ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তোফাজ্জল হত্যা মামলা: প্রধান দুই অভিযুক্ত বাকের ও আব্দুল কাদেরকে বাদ দিয়েই মামলার চার্জশিট
শাহবাগে তোপের মুখে আসিফ মাহমুদ
৩৪টা সইয়ে বন্দী একটা গ্রাম : হালাল মাইক, হারাম সাউন্ডবক্স
চাঁদাবাজি-ছিনতাই, বিএনপি, আর একটি রাষ্ট্রের নৈতিক দেউলিয়াত্ব
বাংলাদেশে আবার ফিরে আসছে সাম্প্রদায়িক হামলার – টার্গেট আবার পুরোহিত ও হিন্দুদের পূজা আর্চনা
বনমোরগ উদ্ধারের পর বনে ‘দেশি মোরগ’ অবমুক্ত করলেন বন কর্মকর্তা, খেয়ে ফেলার অভিযোগ
স্ত্রীকে দামি জুতা কিনে দিতে না পারা যুবকের আত্মহননের চেষ্টার ভুয়া গল্প অন্তর্জালে, প্রকৃত ঘটনা যা জানা গেল
হাওরের বাঁধের অর্থে শিবির নেতার বাড়ির সড়ক সংস্কারে ২৩ লাখ টাকার প্রকল্প উপহার সুনামগঞ্জের ডিসির!
হাওরের বোরো ফসল রক্ষা বাঁধের টাকা কোনওভাবেই অন্যকাজে ব্যবহারের সুযোগ নেই। এটা কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা প্রকল্প) নীতিমালা বিরোধী। অথচ সুনামগঞ্জের বিতর্কিত ডিসি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুপ্ত সংগঠন শিবিরের সাবেক ক্যাডার মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া সুনামগঞ্জের জুলাই মামলাবাজ খ্যাত শিবির নেতা হেলাল উদ্দিন মাছুমের বাড়ির সড়ক সংস্কারে সরকারী আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রায় ২৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন।
হাওরের বাঁধের প্রকল্পের অর্থে ব্যক্তিগত সড়ক নির্মাণের বেআইনি ও বিধি-বহির্ভূত ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়েছেন হাওর বাঁচাও আন্দোলন সংশ্লিষ্ট সাধারণ মানুষ, কৃষক এবং সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের বাদেগোরেমপুর গ্রামের বাসিন্দা, উপজেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি ও সরকারি কলেজ শিবিরের সাবেক ক্যাডার হেলাল উদ্দিন
মাছুম সরকারি অর্থ লোপাট করতে ডিসিকে ভুয়া প্রকল্প দিতে অনুরোধ জানান। সুনামগঞ্জে ডিসির মদতে ফসলরক্ষা বাঁধের কোটি টাকার প্রকল্প হাতিয়ে নিল শিবির ক্যাডাররা আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ডিসি ইলিয়াস সুনামগঞ্জে এসে প্রকাশ্যে জামায়াতকে সহযোগিতা করতে থাকেন। টিআর, কাবিটা, কাবিখাসহ সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা জামায়াতের অনুকূলে বরাদ্দ দেন তিনি।আওয়ামী লীগ শিবির ক্যাডার হেলাল উদ্দিন মাছুম, শহিদনূরসহ জুলাইযোদ্ধা খ্যাত মামলাবাজদের মাধ্যমে প্রকল্প বন্টন করেন এবং তাদের মাধ্যমে নিয়মিত কমিশন নিতে থাকেন, এমন অভিযোগও উঠেছে ইতিমধ্যে। ডিসিকে একসময় নিজ বাড়ির সড়ক সংস্কারের নামে বরাদ্দ দিয়ে অর্থ লোপাটের সুযোগ করে দিতে অনুরোধ জানান হেলাল। তবে সড়কটি যেহেতু ফসল রক্ষায় ভূমিকা রাখেনা এবং অতীতে হাওরের কোন প্রকল্পও নেওয়া হয়নি
