ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জেলায় জেলায় বাড়ছে আ.লীগের কর্মসূচি, নেতাদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা
শব্দ ও বয়ানের রাজনীতি: বয়েলিং ফ্রগ সিনড্রোম
৩৪.১% শুল্ক থেকে কি মিলবে স্বস্তি? অনিশ্চয়তায় অর্ডার সংকট ও রপ্তানি খাত
আগের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি ব্যয় মেট্রোরেলের নতুন দুই রুটে, প্রশ্নবিদ্ধ দরপত্র প্রক্রিয়া
সারা দেশে শহীদ দিবসে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে উজ্জীবিত আওয়ামী লীগ
বিএনপি ক্ষমতা নেওয়ার পর ভারতে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা, বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৮
ড. খলিলুর রহমান: পর্দার আড়ালের এক ভয়ঙ্কর ‘কিংমেকার’
১৯৭১ শেষ হয়নি, ডালিম-ফারুকের রিলে রেস থামেনি, শুধু দৌড়বিদ বদলেছে
পঞ্চাশ বছর পরেও এই দেশে পাকিস্তান থেকে যায়নি। সেটা বুঝতে হলে ২০২৪ এর ৫ আগস্টের পর যা ঘটেছে সেদিকে একটু মনোযোগ দিতে হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনার পনেরো বছরের শাসনে অনেক কিছু হয়েছে, ভালো মন্দ দুটোই আছে, সেই হিসেব আলাদাভাবে করা যাবে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যের মাথায় প্রস্রাব করা, সেই বিখ্যাত তর্জনীর ভাস্কর্য হাতুড়ি দিয়ে গুঁড়ো করা, মুজিবনগর কমপ্লেক্সে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসংবলিত ভাস্কর্যগুলো একটার পর একটা ভেঙে ফেলা, এগুলোকে কি শেখ হাসিনার তথাকথিত দুর্নীতির প্রতিক্রিয়া বলা যায়? কোনোভাবেই না।
এটা প্রতিশোধ। ১৯৭১ সালে যারা হেরেছিল তাদের প্রতিশোধ।
জামায়াতে ইসলামী এই দেশে যুদ্ধাপরাধী সংগঠন হিসেবে প্রমাণিত, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাদের নেতাদের ফাঁসি হয়েছে।
গোলাম আযম থেকে শুরু করে মতিউর রহমান নিজামী পর্যন্ত, এরা প্রত্যেকে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে থেকে বাংলাদেশের মানুষ হত্যায় সহযোগিতা করেছে। এই সত্য ইতিহাসের রেকর্ডে আছে। কিন্তু ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে এসে দেখা যাচ্ছে সেই সংগঠন সগৌরবে আবার মাথা তুলে ফেলেছে, রাজনীতিতে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে এবং যারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রক্ষা করতে চায় তাদের কোণঠাসা করা হচ্ছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল। তাঁর শাসনের সাড়ে তিন বছরে যা-ই হোক না কেন, একটা গোটা পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত, সেটা কোনো রাজনৈতিক অভিযোগ থেকে আসে না। সেটা আসে বংশ নির্মূলের সেই পুরনো প্রতিহিংসা থেকে যেখানে বার্তাটা পরিষ্কার
ছিল, এই লোক পাকিস্তান ভেঙেছে, তার রক্তের কেউ যেন না থাকে। ডালিম, ফারুক, রশিদ যে কাজ শুরু করেছিল সেই একই মানসিকতার উত্তরসূরিরা এখনও আছে। জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের সঙ্গে থাকা বিভিন্ন ইসলামি উগ্রবাদী সংগঠনগুলো বাংলাদেশকে কখনো মেনে নেয়নি। তারা মেনে নেয়নি মানে শুধু ইতিহাসের বইয়ে দ্বিমত পোষণ করেছে তা নয়, তারা সক্রিয়ভাবে এই রাষ্ট্রের ভিত্তির বিরুদ্ধে কাজ করে গেছে দশকের পর দশক ধরে। তারা চায় বাংলাদেশ যেন কার্যত পাকিস্তানের একটা ভাবাদর্শিক প্রদেশ হিসেবে থাকে, নামে স্বাধীন কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্যুত। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা, মুজিবকে ভিলেন বানানো, ৭ মার্চের ভাষণকে মুছে দেওয়ার চেষ্টা এই পরিকল্পনারই অংশ। আওয়ামী লীগকে রাজনীতি থেকে
