ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানে হাসপাতালের ৫ তলা থেকে ফেলে তরুণীকে হত্যা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে মাদ্রাসার শিক্ষক-পরিচালক মিলে ছাত্রদের দিনের পর দিন ধর্ষণ: ‘হাদিয়া’ দিয়ে খবর ধামাচাপার চেষ্টা
সাড়ে চার মাসে ধর্ষণের শিকার ১১৮ শিশু
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক জঙ্গিবাদের প্রধান রুট হয়ে উঠেছে: দ্য অস্ট্রেলিয়ান টুডে
বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য মেট্রোরেলে ২৫% ছাড়
৫ ট্রেনের বিলম্ব, কমলাপুরে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়
ঈদের লম্বা ছুটিতে মহাখালী বাসটার্মিনালে ঘরমুখো মানুষের ঢল
সকল প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে গণতন্ত্র উদ্ধারে দেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা
মেটিকুলাস ডিজাইনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ মাথায় নিয়েই দেশে ফিরে রাজনৈতিক ও আইনিভাবে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে চান আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
সম্প্রতি অনলাইন প্ল্যাটফরমে তার সাথে বৈঠকে অংশগ্রহণকারী এবং ভারতে গিয়ে সাক্ষাৎ করেছেন এমন একাধিক শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতা এ তথ্য জানিয়েছেন।
দলীয় প্রধানের দেশে ফেরা উপলক্ষে ইতিমধ্যে মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও দলটির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, শেখ হাসিনা দ্রুততম সময়ে দেশে ফিরতে চান। সে জন্য যেসব প্রক্রিয়া গ্রহণ করা দরকার, তা আমরা করছি। তিনি যেভাবে ভারতে গিয়েছেন, সেভাবেই বীরদর্পে দেশে ফিরবেন।
এটি শুধুই কর্মীদের চাঙা করার কৌশল কি না
এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটু অপেক্ষা করুন। শেখ হাসিনার দেশে ফেরা উপলক্ষে বিপুল জনসমাগম করতে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। এই মুহূর্তে দলের অসহায় নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়াতেই দেশে ফিরবেন তিনি। ইউরোপ আওয়ামী লীগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা জানান, শেখ হাসিনা ট্রাভেল পাসের জন্য আগামী ১৫ আগস্টের আগেই দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাছে আবেদন করতে পারেন। তিনি টেলিগ্রাম গ্রুপ কলে নেতাদের বলেছেন, এই বয়সে দেশে এসে গণতন্ত্রের জন্য যদি তাকে ফাঁসির মঞ্চেও যেতে হয়, তাতেও কোনো কষ্ট থাকবে না। আওয়ামী লীগের তৃণমূল ও শীর্ষ নেতাদের দাবি, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনা সকল মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা। দলটির প্রচারণায় বলা হচ্ছে, ক্ষমতা লোভী ড. ইউনূসের
নেতৃত্বাধীন প্রশাসন এবং বিএনপি-জামায়াত জোট মিলে একটি ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’ বা অতি সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে হঠিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসির রায় দিয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতাদের দাবি, দেশের জনগণ ইতিমধ্যেই শেখ হাসিনার অভাব বুঝতে পারছে এবং তার শাসনামলেই দেশ ও দেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি নিরাপদ ছিল। বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করে জনমনে অসন্তোষ তৈরির মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আবার রাজপথে প্রাসঙ্গিক হতে চাইছে। বর্তমানে ভারতে অবস্থান করলেও শেখ হাসিনা নিয়মিত দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকের মাধ্যমে মাঠের নেতাকর্মীদের দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন বলে জানা গেছে। এদিকে আইনি বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জামায়াত নেতা তাজুল ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা
দেশে ফিরলে তাকে প্রথমেই আইসিটি মামলায় আত্মসমর্পণ করতে হবে। ইতিমধ্যে ফাঁসির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার নির্দিষ্ট সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে। এখন তিনি আপিল করতে পারবেন কি না, সেটি সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত দেবে। ফাঁসির আদেশ মাথায় নিয়ে তিনি দেশে এসে মামলা ফেস করবেন, এটি বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না; এটি রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি মাত্র। সম্প্রতি সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা তো তাঁকে (শেখ হাসিনা) ফেরত চাই, আইনিভাবে চাই। ভারতের সঙ্গে চুক্তি অনুসারে অনুরোধ করেছি শেখ হাসিনাকে ফেরত চাই। আমরা চাই তিনি মামলা ফেস করুক। তবে এখন পর্যন্ত শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে দিল্লির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক সাড়া পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, ২০২৪
