ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাওয়া ভবনের চাঁদাবাজির টাকা ফেরত চায়, চাঁদাবাজকে এসএসএফ প্রটোকল কেন? প্রশ্নের মুখে তারেক রহমান
জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কামরুল হাসান রিপন: ‘মব’ হামলায় রক্তাক্ত পরিবারের সামনেই পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ
জুলাই ষড়যন্ত্রের অভিশাপ: ধসে পড়ছে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড গার্মেন্টস শিল্প
গণতন্ত্র নয়, নির্বাচনের নাটক: বাংলাদেশকে কোন পথে ঠেলে দিচ্ছে এই ভোট?
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ম পদাতিক ডিভিশনের রামু সদরদপ্তরে মার্কিন অটিজম বিশেষজ্ঞদের ‘রহস্যজনক’ সফর
মা আন্দোলনকারীদের হত্যা করতে চাইলে এখনও ক্ষমতায় থাকতেন: সজীব ওয়াজেদ জয়
ঢাকায় ‘আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান: সেনাবাহিনীতে ‘ইসলামীকরণ’ ও আইন লঙ্ঘন নিয়ে বিতর্ক
স্বাধীনতার শত্রুদের প্রতি এক বাঙালি নারীর বজ্রকণ্ঠী হুঙ্কার: ‘চোখ উপড়ে পাকিস্তানে পাঠাবো!’
যখন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলার দুঃসাহস দেখানো হয়, তখন চুপ করে থাকার সময় শেষ। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা গেল সেই অগ্নিমূর্তি, যা কোটি বাঙালির হৃদয়ের প্রতিধ্বনি। এক নারী, যিনি কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন, তাঁর অগ্নিঝরা বক্তব্যে থরথর করে কাঁপিয়ে দিয়েছেন স্বাধীনতাবিরোধী সকল অপশক্তিকে।
ভিডিওতে দেখা যায়, এই মহীয়সী নারী কোনো প্রকার রাখঢাক না রেখেই দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা করছেন, "পাকিস্তান পাঠিয়ে দিব দুই চোখ অন্ধ করে।" তাঁর কণ্ঠের দৃঢ়তা এবং চোখের আগুন জানান দিচ্ছিল, এই হুমকি কোনো ফাঁকা বুলি নয়, বরং দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে
প্রস্তুত এক মুক্তিযোদ্ধার আত্মার চিৎকার। তিনি যখন বলেন, "আমার ১৯৭১ সাল, আমার দেশের স্বাধীনতা নিয়ে কথা বললে দাড়ি-টুপি দেখব না," তখন তিনি মূলত সেইসব ধর্ম ব্যবসায়ীদের মুখোশ উন্মোচন করে দেন, যারা ধর্মের আড়ালে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, দেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে কোনো ধর্মীয় পরিচয় বা লেবাসধারী ষড়যন্ত্রকারীকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। দেশপ্রেমের ঊর্ধ্বে কোনো পরিচয় থাকতে পারে না। তাঁর চূড়ান্ত হুঙ্কার, "দুই চোখ গালিয়ে দিয়ে পাকিস্তান পাঠিয়ে দিব," একাত্তরের শহীদদের রক্তের প্রতি দায়বদ্ধতার এক জ্বলন্ত প্রকাশ। এই বাক্যটি কেবল একটি হুমকি নয়, এটি একটি শপথ। যে অপশক্তিরা ভেবেছিল নতুন প্রজন্মের মনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ফিকে হয়ে গেছে, তাদের
জন্য এই বক্তব্য এক কঠোর চপেটাঘাত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই নারীর বক্তব্যকে লক্ষ লক্ষ মানুষ সমর্থন জানিয়েছেন। তারা বলছেন, ইনিই আসল বাঙালি নারী, যিনি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করতে শেখেননি। যখন কিছু সুবিধাবাদী বুদ্ধিজীবী এবং রাজনীতিবিদরা স্বাধীনতার শত্রুদের সাথে আপোষের পথ খোঁজেন, তখন এই নারী একাই একশো হয়ে লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছেন। তাঁর এই কণ্ঠস্বর যেন মুক্তিযুদ্ধের অসমাপ্ত লড়াইকে এগিয়ে নেওয়ার এক নতুন শপথ। তিনি দেখিয়ে দিলেন, বাংলাদেশ টিকে আছে এবং থাকবে এমন অগণিত দেশপ্রেমিক মানুষের রক্ত আর ঘামের বিনিময়ে, যারা দেশের সম্মান রক্ষায় একবিন্দু ছাড় দিতেও রাজি নয়। এই নারী কোনো ব্যক্তি নন, তিনি একটি আদর্শ—বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী।
প্রস্তুত এক মুক্তিযোদ্ধার আত্মার চিৎকার। তিনি যখন বলেন, "আমার ১৯৭১ সাল, আমার দেশের স্বাধীনতা নিয়ে কথা বললে দাড়ি-টুপি দেখব না," তখন তিনি মূলত সেইসব ধর্ম ব্যবসায়ীদের মুখোশ উন্মোচন করে দেন, যারা ধর্মের আড়ালে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, দেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে কোনো ধর্মীয় পরিচয় বা লেবাসধারী ষড়যন্ত্রকারীকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। দেশপ্রেমের ঊর্ধ্বে কোনো পরিচয় থাকতে পারে না। তাঁর চূড়ান্ত হুঙ্কার, "দুই চোখ গালিয়ে দিয়ে পাকিস্তান পাঠিয়ে দিব," একাত্তরের শহীদদের রক্তের প্রতি দায়বদ্ধতার এক জ্বলন্ত প্রকাশ। এই বাক্যটি কেবল একটি হুমকি নয়, এটি একটি শপথ। যে অপশক্তিরা ভেবেছিল নতুন প্রজন্মের মনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ফিকে হয়ে গেছে, তাদের
জন্য এই বক্তব্য এক কঠোর চপেটাঘাত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই নারীর বক্তব্যকে লক্ষ লক্ষ মানুষ সমর্থন জানিয়েছেন। তারা বলছেন, ইনিই আসল বাঙালি নারী, যিনি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করতে শেখেননি। যখন কিছু সুবিধাবাদী বুদ্ধিজীবী এবং রাজনীতিবিদরা স্বাধীনতার শত্রুদের সাথে আপোষের পথ খোঁজেন, তখন এই নারী একাই একশো হয়ে লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছেন। তাঁর এই কণ্ঠস্বর যেন মুক্তিযুদ্ধের অসমাপ্ত লড়াইকে এগিয়ে নেওয়ার এক নতুন শপথ। তিনি দেখিয়ে দিলেন, বাংলাদেশ টিকে আছে এবং থাকবে এমন অগণিত দেশপ্রেমিক মানুষের রক্ত আর ঘামের বিনিময়ে, যারা দেশের সম্মান রক্ষায় একবিন্দু ছাড় দিতেও রাজি নয়। এই নারী কোনো ব্যক্তি নন, তিনি একটি আদর্শ—বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী।