তাই উপজেলা কমিটি ও পাউবোর টেকনিক্যাল কমিটি এ নিয়ে আপত্তি জানায়। কিন্তু ডিসি ইলিয়াস জেলা কমিটিতে প্রকল্পটি উত্তাপন না করেই গোপনে উপজেলা কমিটির সভাপতিকে মাছুমকে প্রকল্পটি উপহার দেওয়ার নির্দেশ দেন। হাওরের ফসলরক্ষা প্রকল্পের কাজ বন্ধ: দলীয় লোকদের কাজ দিচ্ছেন জামায়াত প্রার্থী শিশির মনির পরে পাউবোর টেকনিক্যাল কমিটিসহ উপজেলা কমিটি ডিসির নির্দেশনার আলোকে প্রকল্প অনুমোদনের আগে অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পটি পাউবোর এলাইনমেন্টে না থাকায় জেলা কমিটির মতামতের জন্য পাঠায়। ডিসি রাষ্ট্রের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আর্থিক সুবিধা ভাগাভাগি করে হাওরের বাঁধের টাকায় নিজের দলীয় লোককে প্রকল্পটি উপহার দেন। নির্দেশনা দেন প্রাথমিক বরাদ্দেরও। কিন্তু বরাদ্দ পেয়েই মাছুম হেলাল তার ভাই মিজান উদ্দিনকে পিআইসি সভাপতি করে বরাদ্দ ভাগ-বাটোয়ারা করে নেন।
মাত্র ৫-৬ ইঞ্চি মাটি ফেলে বরাদ্দ পুরোটাই লোপাট করেন মাছুম। বিষয়টি অবগত হয়ে গ্রামের মানুষজন মাছুম হেলাল ওরফে হেলাল উদ্দিন মাছুমের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন। হোসাইন মাহমুদ শাহীন নামে এক ব্যক্তি এ নিয়ে লিখিত অভিযোগও করেছেন। গ্রামের বাসিন্দা জনৈক সাইফুল বলেন, আমাদের গ্রামের ফসলরক্ষা বাঁধের প্রয়োজন নেই। কিন্তু এবার এই বাঁধের টাকায় সড়ক সংস্কারে হেলাল সাব প্রকল্প এনে তার ভাইকে সভাপতি বানিয়েছেন। দুই ভাই মিলে মাত্র সড়কে ৪-৫ ইঞ্চি মাটি ফেলে বরাদ্দ লুটপাট করে নিচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন বলেন, অতীতে এলাইনমেন্ট না থাকায় আমরা প্রকল্প দিতে চাইনি। এ কারণে লিখিতভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি চেয়েছিলাম। হেলাল উদ্দিন মাছুম সাহেব আমাদেরকে অনেক
হুমকি-ধমকি দিয়েছিলেন এ নিয়ে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, হেলাল সাহেব প্রকল্পের জন্য অনেকবার ফোন দিয়েছিলেন। পাউবোর এলাইনমেন্ট না থাকায় আমরা উপরের লিখিত অনুমতি চেয়েছিলাম। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী ইমদাদুল হক নিশ্চিত করে বলেন, প্রকল্পটি নিয়ে জেলা কমিটিতে কোনো আলোচনাই হয়নি। জেলা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, আমি জেলা কমিটির সভাপতি। আমি আমার ক্ষমতাবলে এটা করেছি।
মাছুম সরকারি অর্থ লোপাট করতে ডিসিকে ভুয়া প্রকল্প দিতে অনুরোধ জানান। সুনামগঞ্জে ডিসির মদতে ফসলরক্ষা বাঁধের কোটি টাকার প্রকল্প হাতিয়ে নিল শিবির ক্যাডাররা আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ডিসি ইলিয়াস সুনামগঞ্জে এসে প্রকাশ্যে জামায়াতকে সহযোগিতা করতে থাকেন। টিআর, কাবিটা, কাবিখাসহ সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা জামায়াতের অনুকূলে বরাদ্দ দেন তিনি।