ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ
নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ
দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
ভ্যাকু দিয়ে ২০০ বছরের মন্দির ভাঙা কোনো দুর্ঘটনা নয়, এটা পরিকল্পিত বার্তা—এই দেশে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ নয়
ভ্যাকু দিয়ে ২০০ বছরের মন্দির ভাঙা কোনো দুর্ঘটনা নয়, এটা পরিকল্পিত বার্তা—এই দেশে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ নয়। ইউনুস–জামাতের বাংলাদেশে সংখ্যালঘু মানেই টার্গেট।
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় প্রায় দুইশ বছরের পুরোনো শ্রী শ্রী কালী মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা দেশের সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে আবারও ভয়ংকর প্রশ্ন তুলেছে। ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় খোশবাস দক্ষিণ ইউনিয়নের চালিয়া বড় দিঘির পাড় এলাকায় কোনো উস্কানি ছাড়াই ঐতিহ্যবাহী এই মন্দিরটি ভ্যাকু দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
বরুড়া পৌরসভার দেওড়া ভূঁইয়া বাড়ির আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুল্লাহ আল ফাহিম এক ভ্যাকু চালকের সহায়তায় পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালায়। এই মন্দির শুধু একটি উপাসনালয় নয়, বরং ওই এলাকার হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শতাব্দীপ্রাচীন বিশ্বাস ও ইতিহাসের অংশ। তবুও
দিনের আলো ফুরোতেই এমন দুঃসাহসী হামলা প্রমাণ করে, উগ্রবাদীরা এখন আর কিছুই ভয় পায় না। অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের সময়ে ক্ষমতার ছায়া পেয়ে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, মন্দির ভাঙচুর, নিপীড়ন ও হত্যার ঘটনা বেড়েই চলেছে। ক্ষমতা দখলের পর থেকেই সারাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর এক ধরনের অঘোষিত নিপীড়ন নেমে এসেছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, জামায়াত-বিএনপি রাজনীতির উত্থান ঘটলেই সংখ্যালঘুরা সবচেয়ে বেশি টার্গেট হয়। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি চলতে থাকলে উগ্রবাদীরাই আইন হয়ে উঠবে, আর সংখ্যালঘুরা থেকে যাবে অনিশ্চয়তার অন্ধকারে।
দিনের আলো ফুরোতেই এমন দুঃসাহসী হামলা প্রমাণ করে, উগ্রবাদীরা এখন আর কিছুই ভয় পায় না। অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের সময়ে ক্ষমতার ছায়া পেয়ে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, মন্দির ভাঙচুর, নিপীড়ন ও হত্যার ঘটনা বেড়েই চলেছে। ক্ষমতা দখলের পর থেকেই সারাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর এক ধরনের অঘোষিত নিপীড়ন নেমে এসেছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, জামায়াত-বিএনপি রাজনীতির উত্থান ঘটলেই সংখ্যালঘুরা সবচেয়ে বেশি টার্গেট হয়। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি চলতে থাকলে উগ্রবাদীরাই আইন হয়ে উঠবে, আর সংখ্যালঘুরা থেকে যাবে অনিশ্চয়তার অন্ধকারে।



