ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন নয়, নামসর্বস্ব প্রহসন : আন্তর্জাতিক সতর্কতা
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে কি না, তার চেয়ে বড় কথা হলো সেই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক হবে কি না
২৬ জানুয়ারির আগে হাই অ্যালার্ট: দিল্লি সহ বড় শহরগুলিতে সন্ত্রাসী নাশকতার আশঙ্কা, গোয়েন্দাদের কড়া সতর্কতা
সুন্দরবনের মধু থেকে হাইকোর্টের শীর্ষ স্থান: সেকালের ‘হানি ট্র্যাপ’ কি আজও বিচারীয় পটভূমিকে প্রশ্ন করছে?”
লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসান: সেনাবাহিনীর নৈতিকতার বড় প্রশ্নচিহ্ন ছাত্রশিবির করা কামরুল হাসানকে ঘিরে নারী কেলেঙ্কারি ও বিদেশী কূটনৈতিক লবিং এর অভিযোগ
বাংলাদেশ কি এখন পরাশক্তির দাবার বোর্ড? ড. ইউনূস সরকারের কূটনীতি না কি রাষ্ট্রীয় আত্মসমর্পণের নীলনকশা
জাতিসংঘ প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত
হিন্দুদের জ্যান্ত পোড়ানোর পরিকল্পনা, জামায়াত-শিবিরের আগুনে তটস্থ বাংলাদেশ
বাংলাদেশে ৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই সংখ্যালঘু হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপর যে পরিকল্পিত হামলা শুরু হয়েছে, তা এখন চরম নৃশংসতায় রূপ নিয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রামে গত পাঁচ দিনে চারটি সংখ্যালঘু পরিবারের ঘরে বাহির থেকে দরজা আটকে আগুন দেওয়ার ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়; বরং এটি ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের ছত্রছায়ায় জামায়াত-শিবিরের একটি পরিকল্পিত ‘এথনিক ক্লিনসিং’ বা জাতিগত নিধনের অংশ বলে অভিযোগ উঠেছে।
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় গত পাঁচ দিনে একের পর এক হিন্দু পরিবারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই একই কায়দা: ভোররাতে বাইরে থেকে দরজা আটকে দিয়ে পেট্রোল বা কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া। এতে ঘুমন্ত পরিবারগুলো প্রাণে
বেঁচে গেলেও তাদের ঘরবাড়ি, সম্পদ এবং পোষ্য প্রাণীগুলো পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এই ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়—এটি স্পষ্টভাবে ধর্মীয় পরিচয়ভিত্তিক টার্গেটেড সন্ত্রাস এবং সংখ্যালঘু নিধনের একটি পরিকল্পিত অংশ। সর্বশেষ ঘটনা ঘটে ২৩ ডিসেম্বর ভোরে রাউজান পৌরসভার সুলতানপুর গ্রামে। প্রবাসী সুখ শীল ও অনিল শীলের বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা উত্তাপ অনুভব করে জেগে উঠে দেখেন দরজা বাইরে থেকে লক করা। অল্পের জন্য টিনের চাল ও বাঁশের বেড়া কেটে তারা প্রাণে বাঁচেন। এর আগে একই উপজেলার ঢেউয়াপাড়া, কেউটিয়া বড়ুয়াপাড়া সহ অন্যান্য এলাকায় একই ধরনের অগ্নিসংযোগ হয়েছে। স্থানীয় সূত্র অনুসারে, এ নিয়ে পাঁচ দিনে চার থেকে ছয়টি হিন্দু পরিবারের বাড়ি টার্গেট
করা হয়েছে। এই অগ্নিকাণ্ডগুলোর পর পুলিশ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং বিশেষ নিরাপত্তা টিম গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সাহায্যও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে—এই ধারাবাহিক হামলা কেন থামছে না? চট্টগ্রামের এই ঘটনা একা নয়। সম্প্রতি দেশজুড়ে অস্থিরতার মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলা বেড়েছে। লক্ষ্মীপুরে ঘটে গেছে আরও এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। সেখানে একই কায়দায় ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারা হয়েছে সাত বছরের এক নিষ্পাপ শিশুকে। একটি রাষ্ট্রের কাছে এর চেয়ে লজ্জাজনক আর কী হতে পারে? এই শিশুটির অপরাধ কী ছিল? তার কি কেবল ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে বেঁচে থাকার অধিকার কেড়ে নেওয়া হলো? এছাড়া ময়মনসিংহে দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা ও অগ্নিদাহ। অন্তর্বর্তী সরকারের
অধীনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং উগ্র গোষ্ঠীগুলোর সক্রিয়তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। সংখ্যালঘু নেতারা অভিযোগ করেছেন যে, সরকার এই হামলাগুলো ঠেকাতে যথেষ্ট তৎপর নয়, যা ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধারাবাহিক সন্ত্রাসের মধ্যে প্রশ্ন একটাই বাংলাদেশ কি সংখ্যালঘুদের জন্য নিরাপদ থাকবে? ঘুমন্ত পরিবারকে দরজা আটকে পোড়ানোর চেষ্টা কোনো দুর্ঘটনা নয়—এটি নিধনের পরিকল্পনা। চট্টগ্রাম থেকে অন্যান্য জেলা পর্যন্ত সংখ্যালঘু রক্তে ভিজছে দেশের মাটি। এই অগ্নিসন্ত্রাস বন্ধ না হলে বাংলাদেশ সংখ্যালঘুদের জন্য বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠবে।
বেঁচে গেলেও তাদের ঘরবাড়ি, সম্পদ এবং পোষ্য প্রাণীগুলো পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এই ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়—এটি স্পষ্টভাবে ধর্মীয় পরিচয়ভিত্তিক টার্গেটেড সন্ত্রাস এবং সংখ্যালঘু নিধনের একটি পরিকল্পিত অংশ। সর্বশেষ ঘটনা ঘটে ২৩ ডিসেম্বর ভোরে রাউজান পৌরসভার সুলতানপুর গ্রামে। প্রবাসী সুখ শীল ও অনিল শীলের বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা উত্তাপ অনুভব করে জেগে উঠে দেখেন দরজা বাইরে থেকে লক করা। অল্পের জন্য টিনের চাল ও বাঁশের বেড়া কেটে তারা প্রাণে বাঁচেন। এর আগে একই উপজেলার ঢেউয়াপাড়া, কেউটিয়া বড়ুয়াপাড়া সহ অন্যান্য এলাকায় একই ধরনের অগ্নিসংযোগ হয়েছে। স্থানীয় সূত্র অনুসারে, এ নিয়ে পাঁচ দিনে চার থেকে ছয়টি হিন্দু পরিবারের বাড়ি টার্গেট
করা হয়েছে। এই অগ্নিকাণ্ডগুলোর পর পুলিশ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং বিশেষ নিরাপত্তা টিম গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সাহায্যও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে—এই ধারাবাহিক হামলা কেন থামছে না? চট্টগ্রামের এই ঘটনা একা নয়। সম্প্রতি দেশজুড়ে অস্থিরতার মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলা বেড়েছে। লক্ষ্মীপুরে ঘটে গেছে আরও এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। সেখানে একই কায়দায় ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারা হয়েছে সাত বছরের এক নিষ্পাপ শিশুকে। একটি রাষ্ট্রের কাছে এর চেয়ে লজ্জাজনক আর কী হতে পারে? এই শিশুটির অপরাধ কী ছিল? তার কি কেবল ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে বেঁচে থাকার অধিকার কেড়ে নেওয়া হলো? এছাড়া ময়মনসিংহে দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা ও অগ্নিদাহ। অন্তর্বর্তী সরকারের
অধীনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং উগ্র গোষ্ঠীগুলোর সক্রিয়তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। সংখ্যালঘু নেতারা অভিযোগ করেছেন যে, সরকার এই হামলাগুলো ঠেকাতে যথেষ্ট তৎপর নয়, যা ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধারাবাহিক সন্ত্রাসের মধ্যে প্রশ্ন একটাই বাংলাদেশ কি সংখ্যালঘুদের জন্য নিরাপদ থাকবে? ঘুমন্ত পরিবারকে দরজা আটকে পোড়ানোর চেষ্টা কোনো দুর্ঘটনা নয়—এটি নিধনের পরিকল্পনা। চট্টগ্রাম থেকে অন্যান্য জেলা পর্যন্ত সংখ্যালঘু রক্তে ভিজছে দেশের মাটি। এই অগ্নিসন্ত্রাস বন্ধ না হলে বাংলাদেশ সংখ্যালঘুদের জন্য বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠবে।



