ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইয়াবা সেবনের আসরে যুবককে গুলি করে হত্যা
নেত্রকোনায় বোনের বাড়িতে যাওয়ার পথে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ
ঢাকায় পুরোহিতের ওপর নৃশংস হামলা, মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন সুভাষ দেউরী
মুক্তিপণের জন্য অপহরণের পর একে একে শিশুহত্যা, ফিরিয়ে এনেছে নব্বই দশকের আতঙ্ক
মা-বোনসহ ঢাবি ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে ঘাতকের মৃত্যু
মধুপুরে মাদ্রাসায় ফের ছাত্রকে যৌন নির্যাতন
পাঁচ বছর বয়সি মেয়েশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ময়মনসিংহের ত্রিশালে এক মসজিদের ইমামকে ব্যাপক ধোলাই
সরকারি পুকুর থেকে বিএনপি নেতার মাছ চুরি!
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় সরকারি পুকুর থেকে বিএনপি নেতা কর্তৃক দিনদুপুরে মাছ চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার সকালে মাছ চুরির ওই ঘটনায় রাতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। সরকারি পুকুর থেকে মাছ লুট হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুমা জান্নাত। তবে দায়েরকৃত মামলায় কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি।
স্থানীয় চৌকিদারের অভিযোগ- চরলক্ষ্যা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন জুয়েলের (৪০) নেতৃত্বে বড়জাল দিয়ে মাছ চুরি করা হয়। ঘটনার সময় থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ মাছ ধারার কাজে ব্যবহৃত জাল ও ৭ জনকে আটক করে।
জানা গেছে, মাছ চুরির ঘটনায় কর্ণফুলী থানার এসআই বাশার গাজী অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে আটক ও জাল জব্দ করেন। গ্রামপুলিশ মো. ইউনুস জানান, সকালে দেখতে পাই সরকারি তিনটি পুকুরে জাল ফেলছে কিছু লোকজন। এ সময় তাদের মাছ ধরতে কে বলেছে জিজ্ঞেস করলে বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন জুয়েল বলেন, ইউএনও তাদের অনুমতি দিয়েছেন। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায় ইউএনও কোনো অনুমতি দেননি। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সাতজনকে আটক করেন। স্থনীয়দের অভিযোগ মাছ লুটের বিষয়টি ধামাচাপা দিতে দিনভর নানা নাটকীয়তা চলে। সবশেষ রাতে অজ্ঞাতনামা আসামি দিয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়। চরলক্ষ্যা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহসিলদার এ কে এম সাজ্জাদ শাহ আমজাদ একটি
মামলা দায়ের করেছেন। এই ঘটনায় অজ্ঞাত ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্ত বিএনপি নেতা জসিম উদ্দীন জুয়েল বলেন, মাছ লুটের ঘটনয় তিনি জড়িত নন। ঘটনাস্থলে তিনি ছিলেন না।
জানা গেছে, মাছ চুরির ঘটনায় কর্ণফুলী থানার এসআই বাশার গাজী অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে আটক ও জাল জব্দ করেন। গ্রামপুলিশ মো. ইউনুস জানান, সকালে দেখতে পাই সরকারি তিনটি পুকুরে জাল ফেলছে কিছু লোকজন। এ সময় তাদের মাছ ধরতে কে বলেছে জিজ্ঞেস করলে বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন জুয়েল বলেন, ইউএনও তাদের অনুমতি দিয়েছেন। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায় ইউএনও কোনো অনুমতি দেননি। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সাতজনকে আটক করেন। স্থনীয়দের অভিযোগ মাছ লুটের বিষয়টি ধামাচাপা দিতে দিনভর নানা নাটকীয়তা চলে। সবশেষ রাতে অজ্ঞাতনামা আসামি দিয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়। চরলক্ষ্যা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহসিলদার এ কে এম সাজ্জাদ শাহ আমজাদ একটি
মামলা দায়ের করেছেন। এই ঘটনায় অজ্ঞাত ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্ত বিএনপি নেতা জসিম উদ্দীন জুয়েল বলেন, মাছ লুটের ঘটনয় তিনি জড়িত নন। ঘটনাস্থলে তিনি ছিলেন না।



