সংস্কারের মুখোশে দমন: ইউনূস সরকারের তেলেসমাতি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৫ মার্চ, ২০২৬

আরও খবর

সংস্কারের মুখোশে দমন: ইউনূস সরকারের তেলেসমাতি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৫ মার্চ, ২০২৬ |
আনিস আলমগীর তিন মাস জেল খেটে বেরিয়ে এলেন। অভিযোগ ছিল সন্ত্রাসবিরোধী আইনে। একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, এটা পড়লে আক্কেলগুড়ুম হলেও কিছু বলার নেই কারণ এই একই কায়দায় গত দেড় বছরে শত শত মানুষকে কারাগারে পুরে রাখা হয়েছে। ড. ইউনূসের সরকার ক্ষমতায় এসেছিল বিদেশী রাষ্ট্রের টাকায়, ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের সহায়তায় আর সামরিক বাহিনীর সমর্থনে ২০২৪ সালে দেশব্যাপী জুলাই দাঙ্গা বাঁধিয়ে দেশের নির্বাচিত সরকারকে ক্যু করে ফেলে দিয়ে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করার জন্য একটা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি করে। তাদের বৈধতার প্রশ্নটা তোলার আগে যেটা দেখার, সেটা হলো তারা ক্ষমতায় এসে আসলে কী করল তাদের তথাকথিত সংস্কারের নামে। মহামারীর মতো বিচারবহির্ভূত হত্যা

আর খোলামকুচির মতো বিভিন্ন সাজানো মামলায় গণ গ্রেফতার! আনিস আলমগীর জেলে গিয়ে যা দেখেছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেছেন, ভেতরে শুধু একটা দলের কর্মী, যাদের কোনো পদপদবিও নেই। মানে জেলা বা উপজেলা পর্যায়ের নেতা না, একেবারে তৃণমূলের সাধারণ কর্মী। এদের বিরুদ্ধে কী মামলা? সন্ত্রাস। এই মানুষগুলো কি আদৌ সন্ত্রাসী? নাকি সন্ত্রাসের সংজ্ঞাটাই বদলে গেছে, রাজনৈতিক বিরোধিতা করলেই এখন সন্ত্রাস? ইউনূস নিজে নোবেলজয়ী, ক্ষুদ্রঋণের পথিকৃৎ হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত মুখ। কিন্তু তার সরকারের আমলে যে বিচারবহির্ভূত গ্রেপ্তার, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আইনের ব্যবহার, মাসের পর মাস বিনা বিচারে আটক, এগুলো নিয়ে আন্তর্জাতিক মহল যতটা সোচ্চার হওয়ার কথা ছিল, ততটা হয়নি। কারণ সহজ, ইউনূস পশ্চিমের কাছে পছন্দের মুখ।

তার আমলে মানবাধিকার লঙ্ঘন হলেও সেটা নিয়ে জেনেভায় তেমন আলোচনা হয় না। এখন বিএনপি ক্ষমতায়। ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। আনিস আলমগীরের মুক্তি সেই প্রেক্ষাপটেই হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যায়। কিন্তু বিএনপির নিজের ইতিহাস এই প্রশ্নের সামনে দাঁড়িয়ে বেশিক্ষণ পরিষ্কার মুখ রাখতে পারে না। ২০০১ থেকে ২০০৬, সেই সরকারের আমলেও সাংবাদিক নির্যাতন, বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের মামলা দিয়ে ঘায়েল করা, এই সংস্কৃতি চালু ছিল। ফলে ইউনূস গেছেন, বিএনপি এসেছে, এতে যদি কাঠামোটা না বদলায়, তাহলে পরিবর্তনটা শুধু নাম বদলানোতেই থাকবে। আনিস সাহেব সাংবাদিক মানুষ, তার হয়ে কথা বলার জন্য পুরো সাংবাদিক সমাজই ছিলো। কিন্তু কাশিমপুরে এখনো যারা আটকে আছেন, তাদের কথা কেউ বলছে না। ইউনূস

আমলে যে হাজারো সাধারণ মানুষকে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে ভেতরে পুরে রাখা হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের একটা করে পরিবার আছে, বাড়িতে অপেক্ষায় থাকা মানুষ আছে। আনিস আলমগীর বেরিয়ে এলেন, মিডিয়া কভারেজ পেলেন, কারণ তিনি পরিচিত মুখ। নামহীন যে মানুষগুলো এখনো ভেতরে আছেন, তাদের জন্য ক্যামেরা আসে না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
চাকরি বাঁচাতে নীতি-আদর্শ জলাঞ্জলি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন: তোপ দাগলেন ড. মোমেন প্রিজন ভ্যান থেকে সাবেক এমপি তুহিনের আকুতি: ‘অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি, ন্যায়বিচার চাই’ বঙ্গবন্ধুর ১০৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গোপালগঞ্জে ইফতার বিতরণ: শেখ হাসিনার দ্রুত প্রত্যাবর্তনে দোয়া কামনা বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতির অদম্য প্রতিরোধের মুখে ঢাকায় এসেছিলেন ইয়াহিয়া চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পাহাড়তলী: গণহত্যার কালো অধ্যায় সংস্কারের মুখোশে দমন: ইউনূস সরকারের তেলেসমাতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীই যখন নিরাপদ না, তখন সাধারণ মানুষের কথা কে ভাববে? জ্বালানি সংকটে ভরসা রূপপুর: শেখ হাসিনার মেগা প্রজেক্টেই স্বস্তিতে দেশ শেখ হাসিনার যুগান্তকারী পদক্ষেপ: শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশ ইনসাফের দোকানে ভেজাল মাল: নিমের মাজনে নিম নেই, জামায়াতের ইসলামে ইসলাম নেই পাঠ্যবই দুর্নীতি : ইউনুসের সংস্কার, সিন্ডিকেটের উৎসব জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন উত্তাল মার্চের স্মৃতিতে শিব্বীর আহমেদের পাঁচটি দেশাত্মবোধক গান আওয়ামী লীগ সরকারের পতন: ভুল কূটনীতি ও অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতার ব্যবচ্ছেদ শামা ওবায়েদের নামে চলছে তদ্বির বাণিজ্য বিনামূল্যের পাঠ্যবই মুদ্রণে কারসাজি: এক বছরেই রাষ্ট্রের ৬৫৯ কোটি টাকা লুটে নিলো সিন্ডিকেট ঈদের আগেই বাড়ির পথে যাত্রা, কমলাপুরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর বেশি দামে এলএনজি কেনা ও মার্কিন চুক্তি: সরকারের ভুল নাকি ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত! কোনো সামর্থবান মুসলিম রাষ্ট্র নয়, ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন