ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে মাউশির জরুরি নির্দেশনা
কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও প্রতিমাসে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমার নির্দেশ
শিক্ষকদের জন্য সুখবর
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের স্থায়ী বহিষ্কারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ
এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা
ম্যানেজিং কমিটিতে দলীয় লোক নেওয়া হলে আদালতে যাওয়ার হুশিয়ারি রাশেদা কে চৌধুরীর
রাষ্ট্রকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর জাতীয় সংসদকে রাজু ভাস্কর্য মনে করছে নির্বোধ হাসনাত
সেহরি থেকে তুলে নিয়ে মারধর, জঙ্গিদের আখড়ায় পরিণত হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস কি জঙ্গিদের আখড়া ও ‘মব জাস্টিস’-এর অভয়ারণ্যে পরিণত হচ্ছে? গত কয়েকদিনের নৃশংস ঘটনাপ্রবাহ সেই প্রশ্নই বড় করে তুলছে। তোফাজ্জল হত্যাকাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সেহরি খাওয়ার সময় এক শিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে পিটিয়ে আধমরা করা এবং ৭ মার্চের ভাষণ প্রচারকে কেন্দ্র করে নারী নেত্রীসহ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা শিক্ষাঙ্গনের নিরাপত্তা ও বাকস্বাধীনতাকে চরম সংকটে ফেলেছে।
অভিযোগ উঠেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেল ভোররাতে সেহরি খেতে বসলে তাকে ঘিরে ধরে একদল যুবক। প্রত্যক্ষদর্শী ও সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট অনুযায়ী, ছাত্রশিবির, জামায়াত-সংশ্লিষ্ট বা ‘ছাত্রশক্তি’ ব্যানারধারী কিছু উগ্রপন্থী শিক্ষার্থী তাকে ‘মব ট্রায়াল’-এর মাধ্যমে নির্মমভাবে পেটাতে থাকে। পাভেলের অপরাধ ছিল—তিনি ফেসবুকে বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ আপলোড করেছিলেন। গুরুতর আহত ও অর্ধমৃত অবস্থায় তাকে শাহবাগ থানার সামনে ফেলে রাখা হয়। এক্স (সাবেক টুইটার)-এ ভাইরাল হওয়া ছবি ও ভিডিওতে পাভেলের শরীরের ক্ষতচিহ্নগুলো ক্যাম্পাসে আদর্শিক প্রতিহিংসার বীভৎস রূপ ফুটিয়ে তুলেছে। ৭ মার্চের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গতকাল শাহবাগ থানার সামনে আরেক দফা সহিংসতার ঘটনা ঘটে। ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আসিফ আহমেদ সৈকত আটক হওয়ার প্রতিবাদে ইমি ও আব্দুল্লাহ আল মামুন রিকশায় মাইক বেঁধে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানোর কর্মসূচি পালন করতে গেলে বাধার মুখে পড়েন। জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মী ও ডাকসুর সাবেক কিছু নেতার (এ বি জুবায়ের, মোসাদ্দেক ইবনে আলী) নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী ইমি ও মামুনকে টেনেহিঁচড়ে থানার
ভেতরে ও ফটকে মারধর করে। পরে পুলিশ বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে এবং ৮ মার্চ তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগও উঠেছে। ক্যাম্পাসে চলমান এই বিশৃঙ্খলার সমান্তরালে আলোচনায় উঠে আসছে ফজলুল হক মুসলিম হলে নিহত তোফাজ্জল হোসেনের কথা। চুরির অপবাদে মানসিকভাবে অসুস্থ এই যুবককে ভাত খাইয়ে দফায় দফায় পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। সেই ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নাম ভাঙিয়ে চলা কিছু শিক্ষার্থী ও সাবেক ছাত্রলীগ কর্মীদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। একের পর এক এই ধরনের ঘটনা প্রমাণ করছে যে, রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক, ‘মব জাস্টিস’ এখন ঢাবির সাধারণ সংস্কৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে
পাভেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং ইমি-মামুনসহ তিন ছাত্র কারাগারে রয়েছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের একাংশ মনে করছে, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানো বা আদর্শিক ভিন্নতার কারণে যেভাবে শারীরিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে, তা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ধ্বংস করছে। অন্যদিকে, অভিযোগ উঠছে যে নির্দিষ্ট কিছু গ্রুপ ক্যাম্পাসকে তাদের “আখড়ায়” পরিণত করে ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর স্টিম রোলার চালাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতির ওপর নজর রাখলেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়ে গেছে।
শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ আপলোড করেছিলেন। গুরুতর আহত ও অর্ধমৃত অবস্থায় তাকে শাহবাগ থানার সামনে ফেলে রাখা হয়। এক্স (সাবেক টুইটার)-এ ভাইরাল হওয়া ছবি ও ভিডিওতে পাভেলের শরীরের ক্ষতচিহ্নগুলো ক্যাম্পাসে আদর্শিক প্রতিহিংসার বীভৎস রূপ ফুটিয়ে তুলেছে। ৭ মার্চের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গতকাল শাহবাগ থানার সামনে আরেক দফা সহিংসতার ঘটনা ঘটে। ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আসিফ আহমেদ সৈকত আটক হওয়ার প্রতিবাদে ইমি ও আব্দুল্লাহ আল মামুন রিকশায় মাইক বেঁধে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানোর কর্মসূচি পালন করতে গেলে বাধার মুখে পড়েন। জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মী ও ডাকসুর সাবেক কিছু নেতার (এ বি জুবায়ের, মোসাদ্দেক ইবনে আলী) নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী ইমি ও মামুনকে টেনেহিঁচড়ে থানার
ভেতরে ও ফটকে মারধর করে। পরে পুলিশ বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে এবং ৮ মার্চ তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগও উঠেছে। ক্যাম্পাসে চলমান এই বিশৃঙ্খলার সমান্তরালে আলোচনায় উঠে আসছে ফজলুল হক মুসলিম হলে নিহত তোফাজ্জল হোসেনের কথা। চুরির অপবাদে মানসিকভাবে অসুস্থ এই যুবককে ভাত খাইয়ে দফায় দফায় পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। সেই ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নাম ভাঙিয়ে চলা কিছু শিক্ষার্থী ও সাবেক ছাত্রলীগ কর্মীদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। একের পর এক এই ধরনের ঘটনা প্রমাণ করছে যে, রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক, ‘মব জাস্টিস’ এখন ঢাবির সাধারণ সংস্কৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে
পাভেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং ইমি-মামুনসহ তিন ছাত্র কারাগারে রয়েছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের একাংশ মনে করছে, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানো বা আদর্শিক ভিন্নতার কারণে যেভাবে শারীরিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে, তা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ধ্বংস করছে। অন্যদিকে, অভিযোগ উঠছে যে নির্দিষ্ট কিছু গ্রুপ ক্যাম্পাসকে তাদের “আখড়ায়” পরিণত করে ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর স্টিম রোলার চালাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতির ওপর নজর রাখলেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়ে গেছে।



