অসংবিধানিক গণভোটে সংবিধান বাতিলের আশঙ্কা, রাষ্ট্রব্যবস্থা হুমকিতে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

অসংবিধানিক গণভোটে সংবিধান বাতিলের আশঙ্কা, রাষ্ট্রব্যবস্থা হুমকিতে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ |
দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সাম্প্রতিক সময়ে যে ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক তথ্য আলোচনায় আসছে, সেগুলো সত্য হলে তথাকথিত গণভোটের পর বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা, সংবিধান ও গণতন্ত্র এক গভীর সংকটে পতিত হবে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি অনুযায়ী, সরকারের পক্ষ থেকে গোপনে একটি অসংবিধানিক গণভোট পরিচালনার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই অনেকটাই এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, আগেভাগেই “হ্যাঁ” ভোটে সিল মারা ব্যালট বাক্সে ভরে রাখা হয়েছে এবং একটি নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বলে বলা হচ্ছে। যদি এই তথাকথিত গণভোট সম্পন্ন করে পরিকল্পিতভাবে “হ্যাঁ” ভোটকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়, তবে দেশে চরম বিশৃঙ্খলা ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হওয়া অবশ্যম্ভাবী। কারণ এর সরাসরি পরিণতি হবে বর্তমান সংবিধান বাতিল করে একটি

নতুন সংবিধান জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া—যা সম্পূর্ণরূপে অসাংবিধানিক ও গণতন্ত্রবিরোধী। সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো, প্রস্তাবিত এই নতুন সংবিধানে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত সংবিধান ও মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্র বাদ পড়ার আশঙ্কা। তার পরিবর্তে তথাকথিত “২৪-এর ঘোষণাপত্র” অন্তর্ভুক্ত করে রাষ্ট্রচিন্তা ও আদর্শকে আমূল পরিবর্তনের পরিকল্পনার কথা শোনা যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, ইউনুস সরকারের নেতৃত্বে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হলে স্বাধীন বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়বে এবং আদর্শিকভাবে দেশকে পাকিস্তানের রাজনৈতিক পথের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলতে পারে। আরও গুরুতর অভিযোগ হচ্ছে, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বর্তমান কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ বাতিল করে দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে—বিশেষ করে জামায়াত-শিবির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের—নতুন করে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। এমনকি পুলিশ ও

সেনাবাহিনীতে উগ্রবাদী বা জঙ্গি মতাদর্শে বিশ্বাসী প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার আশঙ্কাও প্রকাশ পাচ্ছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। এছাড়া আফগানিস্তানের আদলে দেশের সেনাবাহিনীকে তথাকথিত “মুজাহিদ বাহিনী”তে রূপান্তর, বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ এবং বাংলাদেশকে একটি মৌলবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করার নীলনকশার কথাও আলোচনায় রয়েছে। এসব অভিযোগ সত্য হলে তা হবে শুধু একটি রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়; বরং সংবিধান, গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও রাষ্ট্রের অস্তিত্বের ওপর সরাসরি আঘাত। এই সংকটময় সময়ে নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম, বিচার বিভাগ ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব হলো—যেকোনো মূল্যে সংবিধান ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা রক্ষা করা। বাংলাদেশ কোনো গোপন সিদ্ধান্ত, অসাংবিধানিক গণভোট বা উগ্রবাদী পরীক্ষার ক্ষেত্র হতে পারে না। রাষ্ট্র পরিচালিত হবে জনগণের ভোটে, মুক্তিযুদ্ধের

চেতনায় প্রণীত সংবিধানের আলোকে—এটাই জনগণের প্রত্যাশা এবং সেটাই হওয়া উচিত রাষ্ট্রের অঙ্গীকার। দেশপ্রেমিক নাগরিকদের এখন ঐক্যবদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিকভাবে সোচ্চার হয়ে অসংবিধানিক গণভোটের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া সময়ের দাবি। সংবিধান রক্ষার লড়াই মানেই বাংলাদেশকে রক্ষা করা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
কান উৎসবে প্রাধান্য পাচ্ছেন স্বাধীন নির্মাতারা যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ না তুললে পাকিস্তানে ইরানের প্রতিনিধি দল যাবে না ১২ কেজি এলপিজির দাম বেড়ে ১৯৪০ টাকা প্রতিনিধিরা আলোচনার জন্য পাকিস্তানে যাচ্ছেন, শান্তি চুক্তি ‘হবে’ : ট্রাম্প দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব: জ্বালানিমন্ত্রী ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৫ পয়সা করার প্রস্তাব হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে আইএমএফের সম্পর্ক নেই যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ না তোলা পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে নতুন বিতর্কে থালাপতি বিজয় শেখ মুজিবকে প্রাপ্ত সম্মান দিতে হবে: শাহাদাত হোসেন চবিতে পোস্টার হাতে ছাত্রলীগ নেতার অবস্থান এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী উৎপাদন বন্ধ হয়ে অচল দেশের সার কারখানাগুলো, আমদানি নির্ভরতায় বাংলাদেশ: জানালেন শিল্পমন্ত্রী এবার বন্ধ হয়ে গেল দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানাটিও জ্বালানি তেলের সংকট: দেশীয় কোম্পানির ট্যাংকারে উপচে পড়ছে পেট্রোল-অকটেন, নিচ্ছে না সরকার দুই সপ্তাহ ব্যবধানে নজিরবিহীন দুই দফা দাম বৃদ্ধি: ১২ কেজির এলপিজি এখন ১৯৪০ শরীফুলের স্পেলই নাকি কিউইদের মিরপুর জয়ের পথ দেখিয়েছে! তথ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে স্ক্রল আকারে সংবাদ প্রকাশের সমালোচনায় সাংবাদিক সায়ের বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের টাকায় এনজিও অভিযোগ সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের