ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাজধানীতে তীব্র গ্যাসের সংকট কেন, জানাল তিতাস
কেরানীগঞ্জ কারাগারে ‘মানবেতর’ জীবন: ১৮০০ বন্দিকে ২৪ ঘণ্টা লকআপ ও খাবার বঞ্চনার অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতার
‘বাংলাদেশে কেন জন্ম নিলাম? এটা অভিশাপ’—গ্যাসের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে এক অসহায় বাবর্চির আর্তনাদ
‘বঙ্গবন্ধু কেবল দলের নন, তিনি আমাদের ঘরের মানুষ, তাকে কেন খলনায়ক বানানো হচ্ছে?’—তরুণের প্রশ্ন
মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি রাজশাহীতে রেকর্ড
নাটোরে নির্জন স্থানে মিললো তরুণীর রক্তাক্ত মরদেহ
নারায়ণগঞ্জে ঘরের ভেতর ঢুকে গু’লি করে খু’ন—এটাই বিএনপির রাজনীতি
সনাতনী ধর্মালম্বীদেরকে হত্যার ঘটনায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
স্টাফ রিপোর্টার।
রাষ্ট্রীয় মদদে একাত্তরের পরাজিত অপশক্তি কর্তৃক পরিকল্পিত ভাবে সারাদেশে সনাতনী ধর্মালম্বীদেরকে হত্যা, ধর্ষণ, হামলা ও নির্যাতনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো: আল মামুন স্বাক্ষরিত এক লিখিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে (৬ জানুয়ারি, মঙ্গলবার) এই প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
লিখিত প্রতিবাদ লিপিতে বলা হয়েছে যে,
"অবৈধ ও অসাংবিধানিক দখলদার ফ্যাসিস্ট ইউনুস সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে একাত্তরের পরাজিত অপশক্তি কর্তৃক পরিকল্পিত ভাবে সারাদেশে প্রতিদিন সনাতনী ধর্মালম্বীদেরকে হত্যা, ধর্ষণ, হামলা ও নির্যাতনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। বর্তমান অবৈধ ও অসাংবিধানিক ইউনুস সরকার সনাতনী ধর্মালম্বীদের নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হওয়ায় অবিলম্বে বাংলাদেশের সনাতনী ধর্মালম্বীদের জীবনের
নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কর্তৃক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি দ্রুত হস্তক্ষেপের আহবান জানাচ্ছে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। দেশে এখন আইনের শাসন ও বিচার ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। চারিদিকে শুধু লাশ আর লাশ। মব সন্ত্রাসের রাজত্ব চলছে। গতকাল ০৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় কপালিয়া বাজারে সাংবাদিক রানা প্রতাপকে বৈরাগীকে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। ময়মনসিংহে দীপু দাসকে হত্যার পর শরীয়তপুরে ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্রকে আগুনে পুড়ে মারা হয়েছে। কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক সনাতনী ধর্মালম্বী অন্নপূর্ণা দেবনাথকে হেনস্তা করেছে স্থানীয় জামাত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা। গতকাল চট্টগ্রামের লালখান বাজারের মতিঝর্ণা এলাকায় বাসার মালিক তার সনাতনী ভাড়াটে ১২ বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণ করে গলা টিপে হত্যা
করেছে। রংপুরের পীরগঞ্জে চন্দন বর্মনের জমি দখল করেছে স্থানীয় জামাত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা। নরসিংদীর পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর বাজারে মনি চক্রবর্তী নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে হত্যা করা হয়েছে। ঝিনাইদহে একজন সনাতনী ধর্মালম্বীর বিধবা নারীকে গাছের সাথে বেধে নির্যাতন করা হয়েছে। সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী অপশক্তি কর্তৃক সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লাশ সৎকারে বাঁধা দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালে সারাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর অর্ধশতাধিক হত্যাসহ অর্ধ সহস্রাধিক সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। শুধুমাত্র ডিসেম্বরের প্রথম তিন সপ্তাহেই ৫ জন সংখ্যালঘুকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৫ সালের ২ ডিসেম্বর নরসিংদীর রায়পুরায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রাণতোষ কর্মকার, ৫ ডিসেম্বর ফরিদপুরের সালফায় মৎস্য ব্যবসায়ী উৎপল সরকার, ৬ ডিসেম্বর রংপুরের
তারাগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রধান শিক্ষক যোগেশ চন্দ্র রায় ও তাঁর স্ত্রী সুবর্ণা রায় এবং ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টায় কথিত ধর্ম অবমাননার অজুহাতে ময়মনসিংহের ভালুকায় গার্মেন্টস শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে অর্ধমৃত করে গাছে ঝুলিয়ে আগুনে পুড়িয়ে বর্বরোচিতভাবে হত্যাকাণ্ড। এছাড়াও গত ১৯ ডিসেম্বর বেলা আড়াইটার দিকে ঝিনাইদহে গোপাল বিশ্বাস নামের এক রিক্সাচালককে স্থানীয় পৌরসভা গেইটের সামনে একদল উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র-জনতা নামধারী জামাত-শিবিরের মব সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিত ভাবে ভারতীয় এজেন্ট নামক মিথ্যা ট্যাগ লাগিয়ে আটক করে গণধোলাই দিয়ে স্থানীয় পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অন্তত ২ হাজার ৪৪২টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার মধ্যে
হত্যা, যৌন নির্যাতন এবং উপাসনালয়ে হামলাও রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী প্রথম দুই সপ্তাহেই এক হাজারের বেশি সংখ্যালঘু মালিকানাধীন বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোন সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার হয়নি। একাত্তরের পরাজিত অপশক্তি পাকিস্তানের দোসররা বর্তমান অবৈধ ও অসাংবিধানিক দখলদার ইউনুস সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে সারাদেশে সনাতনী ধর্মালম্বী ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির মানুষদের ওপর হামলা, মামলা, হত্যা ও নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। মনে হয় কেউ দেখার নেই। বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নীরবতা প্রমাণ করে যে, এদেশে এখন ভিন্ন ধর্ম ও মতের মানুষের জীবনের কোন নিরাপত্তা নেই। একাত্তরের পরাজিত সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী অপশক্তি জামাত-শিবিরের কাছে
বর্তমান প্রশাসন ও রাষ্ট্রযন্ত্র জিম্মি হয়ে পড়েছে। একারণেই কোন সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান শান্তি ও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। একাত্তরে পরাজিত হওয়ার প্রতিশোধ নেয়ার জন্য পাকিস্তানের প্রেসক্রিপশনে পরিকল্পিত ভাবে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপশক্তির দোসররা এসব সাম্প্রদায়িক হামলা ও হত্যা চালিয়ে যাচ্ছে।আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহবান, অবিলম্বে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সনাতনী ধর্মালম্বীদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অবৈধ ও অসাংবিধানিক দখলদার ইউনুসের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সারাদেশে সনাতনী ধর্মালম্বীদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান, সনাতনী ধর্মালম্বীসহ বাংলাদেশকে রক্ষার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে রাজপথে নেমে আসুন। গণ আন্দোলনের মাধ্যমে পাকিস্তানের দোসর অবৈধ ইউনুস সরকারের বিদায় নিশ্চিত করতে হবে।
৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত ও ২ লক্ষ নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত ধর্মনিরপেক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে কোন সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী অপশক্তির জায়গা হবে না। একাত্তরের ন্যায় আবার রাজাকারদের পরাজয় নিশ্চিত করতে হবে। বিজয় আমাদের হবেই। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।"
নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কর্তৃক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি দ্রুত হস্তক্ষেপের আহবান জানাচ্ছে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। দেশে এখন আইনের শাসন ও বিচার ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। চারিদিকে শুধু লাশ আর লাশ। মব সন্ত্রাসের রাজত্ব চলছে। গতকাল ০৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় কপালিয়া বাজারে সাংবাদিক রানা প্রতাপকে বৈরাগীকে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। ময়মনসিংহে দীপু দাসকে হত্যার পর শরীয়তপুরে ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্রকে আগুনে পুড়ে মারা হয়েছে। কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক সনাতনী ধর্মালম্বী অন্নপূর্ণা দেবনাথকে হেনস্তা করেছে স্থানীয় জামাত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা। গতকাল চট্টগ্রামের লালখান বাজারের মতিঝর্ণা এলাকায় বাসার মালিক তার সনাতনী ভাড়াটে ১২ বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণ করে গলা টিপে হত্যা
