেয়ে গত ১৫ মার্চ নেছারাবাদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ওই কলেজ ছাত্রী ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে তার পরিবারকে বলেন, "মো. রুবেল হাওলাদার সহ অন্যান্যদের সহযোগিতায় আমাকে অপহরণ করে একটি অপরিচিত বাসা বাড়িতে রেখে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করতেছে। আমাকে তাদের কবর থেকে বাঁচাও না হইলে ওরা আমাকে মেরে ফেলবে।" এ কথা শেষ হতে না হতেই মেয়ের কাছ থেকে মোবাইল ফোন টেনে নেয় বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কলেজ ছাত্রীর বাবা। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কলেজ ছাত্রীর বাবা বলেন,
আমার মেয়ে নাজিরপুর উপজেলার ঘোষকাটি কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। কলেজে যাওয়া আসার পথে পাশের গ্রামের মো. রুবেল হাওলাদার নামের একটি বখাটে ছেলে উত্ত্যক্ত করত। এ নিয়ে একাধিকবার তাকে বারণ করা হয়েছিল। এমনকি জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসনও করেছিলাম। মেয়ের জন্য বিয়ের কথা চলছিল। পাত্রপক্ষ দেখতে আসবে বলে তাকে নাজিরপুর ভাইয়ের বাসায় রেখেছিলাম। কিন্তু সুযোগ বুঝে ওরা আমার মেয়েটাকে তুলে নিয়ে গেছে। আমি আমার মেয়েকে ফেরত চাই। এ বিষয়ে ইউপি মেম্বার কাঞ্জিলাল বলেন, এভাবে একটি মেয়ে প্রকাশ্যে অপহরণ হবে বিষয়টি মর্মান্তিক। মেয়েটির একটি প্রবাসী পাত্রের সাথে বিয়ের কথা চলছিল। তবে অভিযুক্ত রুবেল হাওলাদারের বিষয়ে ভুক্তভোগী কলেজ ছাত্রীর সমস্যা নিয়ে আমরা অনেকবার সাবধান করেছি। মেয়েটি স্বেচ্ছায়
চলে গেছে না অনিচ্ছায় নিয়ে গেছে বুঝতে পারছি না। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক পলাশ মন্ডল বলেন, বিষয়টি শুনেছি। সমস্যাটা হচ্ছে ভুক্তভোগী মেয়েটি হচ্ছে হিন্দু আর অভিযুক্ত মো. রুবেল হাওলাদার হচ্ছে মুসলিম। যে কারণে সামাজিকভাবে আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হচ্ছে। যদি অভিযুক্ত মো. রুবেল হাওলাদার অপরাধ করে থাকে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে দৈহারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জাহারুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী মেয়ের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত মো. রুবেল হাওলাদারকে পরিষদে ডেকে এনে শাসিয়ে ছিলাম। শুনেছি মেয়েটিকে পাওয়া যাচ্ছে না। তার বাবা মামলা করেছেন। এখন বিষয়টি প্রশাসন ও আদালতের মাধ্যমে সমাধান হবে। এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার অফিসার
ইনচার্জ মো. বনি আমিন বলেন, এ বিষয়ে প্রথমে থানায় সাধারণ ডায়েরি করলেও শুনেছি পরবর্তীতে পিরোজপুর কোর্টে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা ভুক্তভোগী পরিবারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।



