ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন নয়, নামসর্বস্ব প্রহসন : আন্তর্জাতিক সতর্কতা
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে কি না, তার চেয়ে বড় কথা হলো সেই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক হবে কি না
২৬ জানুয়ারির আগে হাই অ্যালার্ট: দিল্লি সহ বড় শহরগুলিতে সন্ত্রাসী নাশকতার আশঙ্কা, গোয়েন্দাদের কড়া সতর্কতা
সুন্দরবনের মধু থেকে হাইকোর্টের শীর্ষ স্থান: সেকালের ‘হানি ট্র্যাপ’ কি আজও বিচারীয় পটভূমিকে প্রশ্ন করছে?”
লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসান: সেনাবাহিনীর নৈতিকতার বড় প্রশ্নচিহ্ন ছাত্রশিবির করা কামরুল হাসানকে ঘিরে নারী কেলেঙ্কারি ও বিদেশী কূটনৈতিক লবিং এর অভিযোগ
বাংলাদেশ কি এখন পরাশক্তির দাবার বোর্ড? ড. ইউনূস সরকারের কূটনীতি না কি রাষ্ট্রীয় আত্মসমর্পণের নীলনকশা
জাতিসংঘ প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পদে খলিলুর রহমানের নিয়োগ আটকাল সেনাবাহিনী: তারেক রহমান পাচ্ছেন এসএসএফ নিরাপত্তা
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সামনে এসেছে। একদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা ও তাঁকে ভিআইপি মর্যাদা দেওয়া, অন্যদিকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পদে রদবদলের চেষ্টায় সেনাবাহিনীর কঠোর হস্তক্ষেপ।
সংবাদের প্রধান হাইলাইটস:
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন: দীর্ঘ ১৮ বছরের নির্বাসন শেষে আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
ভিআইপি মর্যাদা ও নিরাপত্তা: প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তারেক রহমানকে ‘ভেরি ইম্পর্টেন্ট পারসন’ (ভিআইপি) ঘোষণা করে এসএসএফ-এর (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) পূর্ণ নিরাপত্তা সুবিধা দেওয়া হবে।
নিয়োগে সেনাবাহিনীর ভেটো: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পদে লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর স্থলে এনএসএ খলিলুর রহমানকে নিয়োগের প্রক্রিয়া সেনাবাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে আটকে গেছে।
রোহিঙ্গা
ইস্যুতে বিতর্ক: খলিলুর রহমানের প্রস্তাবিত ‘রোহিঙ্গা মানবিক করিডোর’-এর তীব্র বিরোধিতা করে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছিলেন, "নো ব্লাডি করিডোর"। সেনানিবাসে নিষেধাজ্ঞা: সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির জেরে ঢাকা সেনানিবাসে খলিলুর রহমানের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। বিস্তারিত প্রতিবেদন: তারেক রহমানের জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয় আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে গত ২৩ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০২১ সালের এসএসএফ আইনে সংশোধনী এনেছে। ‘নর্থইস্ট নিউজ’-এর তথ্যানুযায়ী, এক সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাঁকে ভিআইপি মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে এসএসএফ এখন থেকে তাঁর বাসভবন, অফিস এবং নির্বাচনী প্রচারণাসহ সব ক্ষেত্রে শারীরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। গোয়েন্দা সংস্থার ঝুঁকি মূল্যায়নের ভিত্তিতে এই নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজানো হবে। একই দিনে (২৩ ডিসেম্বর)
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রদবদলের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বর্তমান উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে সরিয়ে সেখানে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) খলিলুর রহমানকে বসানোর প্রক্রিয়া শুরু হলে সেনাবাহিনী কঠোর আপত্তি জানায়। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা খলিলুর রহমানের দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং অতীতে রোহিঙ্গা ইস্যুতে তাঁর বিতর্কিত ভূমিকার কারণে এই নিয়োগের বিরোধিতা করেন। জানা গেছে, এর আগে খলিলুর রহমান মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গাদের জন্য একটি ‘মানবিক করিডোর’ তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সেনাবাহিনী এই প্রস্তাবকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করে তা প্রত্যাখ্যান করে। সেনাপ্রধান তখন ক্ষুব্ধ হয়ে "নো ব্লাডি করিডোর" মন্তব্য করেছিলেন। এই ঘটনার জেরে এনএসএ-র সঙ্গে সেনাবাহিনীর সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে, এমনকি
সেনা কর্মকর্তারা তাঁর সঙ্গে বৈঠকে বসতে অস্বীকৃতি জানান এবং সেনানিবাসে তাঁর প্রবেশ নিষিদ্ধ করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানকে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রদান এবং প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগে সেনাবাহিনীর এই প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ক্ষমতার ভারসাম্য ও সামরিক বাহিনীর সতর্ক অবস্থানের বিষয়টি স্পষ্ট করে তুলেছে।
ইস্যুতে বিতর্ক: খলিলুর রহমানের প্রস্তাবিত ‘রোহিঙ্গা মানবিক করিডোর’-এর তীব্র বিরোধিতা করে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছিলেন, "নো ব্লাডি করিডোর"। সেনানিবাসে নিষেধাজ্ঞা: সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির জেরে ঢাকা সেনানিবাসে খলিলুর রহমানের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। বিস্তারিত প্রতিবেদন: তারেক রহমানের জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয় আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে গত ২৩ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০২১ সালের এসএসএফ আইনে সংশোধনী এনেছে। ‘নর্থইস্ট নিউজ’-এর তথ্যানুযায়ী, এক সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাঁকে ভিআইপি মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে এসএসএফ এখন থেকে তাঁর বাসভবন, অফিস এবং নির্বাচনী প্রচারণাসহ সব ক্ষেত্রে শারীরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। গোয়েন্দা সংস্থার ঝুঁকি মূল্যায়নের ভিত্তিতে এই নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজানো হবে। একই দিনে (২৩ ডিসেম্বর)
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রদবদলের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বর্তমান উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে সরিয়ে সেখানে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) খলিলুর রহমানকে বসানোর প্রক্রিয়া শুরু হলে সেনাবাহিনী কঠোর আপত্তি জানায়। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা খলিলুর রহমানের দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং অতীতে রোহিঙ্গা ইস্যুতে তাঁর বিতর্কিত ভূমিকার কারণে এই নিয়োগের বিরোধিতা করেন। জানা গেছে, এর আগে খলিলুর রহমান মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গাদের জন্য একটি ‘মানবিক করিডোর’ তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সেনাবাহিনী এই প্রস্তাবকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করে তা প্রত্যাখ্যান করে। সেনাপ্রধান তখন ক্ষুব্ধ হয়ে "নো ব্লাডি করিডোর" মন্তব্য করেছিলেন। এই ঘটনার জেরে এনএসএ-র সঙ্গে সেনাবাহিনীর সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে, এমনকি
সেনা কর্মকর্তারা তাঁর সঙ্গে বৈঠকে বসতে অস্বীকৃতি জানান এবং সেনানিবাসে তাঁর প্রবেশ নিষিদ্ধ করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানকে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রদান এবং প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগে সেনাবাহিনীর এই প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ক্ষমতার ভারসাম্য ও সামরিক বাহিনীর সতর্ক অবস্থানের বিষয়টি স্পষ্ট করে তুলেছে।



