ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গাজা যুদ্ধে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল
‘দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নয়’
আদর্শকে হত্যা করা যায় না, ট্রাম্পের ‘এক আঘাতেই সবাই শেষ’ মন্তব্যের জবাবে ইরান
গাজা যুদ্ধে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল
‘দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নয়’
আটটি যুদ্ধ মিটমাট করেছি, তাও নোবেল পেলাম না: ট্রাম্প
মহাকাশে নতুন স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করল চীন
ইরান সংকটে ‘দ্রুত সমাধান’ খুঁজছেন ট্রাম্প, তবে পরিস্থিতি জটিল—বিশ্লেষকদের সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সামরিক মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন, একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে সমঝোতার কথাও বলেছেন। মার্কিন প্রশাসনের এই দ্বিমুখী কৌশলকে বিশ্লেষকরা অত্যন্ত জটিল এবং বিপজ্জনক বলে অভিহিত করেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবহর ও মেরিন বাহিনী ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে। ইউএসএস ট্রিপোলি শিপে প্রায় দুই হাজার দুইশ মেরিন সদস্য রয়েছে এবং ইউএসএস বক্সার শিপে আরও দুই হাজার পাঁচশ মেরিন সদস্য রওনা দিয়েছে।
এছাড়া আর্মির ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের প্রায় এক হাজার সদস্যও মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত। এই বাহিনী স্বল্প সময়ের মধ্যে যেকোনো শত্রুতাপূর্ণ এলাকায় নেমে কার্যক্রম পরিচালনায় সক্ষম।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সামরিক প্রস্তুতির ফলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মোট প্রায় আট হাজার মার্কিন সেনা উপস্থিত থাকতে
পারে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, তার দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনার সম্প্রতি ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে যে ইরান হয়তো “একটি রপ্তানির পথ” খুঁজছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত। যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য কৌশল হিসেবে তিনটি প্রধান বিকল্প রয়েছে। একটি হলো সেনা মোতায়েন করে প্রস্তুত থাকা। যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে পঞ্চাশ হাজার সেনা মধ্যপ্রাচ্যে স্থাপন করেছে, যদিও তাদের অধিকাংশ সরাসরি আক্রমণাত্মক অভিযান চালানোর জন্য নয়। দ্বিতীয় বিকল্প হলো পার্সিয়ান উপসাগরে ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ দখল করা। বিশ্লেষকরা মনে করেন, দ্বীপ দখল করলে ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধ হয়ে যেতে পারে, তবে
দ্বীপটি ইরানের মূল ভূখণ্ডের খুব কাছে হওয়ায় স্থল অভিযান ঝুঁকিপূর্ণ। তৃতীয় বিকল্প হলো ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে স্থল অভিযান, যা উপকূলীয় সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা লক্ষ্য করতে পারে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এটি সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করতে পারে এবং প্রচুর ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। পার্সিয়ান উপসাগরের হরমুজ প্রণালী বিশ্বজুড়ে তেলের প্রবাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংঘাত বৃদ্ধি পেলে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হবে এবং জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হবে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, স্থল বা নৌ অভিযান তেলের আন্তর্জাতিক সরবরাহে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ইরান ইতিমধ্যেই জানে যে মার্কিন মেরিন সেনারা আসছে, তাই কোনো আকস্মিকতার সুযোগ নেই। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সতর্ক করে বলেছেন, দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরীক্ষা
করবেন না এবং আমাদের ভূমি রক্ষায় সংকল্প পরীক্ষা করা উচিত নয়। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, স্থল অভিযান সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘ভিয়েতনাম পরিস্থিতি’ তৈরি করতে পারে। খার্গ দ্বীপ দখল কৌশলগতভাবে সীমিত ফল দিতে পারে। স্থল ও নৌ হামলা ইরানকে আরও প্রতিরোধমূলক হতে প্ররোচিত করবে। ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানির সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। এতে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়ছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্যবৃদ্ধির কারণ। অস্ট্রেলিয়া ও অন্যান্য দেশ জরুরি জ্বালানি মজুত ব্যবহার করছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্রুত সমাধানের প্রচেষ্টা বাস্তবে কার্যকর নয়। বরং এটি মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা বাড়াচ্ছে। সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সমন্বয় না হলে সংঘাত আরও দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল
হয়ে উঠবে। ইরানও প্রস্তুত অবস্থানে রয়েছে, ফলে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপে আকস্মিক সাফল্য আশা করা কঠিন। এই পরিস্থিতি এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে যুদ্ধ ও কূটনীতি—উভয়ই প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে এবং মধ্যপ্রাচ্য ভবিষ্যতের জন্য অনিশ্চিত অবস্থানে রয়েছে।
পারে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, তার দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনার সম্প্রতি ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে যে ইরান হয়তো “একটি রপ্তানির পথ” খুঁজছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত। যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য কৌশল হিসেবে তিনটি প্রধান বিকল্প রয়েছে। একটি হলো সেনা মোতায়েন করে প্রস্তুত থাকা। যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে পঞ্চাশ হাজার সেনা মধ্যপ্রাচ্যে স্থাপন করেছে, যদিও তাদের অধিকাংশ সরাসরি আক্রমণাত্মক অভিযান চালানোর জন্য নয়। দ্বিতীয় বিকল্প হলো পার্সিয়ান উপসাগরে ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ দখল করা। বিশ্লেষকরা মনে করেন, দ্বীপ দখল করলে ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধ হয়ে যেতে পারে, তবে
দ্বীপটি ইরানের মূল ভূখণ্ডের খুব কাছে হওয়ায় স্থল অভিযান ঝুঁকিপূর্ণ। তৃতীয় বিকল্প হলো ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে স্থল অভিযান, যা উপকূলীয় সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা লক্ষ্য করতে পারে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এটি সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করতে পারে এবং প্রচুর ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। পার্সিয়ান উপসাগরের হরমুজ প্রণালী বিশ্বজুড়ে তেলের প্রবাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংঘাত বৃদ্ধি পেলে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হবে এবং জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হবে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, স্থল বা নৌ অভিযান তেলের আন্তর্জাতিক সরবরাহে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ইরান ইতিমধ্যেই জানে যে মার্কিন মেরিন সেনারা আসছে, তাই কোনো আকস্মিকতার সুযোগ নেই। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সতর্ক করে বলেছেন, দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরীক্ষা
করবেন না এবং আমাদের ভূমি রক্ষায় সংকল্প পরীক্ষা করা উচিত নয়। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, স্থল অভিযান সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘ভিয়েতনাম পরিস্থিতি’ তৈরি করতে পারে। খার্গ দ্বীপ দখল কৌশলগতভাবে সীমিত ফল দিতে পারে। স্থল ও নৌ হামলা ইরানকে আরও প্রতিরোধমূলক হতে প্ররোচিত করবে। ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানির সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। এতে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়ছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্যবৃদ্ধির কারণ। অস্ট্রেলিয়া ও অন্যান্য দেশ জরুরি জ্বালানি মজুত ব্যবহার করছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্রুত সমাধানের প্রচেষ্টা বাস্তবে কার্যকর নয়। বরং এটি মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা বাড়াচ্ছে। সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সমন্বয় না হলে সংঘাত আরও দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল
হয়ে উঠবে। ইরানও প্রস্তুত অবস্থানে রয়েছে, ফলে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপে আকস্মিক সাফল্য আশা করা কঠিন। এই পরিস্থিতি এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে যুদ্ধ ও কূটনীতি—উভয়ই প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে এবং মধ্যপ্রাচ্য ভবিষ্যতের জন্য অনিশ্চিত অবস্থানে রয়েছে।



