সাত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
     ৬:৪৮ পূর্বাহ্ণ

সাত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয়

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ | ৬:৪৮ 186 ভিউ
ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ৫৫তম বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলনে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে দুই দেশ সম্মত হলেও এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা অতীত অভিজ্ঞতা উল্লে­খ করে বলেন, এমন প্রতিশ্রুতি আগে অনেকবার দেওয়া হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন তেমন দেখা যায়নি। এবারও কি সিদ্ধান্তগুলো শুধু কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি কার্যকর হবে এ নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত হত্যার ঘটনা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা, প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার বন্ধ করা, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান রোধের প্রতিশ্রুতি বিএসএফ’র আগেও বহুবার দিয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, প্রতিশ্রুতির পরও সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের গুলিতে ঝরে যাওয়া প্রাণের সংখ্যা কমেনি। এবার যে সাত সিদ্ধান্তে দুই দেশ সম্মত হয়েছে, তা কতটা বাস্তবায়িত

হবে, সেটাই দেখার বিষয়। এ ব্যাপারে কূটনীতি বিশেষজ্ঞ সাবেক রাষ্ট্রদূত নাসিমা হায়দার শনিবার সন্ধ্যায় বলেন, ভারতের সঙ্গে বর্তমানে বাংলাদেশের সমসম্পর্ক ততটা ভালো নয়। ভারত ইতোপূর্বে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় না আসা পর্যন্ত তারা কোনো বিষয় নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি নয়। এরই মধ্যে এই সীমান্ত সম্মেলনে যেসব প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে, তা আমার মনে হয় কাগজে কলমেই সীমাবদ্ধ থাকবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, অতীতে বিজিবি সীমান্ত ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নিতে পারত না। তবে এবার পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। বিজিবি যে এখন আগের মতো নয়, তা ভারতীয় পক্ষ ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছে। এবার বিজিবি বুক চিতিয়ে কথা বলেছে। সীমান্ত সম্মেলনে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ

আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী স্পষ্টভাবেই সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিএসএফের মহাপরিচালক দলজিৎ সিং চৌধুরীর কাছে তিনি এসব হত্যাকাণ্ড শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানান। সংশ্লিষ্টদের মতে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের জটিল সমীকরণে এসব সিদ্ধান্ত কাগজ থেকে বাস্তবে নামবে কি-না, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। এদিকে সম্মেলনে বিএসএফ মহাপরিচালক সীমান্ত হত্যা বন্ধে ‘অ-প্রাণঘাতী নীতি’ অনুসরণের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এখন দেখার বিষয়, প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন কতদূর হয়, নাকি আবারও সীমান্তের এই সংকট অমীমাংসিতই থেকে যায়! সম্মেলনে গৃহীত সিদ্ধান্ত সীমান্ত হত্যা শূন্যকরণ : সীমান্তে নিরস্ত্র নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো, হত্যা ও মারধরের ঘটনা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যৌথ টহল

বাড়ানোর সিদ্ধান্ত। গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় : সীমান্ত অপরাধ দমনে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে তাৎক্ষণিক ও আগাম গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বাড়ানোর উদ্যোগ। সচেতনতা বৃদ্ধি ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম : সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মসূচি গ্রহণ ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন। হত্যার তদন্ত ও ব্যবস্থা : সীমান্তে যে কোনো ধরনের হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে যথাযথ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে। ১৫০ গজের মধ্যে স্থাপনা নির্মাণে কঠোরতা : সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে স্থাপনা, কাঁটাতারের বেড়া বা প্রতিরক্ষামূলক কাঠামো নির্মাণের আগে যৌথ পরিদর্শন ও আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালান প্রতিরোধ : ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজা, স্বর্ণ, জাল

মুদ্রা ও অস্ত্র চোরাচালানসহ সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে যৌথ উদ্যোগ নেওয়া। মানব পাচার রোধে কঠোর ব্যবস্থা : সীমান্ত পথে মানব পাচার বন্ধ করতে উভয় দেশ একসঙ্গে কাজ করবে এবং পাচারের শিকার ব্যক্তিদের উদ্ধারে সহযোগিতা বাড়াবে। প্রসঙ্গত, ভারতের নয়াদিল্লিতে ১৭ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি- চার দিনব্যাপী এ সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে বিজিবি প্রধানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ১৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
“যে ব্যালটে নৌকা প্রতীক নাই, যেখানে আওয়ামী লীগ নির্বাচন করতে পারবে না, সেখানে আমাদের ভোটাররা কেউ ভোট দিবে না” -দেশরত্ন শেখ হাসিনা সংকীর্তনে হামলা- ইউনুস–জামাতের নীরব আশ্রয়ে উগ্রবাদ এখন মকরসংক্রান্তির উৎসবকেও রেহাই দিচ্ছে না। ভোট নয়, এটা ফাঁদ – বাংলাদেশকে রক্ষা করতে এই পাতানো নির্বাচনে অংশ নেবেনা বাংলাদেশ বৈধতাহীন সরকারের কূটনৈতিক অক্ষমতার দাম চুকাচ্ছে সীমান্তের পঙ্গু মানুষেরা ভ্যাকু দিয়ে ২০০ বছরের মন্দির ভাঙা কোনো দুর্ঘটনা নয়, এটা পরিকল্পিত বার্তা—এই দেশে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ নয় আওয়ামী লীগের সমর্থকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ফেব্রুয়ারির এই একতরফা নির্বাচন বর্জন করতে হবে রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে নির্বাচন? সরকারের নিষ্ক্রিয়তায় দেশে প্রতিদিন গড়ে ১১ খুন অসংবিধানিক গণভোটে সংবিধান বাতিলের আশঙ্কা, রাষ্ট্রব্যবস্থা হুমকিতে বিদ্যুৎ খাতের হিসাবনিকাশ, ভর্তুকির পাহাড়, উন্নয়নের সাফল্য থেকে লোকসানের গভীর সংকটে সেনাবাহিনীতে বড় রদবদল, CGS ও PSO পদে পরিবর্তন মোবাইল ফোনের দাম কমবে ৫ হাজার টাকার বেশি! ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বাসচাপায় নিহত ৬ ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ চূড়ান্ত’ বাংলাদেশের প্রস্তাব না মানলে পাকিস্তান বিশ্বকাপে খেলবে কি না ভাববে ১৫ প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করল ডিএনসিসি বিয়ে করলে ১৬ লাখ, সন্তান হলে ৩২ লাখ টাকা করাচিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৬ গ্রিনল্যান্ড দখলে ট্রাম্পের শুল্ক হুমকি অগ্রহণযোগ্য: ইউরোপীয় নেতারা শীতার্ত মানুষের জন্য আগামীকাল গাইবে চার ব্যান্ড দুই সিনেমায় তমা মির্জা