ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙচুর ও নাশকতার দায় স্বীকার ছাত্রদলের
সারাদেশে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছিলাম, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের স্বীকারোক্তি
জুলাই সিডিআই বলায় শাওনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নাম আছে মাহিরও
তারেক রহমান: বিচারের নামে কারো প্রতি যেন ‘অবিচার’ করা না হয়
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভোটার হওয়ার সময় বাড়ল
‘বিবেক কাজ করেনি’, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ে মদ্যপান-মাতলামির পর প্রধান শিক্ষকের ভাষ্য
৬ নবজাতকের মৃত্যু: অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করছে না আদ-দ্বীন হাসপাতাল
ঢাকার আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় নবজাতকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। প্রতিবেদনটি সরাসরি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এর আগে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়েছিল, তদন্ত কার্যক্রম শেষ হয়েছে এবং রোববার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনের মানবসম্পদ ও কোম্পানি অ্যাফেয়ার পরিচালক তারিকুল ইসলাম মুকুল বলেন, সরকারি তদন্ত কমিটির কার্যক্রম চলমান থাকায় তারা নিজেদের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করবেন না। ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ও ইউরোলজিস্ট অধ্যাপক আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ সদস্যের কমিটি তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তবে তদন্তে কী তথ্য উঠে এসেছে,
সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তাঁর ভাষ্য, আজ অথবা আগামীকালের মধ্যে প্রতিবেদনটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করা হবে। গত ২৭ মে হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ রুমে এক থেকে তিন দিন বয়সী ছয় নবজাতকের মৃত্যু হলে ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত না হলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ধারণা, সংশ্লিষ্ট কক্ষের কোনো কারিগরি ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পৃথক একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা প্রথমে ৩১ মে পর্যন্ত নির্ধারণ করা হলেও পরে তা বাড়িয়ে আগামী ৩ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালে শনিবার হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতাল-সংলগ্ন একটি ভবনের ওপরের তলায় একটি বেকারি কারখানা দেখতে পান। পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এ ধরনের কারখানা থাকা উচিত নয়। সেখানে জমে থাকা পানি পরীক্ষা করা হবে এবং কারখানা থেকে কোনো গ্যাস বা রাসায়নিক পদার্থ নির্গত হচ্ছে কি না, তা বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হবে। তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট কক্ষের ভেতরে একটি গন্ধ পাওয়া গেছে, যা তদন্তে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। এদিকে মন্ত্রীর হাসপাতাল ত্যাগের পর সেখানে প্রবেশকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের কর্মীদের সঙ্গে দায়িত্বরত সাংবাদিকদের বাগ্বিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে কয়েকজন সাংবাদিককে ধাওয়া দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে তারা জানিয়েছে, নবজাতকদের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে।
সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তাঁর ভাষ্য, আজ অথবা আগামীকালের মধ্যে প্রতিবেদনটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করা হবে। গত ২৭ মে হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ রুমে এক থেকে তিন দিন বয়সী ছয় নবজাতকের মৃত্যু হলে ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত না হলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ধারণা, সংশ্লিষ্ট কক্ষের কোনো কারিগরি ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পৃথক একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা প্রথমে ৩১ মে পর্যন্ত নির্ধারণ করা হলেও পরে তা বাড়িয়ে আগামী ৩ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালে শনিবার হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতাল-সংলগ্ন একটি ভবনের ওপরের তলায় একটি বেকারি কারখানা দেখতে পান। পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এ ধরনের কারখানা থাকা উচিত নয়। সেখানে জমে থাকা পানি পরীক্ষা করা হবে এবং কারখানা থেকে কোনো গ্যাস বা রাসায়নিক পদার্থ নির্গত হচ্ছে কি না, তা বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হবে। তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট কক্ষের ভেতরে একটি গন্ধ পাওয়া গেছে, যা তদন্তে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। এদিকে মন্ত্রীর হাসপাতাল ত্যাগের পর সেখানে প্রবেশকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের কর্মীদের সঙ্গে দায়িত্বরত সাংবাদিকদের বাগ্বিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে কয়েকজন সাংবাদিককে ধাওয়া দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে তারা জানিয়েছে, নবজাতকদের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে।



