ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাফল্যের মাঝে বিতর্ক, আদালতে ছুটলেন ‘ধুরন্ধর’ নির্মাতা
সংবাদ সম্মেলনে অঝোরে কাঁদলেন নিশো
ট্রফিটা শুধু পুরস্কার নয়, এটা অনেক বড় দায়িত্ব: বর্ণিতা
আইনি ব্যবস্থা নিতে থানায় প্রিয়াঙ্কা, সঙ্গে প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণারা
পুনম কি অন্তঃসত্ত্বা, ছবি ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে
গ্র্যামির মঞ্চে আইসকে কটুক্তি বানির, অশালীন গালি দিলেন বিলি
১৫ বছর বয়সে বিয়ে, প্রশংসায় ভাসছেন সেই লুবাবা
আমিশার ফোন নম্বর কী নামে সেভ করেছেন হৃতিক?
শুটিং সেটেই দারুণ বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে এক সময়ের বলিউডের জনপ্রিয় জুটি হৃতিক রোশন-আমিশা প্যাটেলের। ২০০০ সালে মুক্তি পায় হৃতিক-আমিশার ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’।
এই সিনেমার হাত ধরেই বলিউডে অভিষেক হয় হৃত্বিক এবং আমিশার। দু’জনেই তখন বলিউডে নবাগত। বাবা রাকেশ রোশনের সূত্রে হৃত্বিক ক্যামেরার পিছনে তার আগে কাজ করলেও, আমিশা ছিলেন একেবারে আনকোড়া। অভিনেতা হিসাবে হৃতিকের প্রথম কাজ। সেই যোগাযোগ অটুট আছে এখনও।
সম্প্রতি এক ইন্টারভিউয়ে জানিয়েছেন আমিশা। হৃত্বিকের সঙ্গে এখনও মাঝেমাঝেই নাকি ফোনে কথা হয় অভিনেত্রীর। তবে দু’জনেরই ব্যস্ততার কারণে দেখা করার সুযোগ হয় না। দু’জনের বন্ধুত্ব এতটাই গভীর যে, একে-অপরের আদুরে নামেও ডাকেন। আমিশার কথায়, আমি প্রথম দিন থেকেই হৃতিককে ‘দুগু’
বলে ডাকি। প্রথম প্রথম এই নামে ডাকলেই হৃত্বিক রেগে যেতে। তবে পরে অবশ্য অভ্যাস হয়ে গিয়েছে। হৃতিকের ফোনে নাকি আমিশার ফোন নম্বরটি সেভ করা রয়েছে ‘হিরোইন’ বলে। হৃতিক নাকি সব সময় হিরোইন বলেই ডাকেন আমিশাকে। অভিনেত্রীর কথায়, ‘হৃতিক আমাকে কখনও আমিশা বলে ডাকেনি। দূর থেকে দেখলেও হিরোইন বলে চেঁচিয়েছে। এমনকী শেষ যে দিন হৃতিকের সঙ্গে হোয়াটস অ্যাপে কথা হলো, ও আমায় লিখে পাঠিয়েছিল, ‘থ্যাঙ্ক ইউ হিরোইন’।বলিউডে একই সময় পা রেখেছেন দু’জনে। একে-অন্য়ের দোষগুণের ব্যাপারেও ওয়াকিবহাল। আমিশার কথায়, ‘হৃতিক সেই অর্থে স্টার কিড। আমি একেবারে নতুন ছিলাম। কিন্তু হৃতিক কখনও সেটা বুঝতে দেয়নি। ওর বাবা রাকেশ রোশন বলে আলাদা করে কোনও অ্যাটিটিউড ছিল
না হৃতিকের। বরং হৃতিককে দেখেছি ও আমার মতোই সব সময় সব কিছু নিয়ে ভয়ে থাকতো।
বলে ডাকি। প্রথম প্রথম এই নামে ডাকলেই হৃত্বিক রেগে যেতে। তবে পরে অবশ্য অভ্যাস হয়ে গিয়েছে। হৃতিকের ফোনে নাকি আমিশার ফোন নম্বরটি সেভ করা রয়েছে ‘হিরোইন’ বলে। হৃতিক নাকি সব সময় হিরোইন বলেই ডাকেন আমিশাকে। অভিনেত্রীর কথায়, ‘হৃতিক আমাকে কখনও আমিশা বলে ডাকেনি। দূর থেকে দেখলেও হিরোইন বলে চেঁচিয়েছে। এমনকী শেষ যে দিন হৃতিকের সঙ্গে হোয়াটস অ্যাপে কথা হলো, ও আমায় লিখে পাঠিয়েছিল, ‘থ্যাঙ্ক ইউ হিরোইন’।বলিউডে একই সময় পা রেখেছেন দু’জনে। একে-অন্য়ের দোষগুণের ব্যাপারেও ওয়াকিবহাল। আমিশার কথায়, ‘হৃতিক সেই অর্থে স্টার কিড। আমি একেবারে নতুন ছিলাম। কিন্তু হৃতিক কখনও সেটা বুঝতে দেয়নি। ওর বাবা রাকেশ রোশন বলে আলাদা করে কোনও অ্যাটিটিউড ছিল
না হৃতিকের। বরং হৃতিককে দেখেছি ও আমার মতোই সব সময় সব কিছু নিয়ে ভয়ে থাকতো।



