‘স্বাধীনতা বিরোধী’ ও চীনপন্থীদের কবজায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্যানেল, বিতাড়িত সব ভারতীয় শিল্পগোষ্ঠী – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
     ১০:২৩ অপরাহ্ণ

‘স্বাধীনতা বিরোধী’ ও চীনপন্থীদের কবজায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্যানেল, বিতাড়িত সব ভারতীয় শিল্পগোষ্ঠী

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ | ১০:২৩ 43 ভিউ
ভারত ও বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের কফিনে কি শেষ পেরেকটি পোঁতা হলো? গত ৮ ডিসেম্বর ভারতীয় হাইকমিশনের সম্পূর্ণ অগোচরে একপ্রকার ‘নীরব অভ্যুত্থান’ ঘটে গেল ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিতে (আইবিসিসিআই)। ২১ বছরের পুরোনো এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সংগঠনটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন তথাকথিত ‘স্বাধীনতা বিরোধী’, চীনপন্থী এবং কট্টর ইসলামপন্থী শক্তির হাতে। এক ঝটকায় গভর্নিং বডি থেকে ছুড়ে ফেলা হয়েছে ভারতের শীর্ষস্থানীয় সব শিল্পগোষ্ঠীকে। গত দুই দশক ধরে যে সংগঠনের গভর্নিং বডিতে ভারত ও বাংলাদেশের সমান অংশগ্রহণ (১২ জন করে সদস্য) ছিল, সেখান থেকে এবার ভারতীয় প্রতিনিধিদের কার্যত নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI), আদানি গ্রুপ, লার্সেন অ্যান্ড টুব্রো (L&T), অ্যাক্সিস

ব্যাঙ্ক, ম্যারিকো, হিমালয়া ওয়েলনেস এবং কলকাতার ইমামি গ্রুপের মতো জায়ান্টদের কমিটি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। ভারত-বিদ্বেষী মনোভাব থেকেই এই পরিকল্পিত ছাঁটাই বলে মনে করা হচ্ছে। সংগঠনটির নতুন নেতৃত্ব নিয়ে ভারতের নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক মহলে চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতির পদে এসেছেন মেহেরুন নেসা ইসলাম, যিনি চীন-বাংলাদেশ চেম্বারের নির্বাহী সদস্য এবং যার সঙ্গে বেইজিংয়ের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের অভিযোগ রয়েছে। সবচেয়ে ভয়ের কারণ হলো দুই নতুন পরিচালক—হজ অ্যাসোসিয়েশনের মাওলানা ইয়াকুব শরফতি এবং হুমায়ুন রশিদ খান পাঠান। হুমায়ুন রশিদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের একটি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এই ‘দখলদারি’ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি অন্তর্বর্তী সরকারের পরিকল্পিত

পদক্ষেপের ফল। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার আইবিসিসিআই-এর নির্বাচনী বিধিতে এমনভাবে সংশোধন এনেছে, যা দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ভারতীয় বা বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের সরিয়ে কট্টরপন্থীদের প্রবেশের পথ সুগম করে দিয়েছে। পুরনো নিয়মে টানা দুই মেয়াদে থাকা সদস্যদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করার কৌশলেই এই পালাবদল ঘটানো হয়েছে। মাতলুব আহমাদের মতো উদারপন্থী ব্যবসায়ী নেতাদের সরিয়ে দিয়ে মসিউর রহমানের নেতৃত্বে যে নতুন কট্টরপন্থী বলয় তৈরি হয়েছে, তা দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে তলানিতে নিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভারতীয় হাইকমিশনকে অন্ধকারে রেখে এই কমিটি গঠন দ্বিপাক্ষিক আস্থার সংকটের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে জাবিতে সাংবাদিককে ‘হেনস্তা’ পাবনায় দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪ আবারও শাকিবের বিপরীতে সাবিলা নূর ধর্ষণ মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন ক্রিকেটার তোফায়েল যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজকে ইরানের জলসীমা এড়িয়ে চলার নির্দেশ পিস্তল ও গোলাবারুদসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ শেরপুরে লুট হওয়া শটগানসহ বিএনপিকর্মী আটক ৩৮ কেজি গাঁজা, কাভার্ড ভ্যানসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কক্সবাজারে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে জরিমানা হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে দেশবাসীকে নির্বাচন বয়কটের ডাক ১৬৭৫ জন বিশিষ্টজনের, সঙ্গে ১২ দাবি কাকে ভোট দিতে যাবেন? জাতির সঙ্গে বেঈমানি ও প্রতারণাপূর্ণ নির্বাচন বর্জনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক সর্বোপরি দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহ্বান Bangladesh’s February Vote Faces Growing Scrutiny Democracy at a Crossroads বাংলাদেশ ভোটের নামে যা হচ্ছে – ক্ষমতা না পেলে বোমা, বন্দুকই বিএনপির ভোটের রাজনীতি চলমান সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ব্যতীত জাতীয় নির্বাচন জাতির কাছে কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য হবে না। প্রহসনের নির্বাচন মানি না, মানবো না! কথা বলতে চাওয়া সাবেক এমপি তুহিনের মুখ ‘চেপে’ ধরলো পুলিশ সিএমপির ওসির বিরুদ্ধে মাদক সরবরাহ ও বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ডাক আওয়ামী লীগের