আওয়ামী লীগ শিবির ক্যাডার হেলাল উদ্দিন মাছুম, শহিদনূরসহ জুলাইযোদ্ধা খ্যাত মামলাবাজদের মাধ্যমে প্রকল্প বন্টন করেন এবং তাদের মাধ্যমে নিয়মিত কমিশন নিতে থাকেন, এমন অভিযোগও উঠেছে ইতিমধ্যে। ডিসিকে একসময় নিজ বাড়ির সড়ক সংস্কারের নামে বরাদ্দ দিয়ে অর্থ লোপাটের সুযোগ করে দিতে অনুরোধ জানান হেলাল। তবে সড়কটি যেহেতু ফসল রক্ষায় ভূমিকা রাখেনা এবং অতীতে হাওরের কোন প্রকল্পও নেওয়া হয়নি
তাই উপজেলা কমিটি ও পাউবোর টেকনিক্যাল কমিটি এ নিয়ে আপত্তি জানায়। কিন্তু ডিসি ইলিয়াস জেলা কমিটিতে প্রকল্পটি উত্তাপন না করেই গোপনে উপজেলা কমিটির সভাপতিকে মাছুমকে প্রকল্পটি উপহার দেওয়ার নির্দেশ দেন। হাওরের ফসলরক্ষা প্রকল্পের কাজ বন্ধ: দলীয় লোকদের কাজ দিচ্ছেন জামায়াত প্রার্থী শিশির মনির পরে পাউবোর টেকনিক্যাল কমিটিসহ উপজেলা কমিটি ডিসির নির্দেশনার আলোকে প্রকল্প অনুমোদনের আগে অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পটি পাউবোর এলাইনমেন্টে না থাকায় জেলা কমিটির মতামতের জন্য পাঠায়। ডিসি রাষ্ট্রের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আর্থিক সুবিধা ভাগাভাগি করে হাওরের বাঁধের টাকায় নিজের দলীয় লোককে প্রকল্পটি উপহার দেন। নির্দেশনা দেন প্রাথমিক বরাদ্দেরও। কিন্তু বরাদ্দ পেয়েই মাছুম হেলাল তার ভাই মিজান উদ্দিনকে পিআইসি সভাপতি করে বরাদ্দ ভাগ-বাটোয়ারা করে নেন।
মাত্র ৫-৬ ইঞ্চি মাটি ফেলে বরাদ্দ পুরোটাই লোপাট করেন মাছুম। বিষয়টি অবগত হয়ে গ্রামের মানুষজন মাছুম হেলাল ওরফে হেলাল উদ্দিন মাছুমের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন। হোসাইন মাহমুদ শাহীন নামে এক ব্যক্তি এ নিয়ে লিখিত অভিযোগও করেছেন। গ্রামের বাসিন্দা জনৈক সাইফুল বলেন, আমাদের গ্রামের ফসলরক্ষা বাঁধের প্রয়োজন নেই। কিন্তু এবার এই বাঁধের টাকায় সড়ক সংস্কারে হেলাল সাব প্রকল্প এনে তার ভাইকে সভাপতি বানিয়েছেন। দুই ভাই মিলে মাত্র সড়কে ৪-৫ ইঞ্চি মাটি ফেলে বরাদ্দ লুটপাট করে নিচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন বলেন, অতীতে এলাইনমেন্ট না থাকায় আমরা প্রকল্প দিতে চাইনি। এ কারণে লিখিতভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি চেয়েছিলাম। হেলাল উদ্দিন মাছুম সাহেব আমাদেরকে অনেক
হুমকি-ধমকি দিয়েছিলেন এ নিয়ে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, হেলাল সাহেব প্রকল্পের জন্য অনেকবার ফোন দিয়েছিলেন। পাউবোর এলাইনমেন্ট না থাকায় আমরা উপরের লিখিত অনুমতি চেয়েছিলাম। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী ইমদাদুল হক নিশ্চিত করে বলেন, প্রকল্পটি নিয়ে জেলা কমিটিতে কোনো আলোচনাই হয়নি। জেলা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, আমি জেলা কমিটির সভাপতি। আমি আমার ক্ষমতাবলে এটা করেছি।