নিষিদ্ধ করার যে দাবি উঠছে সেটা গণতন্ত্রের ভাষায় বললে একটা রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার দাবি। কিন্তু আসল কথাটা হলো এই দাবির পেছনে আছে মুক্তিযুদ্ধের শক্তিকে স্থায়ীভাবে ক্ষমতার বাইরে রাখা। কারণ আওয়ামী লীগ এই দেশে একমাত্র বড় দল যার ১৯৭১ সালের সঙ্গে সরাসরি নাড়ির যোগ আছে। সেই দলটা না থাকলে মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারও থাকে না। শেখ হাসিনার শাসনের সমালোচনা করা যায়, সেই সমালোচনা অনেকে করেছেও। কিন্তু তাঁকে দেশে এনে বিচার করার নামে যা করা হবে সেটা বিচার হবে না। ১৯৭৫ সালের রিলে রেসের পরের দৌড় হবে। তাঁর সন্তান জয় ও পুতুলের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে যে আশঙ্কা সেটা অমূলক নয়, কারণ ইতিহাস বলে
এই প্রতিহিংসা বংশ দেখে। মুক্তিযুদ্ধ শুধু ১৯৭১ সালের নয়মাসের ঘটনা নয়। এটা একটা চলমান লড়াই। যতদিন এই দেশে জামায়াতের মতো সংগঠন আছে, যতদিন পাকিস্তানকে ভাঙার জন্য এই দেশের প্রতিষ্ঠাতাকে অপরাধী ভাবা হয়, ততদিন মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়নি। আওয়ামী লীগ আর শেখ হাসিনার ফেরার প্রশ্নটা তাই শুধু একটা দলের ক্ষমতায় ফেরার প্রশ্ন নয়, এটা মুক্তিযুদ্ধের শক্তির ফেরার প্রশ্ন। এখানে আপোষ করার কিছু নেই।
গোলাম আযম থেকে শুরু করে মতিউর রহমান নিজামী পর্যন্ত, এরা প্রত্যেকে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে থেকে বাংলাদেশের মানুষ হত্যায় সহযোগিতা করেছে। এই সত্য ইতিহাসের রেকর্ডে আছে। কিন্তু ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে এসে দেখা যাচ্ছে সেই সংগঠন সগৌরবে আবার মাথা তুলে ফেলেছে, রাজনীতিতে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে এবং যারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রক্ষা করতে চায় তাদের কোণঠাসা করা হচ্ছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল। তাঁর শাসনের সাড়ে তিন বছরে যা-ই হোক না কেন, একটা গোটা পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত, সেটা কোনো রাজনৈতিক অভিযোগ থেকে আসে না। সেটা আসে বংশ নির্মূলের সেই পুরনো প্রতিহিংসা থেকে যেখানে বার্তাটা পরিষ্কার
ছিল, এই লোক পাকিস্তান ভেঙেছে, তার রক্তের কেউ যেন না থাকে। ডালিম, ফারুক, রশিদ যে কাজ শুরু করেছিল সেই একই মানসিকতার উত্তরসূরিরা এখনও আছে। জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের সঙ্গে থাকা বিভিন্ন ইসলামি উগ্রবাদী সংগঠনগুলো বাংলাদেশকে কখনো মেনে নেয়নি। তারা মেনে নেয়নি মানে শুধু ইতিহাসের বইয়ে দ্বিমত পোষণ করেছে তা নয়, তারা সক্রিয়ভাবে এই রাষ্ট্রের ভিত্তির বিরুদ্ধে কাজ করে গেছে দশকের পর দশক ধরে। তারা চায় বাংলাদেশ যেন কার্যত পাকিস্তানের একটা ভাবাদর্শিক প্রদেশ হিসেবে থাকে, নামে স্বাধীন কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্যুত। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা, মুজিবকে ভিলেন বানানো, ৭ মার্চের ভাষণকে মুছে দেওয়ার চেষ্টা এই পরিকল্পনারই অংশ। আওয়ামী লীগকে রাজনীতি থেকে
নিষিদ্ধ করার যে দাবি উঠছে সেটা গণতন্ত্রের ভাষায় বললে একটা রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার দাবি। কিন্তু আসল কথাটা হলো এই দাবির পেছনে আছে মুক্তিযুদ্ধের শক্তিকে স্থায়ীভাবে ক্ষমতার বাইরে রাখা। কারণ আওয়ামী লীগ এই দেশে একমাত্র বড় দল যার ১৯৭১ সালের সঙ্গে সরাসরি নাড়ির যোগ আছে। সেই দলটা না থাকলে মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারও থাকে না। শেখ হাসিনার শাসনের সমালোচনা করা যায়, সেই সমালোচনা অনেকে করেছেও। কিন্তু তাঁকে দেশে এনে বিচার করার নামে যা করা হবে সেটা বিচার হবে না। ১৯৭৫ সালের রিলে রেসের পরের দৌড় হবে। তাঁর সন্তান জয় ও পুতুলের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে যে আশঙ্কা সেটা অমূলক নয়, কারণ ইতিহাস বলে
এই প্রতিহিংসা বংশ দেখে। মুক্তিযুদ্ধ শুধু ১৯৭১ সালের নয়মাসের ঘটনা নয়। এটা একটা চলমান লড়াই। যতদিন এই দেশে জামায়াতের মতো সংগঠন আছে, যতদিন পাকিস্তানকে ভাঙার জন্য এই দেশের প্রতিষ্ঠাতাকে অপরাধী ভাবা হয়, ততদিন মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়নি। আওয়ামী লীগ আর শেখ হাসিনার ফেরার প্রশ্নটা তাই শুধু একটা দলের ক্ষমতায় ফেরার প্রশ্ন নয়, এটা মুক্তিযুদ্ধের শক্তির ফেরার প্রশ্ন। এখানে আপোষ করার কিছু নেই।



