ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগ ফিরবেই, তবে পুরনো নাকি নতুন নেতৃত্বে— এটিই এখন মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন”: মাসুদ কামাল
সংস্কারের মুখোশে দমন : অবৈধ ইউনূস সরকারের তেলেসমাতি
এবার জেলা পরিষদে নেতা-কর্মী বসিয়ে লুটপাটের প্ল্যান তারেকের
আবারো সংকটে জাতি, আবারো তিনিই প্রেরণা
থার্টি পার্সেন্টের সরকার!
ফেনীতে মাটিলুট ও চাঁদাবাজির জেরে যুবদল-ছাত্রদলের দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১
মূল্যবান জিনিস থানায় জমা রেখে ঈদযাত্রার অভিনব পরামর্শ ডিএমপির
হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা করে ‘আত্মহত্যা’ বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, দেশের নদ-নদীতে এখন শুধু লাশ ভাসছে, যেগুলোর পরিচয়ও শনাক্ত করা হচ্ছে না।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব অভিযোগ করেন। ভিডিওতে তাকে বাগেরহাটের এক ছাত্রনেতা ও তার পরিবারের করুণ পরিণতির বর্ণনা দিতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হতে দেখা যায়।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘কত বড় বিভৎস ও নৃশংস হতে পারে এই ইউনূস সরকার এবং তার চ্যালা-চামুণ্ডারা, সেটা একবার চিন্তা করে দেখেন।’
ভিডিও বার্তায় শেখ হাসিনা বাগেরহাটের ছাত্রনেতা সাদ্দাম
হোসেনের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি বলেন, সাদ্দামকে গ্রেপ্তার করে এক জেল থেকে অন্য জেলে স্থানান্তর করা হয়েছে। এমনকি তার স্ত্রী ও শিশু সন্তানকেও রেহাই দেওয়া হয়নি। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল, যেন বিষয়টি আত্মহত্যা মনে হয়। তিনি বলেন, ‘আজ সেই বাড়ি ঢুকে শিশুটিকে হত্যা করল, ওর স্ত্রীকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখল। যেন সবাই জানে যে সে আত্মহত্যা করেছে।’ ঘটনাস্থলের পারিপার্শ্বিক অবস্থার বর্ণনা দিয়ে শেখ হাসিনা দাবি করেন, এটি কোনোভাবেই আত্মহত্যা হতে পারে না। তিনি বলেন, ‘আমি দেখলাম তার ঝুলন্ত লাশ। কিন্তু বিছানার ওপর চেয়ার। ওই চেয়ারের ওপর দাঁড়িয়ে যদি কেউ ঝুলে পড়ে, তবে (জান
যাওয়ার) ছটফটানিতে পায়ের চেয়ারটি উল্টে পড়ে যাওয়ার কথা। তা কিন্তু হয়নি। খাটের কাছে পা-টা ঝুলে আছে। এটা একটু ভালোভাবে সকলের লক্ষ্য করে দেখা উচিত।’ বক্তব্যের এক পর্যায়ে লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগের এক নেতার মৃত্যুর প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। তিনি জানান, ওই নেতাকে ১০ দিন ধরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে নদীতে তার পচা-গলা লাশ পাওয়া যায়। দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘বাংলাদেশের সব নদী থেকে শুধু লাশ ভাসে। সেই লাশগুলো চিহ্নিতও করা হয় না।’ যুক্তি দেখিয়ে তিনি বলেন, তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেওয়া হয় এগুলো আত্মহত্যা, তবু প্রশ্ন থেকে যায়—কারা এই আত্মহত্যার প্ররোচনা দিল? যারা প্ররোচনা দেয়, তারাও
সমান অপরাধী। ভিডিওতে শেখ হাসিনাকে বেশ বিমর্ষ অবস্থায় দেখা যায় এবং তিনি এই ঘটনার জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার ও তার সহযোগীদের সরাসরি দায়ী করেন।
হোসেনের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি বলেন, সাদ্দামকে গ্রেপ্তার করে এক জেল থেকে অন্য জেলে স্থানান্তর করা হয়েছে। এমনকি তার স্ত্রী ও শিশু সন্তানকেও রেহাই দেওয়া হয়নি। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল, যেন বিষয়টি আত্মহত্যা মনে হয়। তিনি বলেন, ‘আজ সেই বাড়ি ঢুকে শিশুটিকে হত্যা করল, ওর স্ত্রীকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখল। যেন সবাই জানে যে সে আত্মহত্যা করেছে।’ ঘটনাস্থলের পারিপার্শ্বিক অবস্থার বর্ণনা দিয়ে শেখ হাসিনা দাবি করেন, এটি কোনোভাবেই আত্মহত্যা হতে পারে না। তিনি বলেন, ‘আমি দেখলাম তার ঝুলন্ত লাশ। কিন্তু বিছানার ওপর চেয়ার। ওই চেয়ারের ওপর দাঁড়িয়ে যদি কেউ ঝুলে পড়ে, তবে (জান
যাওয়ার) ছটফটানিতে পায়ের চেয়ারটি উল্টে পড়ে যাওয়ার কথা। তা কিন্তু হয়নি। খাটের কাছে পা-টা ঝুলে আছে। এটা একটু ভালোভাবে সকলের লক্ষ্য করে দেখা উচিত।’ বক্তব্যের এক পর্যায়ে লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগের এক নেতার মৃত্যুর প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। তিনি জানান, ওই নেতাকে ১০ দিন ধরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে নদীতে তার পচা-গলা লাশ পাওয়া যায়। দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘বাংলাদেশের সব নদী থেকে শুধু লাশ ভাসে। সেই লাশগুলো চিহ্নিতও করা হয় না।’ যুক্তি দেখিয়ে তিনি বলেন, তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেওয়া হয় এগুলো আত্মহত্যা, তবু প্রশ্ন থেকে যায়—কারা এই আত্মহত্যার প্ররোচনা দিল? যারা প্ররোচনা দেয়, তারাও
সমান অপরাধী। ভিডিওতে শেখ হাসিনাকে বেশ বিমর্ষ অবস্থায় দেখা যায় এবং তিনি এই ঘটনার জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার ও তার সহযোগীদের সরাসরি দায়ী করেন।