করেছে। রংপুরের পীরগঞ্জে চন্দন বর্মনের জমি দখল করেছে স্থানীয় জামাত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা। নরসিংদীর পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর বাজারে মনি চক্রবর্তী নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে হত্যা করা হয়েছে। ঝিনাইদহে একজন সনাতনী ধর্মালম্বীর বিধবা নারীকে গাছের সাথে বেধে নির্যাতন করা হয়েছে। সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী অপশক্তি কর্তৃক সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লাশ সৎকারে বাঁধা দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালে সারাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর অর্ধশতাধিক হত্যাসহ অর্ধ সহস্রাধিক সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। শুধুমাত্র ডিসেম্বরের প্রথম তিন সপ্তাহেই ৫ জন সংখ্যালঘুকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৫ সালের ২ ডিসেম্বর নরসিংদীর রায়পুরায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রাণতোষ কর্মকার, ৫ ডিসেম্বর ফরিদপুরের সালফায় মৎস্য ব্যবসায়ী উৎপল সরকার, ৬ ডিসেম্বর রংপুরের
তারাগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রধান শিক্ষক যোগেশ চন্দ্র রায় ও তাঁর স্ত্রী সুবর্ণা রায় এবং ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টায় কথিত ধর্ম অবমাননার অজুহাতে ময়মনসিংহের ভালুকায় গার্মেন্টস শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে অর্ধমৃত করে গাছে ঝুলিয়ে আগুনে পুড়িয়ে বর্বরোচিতভাবে হত্যাকাণ্ড। এছাড়াও গত ১৯ ডিসেম্বর বেলা আড়াইটার দিকে ঝিনাইদহে গোপাল বিশ্বাস নামের এক রিক্সাচালককে স্থানীয় পৌরসভা গেইটের সামনে একদল উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র-জনতা নামধারী জামাত-শিবিরের মব সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিত ভাবে ভারতীয় এজেন্ট নামক মিথ্যা ট্যাগ লাগিয়ে আটক করে গণধোলাই দিয়ে স্থানীয় পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অন্তত ২ হাজার ৪৪২টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার মধ্যে
হত্যা, যৌন নির্যাতন এবং উপাসনালয়ে হামলাও রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী প্রথম দুই সপ্তাহেই এক হাজারের বেশি সংখ্যালঘু মালিকানাধীন বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোন সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার হয়নি। একাত্তরের পরাজিত অপশক্তি পাকিস্তানের দোসররা বর্তমান অবৈধ ও অসাংবিধানিক দখলদার ইউনুস সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে সারাদেশে সনাতনী ধর্মালম্বী ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির মানুষদের ওপর হামলা, মামলা, হত্যা ও নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। মনে হয় কেউ দেখার নেই। বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নীরবতা প্রমাণ করে যে, এদেশে এখন ভিন্ন ধর্ম ও মতের মানুষের জীবনের কোন নিরাপত্তা নেই। একাত্তরের পরাজিত সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী অপশক্তি জামাত-শিবিরের কাছে
বর্তমান প্রশাসন ও রাষ্ট্রযন্ত্র জিম্মি হয়ে পড়েছে। একারণেই কোন সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান শান্তি ও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। একাত্তরে পরাজিত হওয়ার প্রতিশোধ নেয়ার জন্য পাকিস্তানের প্রেসক্রিপশনে পরিকল্পিত ভাবে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপশক্তির দোসররা এসব সাম্প্রদায়িক হামলা ও হত্যা চালিয়ে যাচ্ছে।আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহবান, অবিলম্বে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সনাতনী ধর্মালম্বীদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অবৈধ ও অসাংবিধানিক দখলদার ইউনুসের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সারাদেশে সনাতনী ধর্মালম্বীদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান, সনাতনী ধর্মালম্বীসহ বাংলাদেশকে রক্ষার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে রাজপথে নেমে আসুন। গণ আন্দোলনের মাধ্যমে পাকিস্তানের দোসর অবৈধ ইউনুস সরকারের বিদায় নিশ্চিত করতে হবে।
৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত ও ২ লক্ষ নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত ধর্মনিরপেক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে কোন সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী অপশক্তির জায়গা হবে না। একাত্তরের ন্যায় আবার রাজাকারদের পরাজয় নিশ্চিত করতে হবে। বিজয় আমাদের হবেই। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।"