সালের ৫ই আগস্ট জঙ্গি হামলার পর দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। পরবর্তীতে গত বছরের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার মামলায় শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেয় এবং তার সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেয়। এছাড়া চলতি বছরের এপ্রিলে আইন পাসের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়।
এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটু অপেক্ষা করুন। শেখ হাসিনার দেশে ফেরা উপলক্ষে বিপুল জনসমাগম করতে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। এই মুহূর্তে দলের অসহায় নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়াতেই দেশে ফিরবেন তিনি। ইউরোপ আওয়ামী লীগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা জানান, শেখ হাসিনা ট্রাভেল পাসের জন্য আগামী ১৫ আগস্টের আগেই দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাছে আবেদন করতে পারেন। তিনি টেলিগ্রাম গ্রুপ কলে নেতাদের বলেছেন, এই বয়সে দেশে এসে গণতন্ত্রের জন্য যদি তাকে ফাঁসির মঞ্চেও যেতে হয়, তাতেও কোনো কষ্ট থাকবে না। আওয়ামী লীগের তৃণমূল ও শীর্ষ নেতাদের দাবি, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনা সকল মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা। দলটির প্রচারণায় বলা হচ্ছে, ক্ষমতা লোভী ড. ইউনূসের
নেতৃত্বাধীন প্রশাসন এবং বিএনপি-জামায়াত জোট মিলে একটি ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’ বা অতি সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে হঠিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসির রায় দিয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতাদের দাবি, দেশের জনগণ ইতিমধ্যেই শেখ হাসিনার অভাব বুঝতে পারছে এবং তার শাসনামলেই দেশ ও দেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি নিরাপদ ছিল। বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করে জনমনে অসন্তোষ তৈরির মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আবার রাজপথে প্রাসঙ্গিক হতে চাইছে। বর্তমানে ভারতে অবস্থান করলেও শেখ হাসিনা নিয়মিত দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকের মাধ্যমে মাঠের নেতাকর্মীদের দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন বলে জানা গেছে। এদিকে আইনি বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জামায়াত নেতা তাজুল ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা
দেশে ফিরলে তাকে প্রথমেই আইসিটি মামলায় আত্মসমর্পণ করতে হবে। ইতিমধ্যে ফাঁসির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার নির্দিষ্ট সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে। এখন তিনি আপিল করতে পারবেন কি না, সেটি সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত দেবে। ফাঁসির আদেশ মাথায় নিয়ে তিনি দেশে এসে মামলা ফেস করবেন, এটি বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না; এটি রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি মাত্র। সম্প্রতি সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা তো তাঁকে (শেখ হাসিনা) ফেরত চাই, আইনিভাবে চাই। ভারতের সঙ্গে চুক্তি অনুসারে অনুরোধ করেছি শেখ হাসিনাকে ফেরত চাই। আমরা চাই তিনি মামলা ফেস করুক। তবে এখন পর্যন্ত শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে দিল্লির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক সাড়া পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, ২০২৪
সালের ৫ই আগস্ট জঙ্গি হামলার পর দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। পরবর্তীতে গত বছরের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার মামলায় শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেয় এবং তার সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেয়। এছাড়া চলতি বছরের এপ্রিলে আইন পাসের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়।



