ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
হাদী হত্যা: দুবাই থেকে ভিডিও বার্তায় নিজেকে নির্দোষ দাবি মাসুদের, দায় চাপালেন জামায়াতের ওপর
নিজস্ব প্রতিবেদক:
হাদী হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। বর্তমানে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে অবস্থান করছেন। সম্প্রতি অজ্ঞাত স্থান থেকে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন এবং ঘটনাটিকে একটি ‘চক্রান্ত’ বলে দাবি করেছেন।
ভিডিও বার্তায় মাসুদ জানান, তার দুবাইয়ের পাঁচ বছরের মাল্টিপল ভিসা ছিল এবং তিনি দেশত্যাগ করে বর্তমানে সেখানে অবস্থান করছেন। হাদী হত্যার বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি বা আমার পরিবার এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নই। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাওয়া বাইকে আমি ছিলাম না এবং বাইক চালকও আমার কোনো ছোট ভাই ছিল না। আমাদের মিথ্যাভাবে ফাঁসানো হয়েছে।”
নিহত হাদীর সঙ্গে সম্পর্কের
বিষয়ে মাসুদ স্বীকার করেন যে, ব্যবসার কাজে তিনি হাদীর অফিসে গিয়েছিলেন। তিনি জানান, তার একটি আইটি ফার্ম আছে এবং তিনি দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ব্যবসা করছেন। অর্থ ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দুটি সরকারি কাজ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে তিনি হাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। মাসুদ দাবি করেন, তিনি হাদীকে ৫ লাখ টাকা অগ্রিম দিয়েছিলেন এবং হাদীর বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও আর্থিক সহায়তা করতেন। ঘটনার দিন সকালেও তিনি হাদীকে ১০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন। তবে হত্যাকাণ্ডের মোটিভ হিসেবে মাসুদ ভিন্ন ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি নিহত হাদীকে ‘জামায়াতের প্রোডাক্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করে দাবি করেন, হাদীর সঙ্গে জামায়াতের পুরনো যোগাযোগ ছিল এবং তারাই কোনোভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এছাড়া,
মামলার জেরে তার পরিবারের সদস্যদের ওপর পুলিশি হয়রানি ও অত্যাচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মাসুদ। তিনি বলেন, “আমার পরিবার সম্পূর্ণ নির্দোষ। তাদের ওপর যে অত্যাচার করা হচ্ছে তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।” তার ব্যাংক হিসাব ও অর্থের উৎস সম্পর্কে ওঠা প্রশ্নের জবাবে মাসুদ বলেন, “ব্যাংকের টাকাগুলো আমার বৈধ ব্যবসার এবং সরকারি বিলের টাকা। আমি নিয়মিত করদাতা এবং এ বছরও আমি ৯ লাখ টাকা আয়কর দিয়েছি।” ভিডিও বার্তা দিলেও মাসুদ কবে দেশ ছেড়েছেন বা বর্তমানে দুবাইয়ের কোন স্থানে অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
বিষয়ে মাসুদ স্বীকার করেন যে, ব্যবসার কাজে তিনি হাদীর অফিসে গিয়েছিলেন। তিনি জানান, তার একটি আইটি ফার্ম আছে এবং তিনি দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ব্যবসা করছেন। অর্থ ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দুটি সরকারি কাজ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে তিনি হাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। মাসুদ দাবি করেন, তিনি হাদীকে ৫ লাখ টাকা অগ্রিম দিয়েছিলেন এবং হাদীর বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও আর্থিক সহায়তা করতেন। ঘটনার দিন সকালেও তিনি হাদীকে ১০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন। তবে হত্যাকাণ্ডের মোটিভ হিসেবে মাসুদ ভিন্ন ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি নিহত হাদীকে ‘জামায়াতের প্রোডাক্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করে দাবি করেন, হাদীর সঙ্গে জামায়াতের পুরনো যোগাযোগ ছিল এবং তারাই কোনোভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এছাড়া,
মামলার জেরে তার পরিবারের সদস্যদের ওপর পুলিশি হয়রানি ও অত্যাচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মাসুদ। তিনি বলেন, “আমার পরিবার সম্পূর্ণ নির্দোষ। তাদের ওপর যে অত্যাচার করা হচ্ছে তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।” তার ব্যাংক হিসাব ও অর্থের উৎস সম্পর্কে ওঠা প্রশ্নের জবাবে মাসুদ বলেন, “ব্যাংকের টাকাগুলো আমার বৈধ ব্যবসার এবং সরকারি বিলের টাকা। আমি নিয়মিত করদাতা এবং এ বছরও আমি ৯ লাখ টাকা আয়কর দিয়েছি।” ভিডিও বার্তা দিলেও মাসুদ কবে দেশ ছেড়েছেন বা বর্তমানে দুবাইয়ের কোন স্থানে অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।



